‘শিক্ষার্থী ৬৫ জন, ফল ঘোষণা ৭৯ জনের’! এমন অবাক করার মতো ঘটনাটি ঘটেছে বাংলাদেশের সেরা বিদ্যাপিঠ আমাদের অনেকেরই আলমা মাটার খোদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। এমন একটি সংবাদ ছাপা হয়েছে ৩০ জুন জাতীয় দৈনিক কালের কণ্ঠে। যে দিন সংবাদটি প্রকাশিত হলো সেদিন টিআইবি বাংলাদেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনিয়মের উপর একটি ঢাউশ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর এমন একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করার সক্ষমতা টিআইবি’র আছে কি-না তা জানিনা। অবশ্য টিআইবি’র সমস্যা হচ্ছে তারা কোনো প্রতিবেদনই সঠিকভাবে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে পারেন না তাদের ‘গবেষণার’ পদ্ধতিগত ত্রুটির কারণে। তাদের অধিকাংশ প্রতিবেদনে কোনো একটি বিষয় বা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে ঢালাও মন্তব্য করা হয় যা তারা পরবর্তীকালে সমালোচনার মুখে টিকাতে পারে না। যেমন, এদিনের প্রতিবেদনে তারা বলেছে, ২২ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর জরিপ চালিয়ে তারা প্রমাণ পেয়েছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে মঞ্জুরী কমিশন হতে শুরু করে মন্ত্রণালয় পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে তারা দুর্নীতির প্রমাণ পেয়েছে। এমন একটি ঢালাও উক্তি চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতা। এই প্রতিবেদন প্রস্তুত করার সময় তারা মন্ত্রণালয় বা মঞ্জুরী কমিশনের কারো মন্তব্য নেয়ার প্রয়োজন মনে করেনি। এর আগে তারা একই কাজ সংসদ সদস্যদের ক্ষেত্রেও করেছে। একই দিন অন্য আর একটি জাতীয় দৈনিকে দেশে দেশে উচ্চ শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রতারণা নিয়ে আমার একটি মন্তব্য প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। সেই প্রতিবেদনে স্বল্প পরিসরে চেষ্টা করেছি বাংলাদেশে সরকারি বেসরকারি উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে যে নানা রকমের অনিয়ম চলছে তার উপর কিছু আলোকপাত করতে। তবে তা ছিল সমুদ্রে বিশাল বরফ শীলার সামান্য উপরিভাগ দেখা যাওয়ার মতো। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উল্লেখিত কাণ্ডটি ঘটেছে ইসলামের ইতিহাস বিভাগে। বছর কয়েক আগে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগে ৫৫ জন ছাত্র প্রথম শ্রেণী পাওয়াতে তা সকল সংবাদপত্রের শিরোনাম হয়েছিল। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কয়েক বছর আগে একটি বিভাগের একজন পরীক্ষক বহির্পরীক্ষকের নম্বর দেখে নম্বর দিয়ে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে বেশ হৈ চৈ ফেলে দিয়েছিলেন। আমার পূর্বের কর্মক্ষেত্রে বেশ কয়েক বছর আগে ইসলামের ইতিহাস বিভাগের ভর্তি পরীক্ষায় একজন ছাত্র তার উত্তরকৃত মোট নম্বরের চেয়ে বেশি নম্বর পেয়েছিল। একই বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন শিক্ষক তারই আর একজন সহকর্মীর একটি গবেষণা প্রবন্ধ হুবহু নিজের নামে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগের জার্নালে প্রকাশ করে তদন্তের মুখোমুখী হয়েছিলেন। ওইটুকুই সার। তারপর পুরো ঘটনা ধামাচাপা। বছর কয়েক আগে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলো একই বিশ্ববিদ্যালয়ে। এবার কিন্তু একেবারে একটি পিএইচডি থিসিসকে কেন্দ্র করে। একজন শিক্ষক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর একজন সিনিয়র শিক্ষকের থিসিসের বেশিরভাগই নকল করে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করে পরে বিষয়টি জানাজানি হয়ে গেলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত কমিটি পুরো বিষয়টি সত্য বলে তদন্ত প্রতিবেদন দেয় কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে আর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ঘটনাটি চারদলীয় জোট সরকারের আমলের। এর আগে এমন ঘটনা ঘটেছিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেবার ধরা পড়লো দেশের বিশিষ্ট রাজনীতি বিজ্ঞানী ডঃ তালুকদার মনিরুজ্জামানের প্রকাশিত থিসিসের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ একজন তার গবেষণালব্ধ কাজ বলে চালিয়ে দিয়ে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করে ফেলেছেন। এমন সব ঘটনা আকছার ঘটছে তবে তার প্রতিকার হচ্ছে খুবই কম এবং তা না হওয়ার ফলে অন্যরা এমন অনৈতিক কাজ করার উত্সাহ পাচ্ছেন। এতে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রতিষ্ঠানের সুনাম আর গবেষণার উপর আস্থা আর তার বিশ্বাসযোগ্যতা।
বাংলাদেশে উচ্চ শিক্ষা দেয়ার দায়িত্ব সরকারি বেসরকারি কলেজ আর বিশ্ববিদ্যালয়ের। দেশে এই মুহূর্তে ৩৭টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১,৯৭,২৭৮ জন শিক্ষার্থী আর ৬০ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩,১৪,৬৪০ জন পড়ালেখা করে যার আনুপাতিক হার ৩৯:৬১। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০৭টি অধিভুক্ত কলেজে মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা ১২,৬৮,৪৫০ জন আর দূরশিক্ষণ পদ্ধতিতে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৬,৭৪,৩৮৭ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধনকৃত আছে। অবশ্য উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী নিবন্ধনকৃত আছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে। কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অধিভুক্ত ৩৪৭৭টি মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৪,৮৪,৬০৬ জন। এসব উপাত্ত বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের ২০১২ সালের প্রতিবেদনের। নিঃসন্দেহে বলা যায়, পরবর্তীকালে এই সংখ্যা আরো অনেক বেড়েছে। ওআইসি দেশগুলোর মধ্যে উচ্চ শিক্ষা লাভের জন্য কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় আর মাদ্রাসা পর্যায়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশ তৃতীয়। আমাদের উপরে আছে তুরস্ক আর ইন্দোনেশিয়া। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে সামগ্রিকভাবে শিক্ষার ব্যাপক প্রসার ঘটেছে তা অস্বীকার করার উপায় নেই। বর্তমানে আমাদের দেশে সরকারিভাবে শিক্ষিতের হার ৬০% -এর উপর যা একাত্তর পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণেরও বেশি। তবে উচ্চ শিক্ষার প্রসার বা ব্যাপ্তির পরিধি বাড়লেও গুণগত মানের উন্নয়ন ঘটেনি তেমন। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের কথা বাদ দিলেও আঞ্চলিক মানদণ্ডে গুণগত মানের বিচারে বাংলাদেশ এখনো অনেক পিছিয়ে আছে। এর কারণ বহুবিধ। প্রথম কারণ শিক্ষা ক্ষেত্রে ভাল শিক্ষক আনতে না পারা। একটা সময় বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজের ভাল ছাত্রদের শিক্ষকতা পেশার প্রতি প্রবল আগ্রহ দেখা যেত। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সবচেয়ে ভাল ছাত্রটি হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হতে চাইতেন অথবা পাবলিক সার্ভিস পরীক্ষা দিয়ে সরকারি চাকরিতে ঢুকতেন। এখন এর কোনোটাই হচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয় ভাল শিক্ষক পাওয়া হতে বঞ্চিত হচ্ছে আর সরকার পাচ্ছে না দক্ষ আমলা। শিক্ষকতাতে না আসার প্রধান কারণ হচ্ছে এই পেশায় সুযোগ-সুবিধার প্রচণ্ড অভাব। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে পৃথক পে-স্কেলের দাবি করে আসছেন যদিও কাজ হয়নি কিছু। এই বাংলাদেশে অনেক পেশার জন্য আলাদা পে-স্কেল ও অন্য অনেক সুবিধা আছে। যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে ভাল শিক্ষকের প্রচণ্ড অভাব সেহেতু শিক্ষকদের অবসরে যাওয়ার বয়স বৃদ্ধির দাবিও করা হয়েছে। অনেক উন্নত দেশে বিচারক আর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের অবসরের কোনো নির্ধারিত বয়স নেই কারণ এই দুই পেশায় সে সব দেশের চাহিদার তুলনায় ঘাটতি বিশাল। এসবের উপর আছে উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে অপর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ। শিক্ষার ক্ষেত্রে যা বাজেট বরাদ্দ দেয়া হয় তার এক ভাগেরও কম উচ্চ শিক্ষার জন্য পাওয়া যায়। সরকার হতে নিয়মিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তাগাদা দেয়া হয় নিজস্ব আয় বৃদ্ধির। কিন্তু তা কীভাবে সম্ভব তা কোনো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানেন না। বর্তমান পরিস্থিতিতে এটি এক শ্রেণীর শিক্ষার্থীর মাথায় ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে তারা প্রায় কোনো অর্থ ব্যয় না করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে পড়ালেখা করবে। তাদের ধারণা, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে পড়ালেখা তাদের অধিকার যা মোটেও ঠিক নয়। এই অধিকার সব দেশেই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ। বাংলাদেশে একজন বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীর মাসিক বেতন এক টাকা বৃদ্ধি করলে বিশ্ববিদ্যালয় অচল হয়ে যেতে পারে। এই অবস্থার পরিবর্তন না হলে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে অর্থায়নের সমস্যা কখনো দূর হবে না।
উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী ঘটনা ছিল বাংলাদেশে বেসরকারি পর্যায়ে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ করে দেয়ার জন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতি দিতে ১৯৯২ সালে সংসদে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাস করা। এই আইনে ২০১০ সালে বেশকিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। এই পরিবর্তন অবশ্যই প্রয়োজন ছিল কিন্তু পরিবর্তনের পরও তাতে বেশ কিছু অসংগতি রয়ে গেছে। এ ব্যাপারে সরকারের উচিত হবে এই অসংগতিগুলো দূর করে আইনটিকে আরো বাস্তবসম্মত করে তোলা। দুটি অসংগতি অবশ্যই দ্রুত সমাধানের দাবি রাখে। প্রথমটি এক একর অখণ্ড জমির প্রয়োজনীয়তা আর দ্বিতীয়টা চরম বৈষম্যমূলক শর্তে দেশে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা আর স্টাডি সেন্টার খুলতে দেয়া। অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশে হার্ভার্ড বা অক্সফোর্ড তাদের শাখা খুলবে না। খুলতে আসবে অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়ার হয়তো কোনো নিম্নমানের বিশ্ববিদ্যালয়। তাতে কোনো আপত্তি নেই তবে তাদের আসতে হবে বাংলাদেশে এই সেক্টরে যে শর্তে বিশ্ববিদ্যালয় খুলতে অনুমোদন দেয়া হয় ঠিক একই শর্তে। উল্লেখ্য, ভারতে এখন পর্যন্ত কোনো বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়কে সে দেশে শাখা খোলার অনুমতি দেয়া হয়নি। বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ইচ্ছা করলে সে দেশে স্বল্পমেয়াদি কোর্স চালু করতে পারে। বর্তমানে ৭৯টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে অনুমোদন দেয়া হয়েছে যার বেশিরভাগই ঢাকায় অবস্থিত। সকলে অখণ্ড এক একর জমি কোথায় পাবে? আর এমন আজগুবি শর্ত বিশ্বের অন্য কোনো দেশে আছে বলে জানা নেই। বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে জ্ঞান সৃষ্টি, জ্ঞান ধারণ আর জ্ঞান বিতরণের ক্ষেত্র। এই তিনটি শর্তই যদি পূরণ করতে সক্ষম না হয় তা হলে অখণ্ড এক একর জমি কোনো কাজে আসবে না।
বড় প্রশ্ন হচ্ছে উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে অর্থায়নই কী সবচেয়ে বড় সমস্যা ? তা অবশ্যই না। সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে ছাত্রের কাছে শিক্ষকদের জবাবদিহিতা। স্কুল হতে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত বর্তমানে এক শ্রেণীর শিক্ষক আছেন যারা নিজেদেরকে সব জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে মনে করেন। তারা প্রশাসন বা শিক্ষার্থীদের কাছে তাদের জবাবদিহিতা আছে তা বিশ্বাস করেন না। সময় মতো ক্লাসে না আসা, বিনা নোটিসে ক্লাস বাতিল করা, পরীক্ষার ফলাফল সময় মতো প্রকাশ না করা ইত্যাদি বিষয় এই শ্রেণীর শিক্ষকদের জন্য অনেক ক্ষেত্রে রেওয়াজ হয়ে পড়েছে। কিন্তু এসব শিক্ষকের অনেকেই আবার যখন কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে যান তখন ঠিকই তারা তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেন কারণ তারা জানেন এখানে দায়িত্ব পালনে অবহেলা করলে তাদের চাকরি নাও থাকতে পারে। বাংলাদেশের উচ্চ শিক্ষাকে বিশ্বমানের করতে হলে চাই সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা। প্রধান ভূমিকা সরকার আর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনকে নিতে হবে। শিক্ষকদের নিজেদের দায়-দায়িত্ব স্বীকার করে নিতে হবে। সকলের উপর নৈতিকতাকে স্থান দিতে হবে। যে সকল শিক্ষার্থী পকেটে অর্ধ লক্ষ টাকা দামের স্মার্ট ফোন রেখে মনে করেন বিনা পয়সায় লেখাপড়া করা তাদের অধিকার, তা হতে তাদের বের হয়ে আসতে হবে। আর যারা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোক্তা তাদেরকে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আর একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তফাত্ বুঝতে হবে। তাদের ভিতর যে সব গলদ আছে তা দূর করতে হবে। এসব সম্ভব হলেই বাংলাদেশের উচ্চ শিক্ষা গুণে আর মানে আরো অনেকদূর যেতে পারবে।
লেখক: সাবেক উপাচার্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
