পবিত্র মাহে রমজানের খাবার নিয়ে আমরা একাধিকবার আলোচনা করেছি। বিশেষ করে যাদের এলার্জি আছে তাদের খাবার নির্বাচনে সতর্কতা অত্যন্ত জরুরি। কারণ রোজাদারদের এলার্জির ওষুধ কম সেবন করা উচিত। এলার্জির ওষুধে শরীর অনেক ক্ষেত্রে দুর্বল হয়ে পড়ে। তবে যাদের ক্রনিক বা দীর্ঘমেয়াদী এলার্জি আছে তাদের এলার্জি নিরাময়ে নন সিডেটিভ ওষুধ বা কম ঘুমঘুম ভাব হয় এমন ওষুধ সেবন করা উচিত। সাধারণত সেহরীর সময় এলার্জির ওষুধ সেবন করা ভালো। অনেক ক্ষেত্রে এলার্জির ওষুধে বেশ ঘুম হয়। তখন সেহরী খাওয়া কষ্টকর হয়ে পড়ে। পাশাপাশি রোজাদারগণের যাদের এলার্জি আছে তাদের বেগুন, চিংড়ি মাছ, ইলিশ মাছ, গরুর মাংস, ডিম না খাওয়াই ভালো। পাশাপাশি সুস্বাদু বেগুনীও ইফতারীর মেনু থেকে বাদ দিতে হবে। এছাড়া আর একটি কথা মনে রাখা উচিত যে, অনেক সময় রোজাদারগণ বাইরের ইফতারী খেতে পছন্দ করেন। এসব ইফতারী মানসম্মত কি-না তা জেনে নেয়া দরকার। তাই বাইরের ইফতারী যত পরিহার করা যাবে ততই ভালো।
অনেক ক্ষেত্রে বিশেষ করে ইফতারীর নানা আইটেম আহারের পর শরীরে এলার্জি বা চাকা চাকা হতে পারে। এক্ষেত্রে যে কোনো ধরনের এন্টি হিস্টামিন ট্যাবলেট সেবন করলে উপকার পাওয়া যায়। এছাড়া অনেক ক্ষেত্রে এলার্জির তীব্রতা বেড়ে যায়। যেসমস্ত শরীর চাকা চাকা হয়ে ফুলে যায়, তখন ইনজেকশন দেয়ার প্রয়োজন হতে পারে। এধরনের সমস্যায় চিকিত্সকের পরামর্শ নেয়া উচিত।
লেখক : চুলপড়া, এলার্জি, চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ
