ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের সম্প্রতি বাংলাদেশ সফর নিয়ে সুশীল সমাজ ও বুদ্ধিজীবীরা যেভাবে ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করছেন অনেকের কাছেই অবশ্যই তা মাত্রাতিরিক্ত বলে মনে হচ্ছে। তবে এই সফরের ফলপ্রসূ কোন ফলাফল পাওয়া গেল না। বিষয়টি অনেকের কাছেই প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মো. ওয়াহীদ উল্লাহ
স্টুডিও ফুজিয়া, মিরপুর, ঢাকা
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের সদ্য বাংলাদেশ সফর নিয়ে, সুশীল সমাজ ও বুদ্ধিজীবীরা যে ভাবে ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করছেন, তা শুধু মাত্রাতিরিক্তই নয়, অতি সুন্দর যাচ্ছেতাই বা সোনার পাথরবাটি মনে হয়েছে। তাই আলোচনার টেবিলে বা সাক্ষাত্ কারে খেই হারিয়ে কথা বলি, পাণ্ডিত্য প্রকাশের জন্য নতুবা বলার জন্য বলা এই বোধ থেকে। আমরা গভীর ভাবে লক্ষ্য করেছি, ভারতের নির্বাচনী বৃষ্টি যখন দিল্লিতে হচ্ছে, তখন ঢাকাতে ছাতা ধরে নৃত্য করা ছিল যেমন দৃষ্টিকটু, তেমন জাতীয় শরম ও লজ্জারও ।
মুরাদ হোসেন
মধুখালী, ঝিকরগাছা, যশোর।
জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বাস্তবের আকাশে আক্ষেপ ও বিড়ম্বনার আল্পনার ছাপ দিয়ে শেষ হলো সুষমার বাংলাদেশ সফর। আর আশা-আকাঙ্ক্ষায় যোগ-বিয়োগের খাতা সাদা রয়ে গেছে বরাবরের মতোই। যদিও আগে-পরে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণে আমাদের কোনো ঘাটতি নেই। কারণ, আমাদের জাতীয় চরিত্র অনন্ত অপেক্ষায় অভ্যস্ত। অন্যদিকে অবস্থানগত ও স্বভাবসুলভ কারণে ভারত নিকট প্রতিবেশীর সঙ্গে বিরোধ মেটাতে চায় না বরং খবরদারি করাই ভারতের স্বভাব। তাই সুষমার বাংলাদেশ সফরে বিশেষ উল্লোসিত বা হতাশ হবার কিছু নেই।
অধ্যাপক মোঃ আলী এরশাদ হোসেন আজাদ
বিভাগীয় প্রধান ইসলামিক স্টাডিজ
কাপাসিয়া ডিগ্রি কলেজ কাপাসিয়া গাজীপুর -১৭৩০।
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ বাংলাদেশে তিনদিনের সফরে আসেন। বাংলাদেশের সাথে ভারতের সমস্যা অনেক। ভারত সর্বদা নিজেদের বিগ ব্রাদার মনে করে। ভারতের সাথে আমাদের বাণিজ্য বৈষম্য বিশাল। বাংলাদেশের স্বার্থে এ বৈষম্য কমাতে হবে। বর্তমানে ভারতের ভিসা পেতে বিড়ম্বনা অনেক। ভারতে ভিসা বাংলাদেশীদের জন্য সহজ কড়তে হবে। ভারত থেকে অবৈধ মাদক আসা বন্ধ করতে হবে। আশাকরি ভারত সরকার, নিজেদের স্বার্থে বাংলাদেশের সাথে সকল সমস্যার সমাধান করে সুপ্রতিবেশী সুলভ আচরণ করবে।বড় ভাই সুলভ আচরণ বাংলাদেশের জনগণ মানবে না।বাংলাদেশ পরিবহন ট্রানজিট দেবে না ।
নজরুল ইসলাম খান,
খান ভিলা, ৫৪ নতুন জুরাইন, ঢাকা।
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের সংক্ষিপ্ত বাংলাদেশ সফর নিয়ে বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষেরা অনেকেই নানা মন্তব্য করছেন। আমরা মনে করি এই মাত্রাতিরিক্ত মন্তব্য না করাই শ্রেয়। সুতরাং ভারতের নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরকে আমরা দুদেশের সম্পর্ক আরো জোরদার হবে বলে মনে করি।
মারুফ, বাসাবো, ঢাকা
সুষমা সম্প্রতি ঢাকা সফরে আসেন। তার এই সংক্ষিপ্ত সফর দুদেশের সম্পর্কে খুলে দিতে পারে বন্ধুত্বের বন্ধন ও সহযোগিতা এবং সম্ভাবনার দ্বার। তবে তা কতটুকু হবে তা অনেকটা নির্ভর করছে ভারত সরকারের ওপর। এ নিয়ে এ দেশের সুশীল সমাজ যতই ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ দিন না কেন কোন ফল আসবে না।
মাসুম
শিকড় সন্ধানে, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ বাংলাদেশে সফরকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ সাক্ষাত্ করেন। এতে প্রধানমন্ত্রী সীমানাচুক্তি, তিস্তার পানি বন্টন ও সীমান্ত হত্যাসহ ভারতের সাথে সকল দ্বিপক্ষীয় বিষয়ের দ্রুত সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। আমরা মনেকরি ভারত সরকারের এই নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর অত্যন্ত ফলপ্রসু হবে।
মো. খায়রুল বাশার
কুতুবখালী, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা
ভারতের নতুন সরকারের পরাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ এর বাংলাদেশ সফর নিয়ে অনেকেই অনেক কথা বলছেন। তবে আমরা মনে করি বাংলাদেশের সাথে বহুদিন ধরে ঝুলে থাকা অভিন্ন তিস্তার পানিচুক্তি নিয়ে আভ্যন্তরীণ সমঝোতা করবে ভারত।
মো. শহীদুল ইসলাম
নিশিদারা, মধ্যপাড়া, বগুড়া
ভারতের নতুন পরাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ বাংলাদেশে সফরে এসেছিলেন। এই সফর দুই দেশের সম্পর্ক নতুন করে শুরু হবে বলে আমরা আশা করছি।
জুয়েল
বারিধারা, ঢাকা
ভোটের প্রচারে মোদী বলেছিলেন নদীর সাথে নদী মিশিয়ে দেবো। বাংলাদেশকে দিল্লি গুরুত্ব দিচ্ছে। আমাদের মনে হচ্ছে আমাদের দেশের রাষ্ট্র প্রধান ও ভারতের রাষ্ট্র প্রধান নরেন্দ্র মোদী দুজনেই সম্পর্কের নতুন বিন্যাসে আগ্রহী। আত্মীয় হয়ে বেঁচে থাকতে চায় দুই দেশ। তাই নিঃসন্দেহে ভারত বাংলাদেশের উদ্যোগ পরিসর আরও প্রশস্ত হয়ে উঠবে এই প্রত্যাশা আমাদের।
মো. মেজবাহউদ্দিন সেলিম
ভোলা ড্রাগ হাউজ, পাকার মাখা, ইব্রাহিমপুর
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ সম্প্রতি বাংলাদেশ সফর করে বাংলাদেশ ভারতের সম্পর্কের খোলা চোখে উন্নয়ন ঘটিয়েছেন। তার ভ্রমণে বাংলাদেশের জনগণ প্রত্যাশা করে তিস্তার পানি বন্টন, বন্ধু সুলভ আচরণ, সীমান্তে হত্যাবন্ধ, বাণিজ্যের বৈষম্যকরণ রোধ এবং দুদেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক বলয়ে তৈরি করে সাহিত্যিক, কবি, লেখকদের ভ্রমণে সহজিকরণ করা হোক। আমরা চাই প্রতিবেশীর সাথে প্রতিবেশী সুলভ আচরণ পাশাপাশি দুটি দেশের কোন অবস্থায় যেন কোন সন্ত্রাসী আত্মগোপন করে নাশকতা মূলক কাজ যেন না করতে পারে। সবসময় দুদেশের মধ্যে এ রকম পররাষ্ট্রমন্ত্রীর থেকে শুরু করে উচ্চপদস্থ কর্তাব্যক্তিদের ভ্রমণ অব্যাহত থাকলে দুদেশের সম্পর্ক সুদৃঢ় হবে। যা উন্নয়নের জন্য একান্ত অপরিহার্য।
ওয়াহিদ মুরাদ
নিউ ইস্কাটন, ঢাকা
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের বাংলাদেশ সফর নিয়ে ইতিমধ্যে নানা রকম আলোচনা সমালোচনা উঠে এসেছে। তার এই সফর কতটুকু ফলপ্রসূ হবে বা সৌহার্দ্যপূর্ণ হবে সেটাই এখন দেখার বিষয়। তবে সফরত ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ বলেছেন গণতন্ত্র শক্তিশালী প্রতিষ্ঠার, সহিষ্ণুতার যা খুবই ইতিবাচক।
মো. খায়রুল ইসলাম (ফুল)
আরামপুর, ঝিনাইদহ
ভারতের নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ অল্প সময়ের জন্য ঢাকায় এসেছিলেন। তবে যা আশা করেছিলেন দেশবাসী তা পূর্ণ হয়নি। এতে করে শুরু হয়েছে নানা গুণী লোকের সমালোচনা। আমরা আশা করছি দু’দেশের সম্পর্ক জোরদার হোক।
হুমায়ুন কবীর, পল্লবী, ঢাকা
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের বাংলাদেশ সফর নিয়ে নানা গুঞ্জন চলছে। আরো হয়তো কিছুদিন চলবে। তবে ভারতের এখন দরকার এদেশের সাথে গণতান্ত্রিক সঙ্গতি গড়ে তুলতে সহযোগিতা করা।
আলম চৌধুরী
মতিঝিল, ঢাকা
ভারতের বিজেপি সরকারের নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ বাংলাদেশে ৭২ ঘন্টার ঝটিকা সফর শেষে গত ২৭ জুন ফিরে যান। আমরা চাই তার সফর স্বার্থকময় হয়ে উঠুক।
মো. হানিফ মিয়া
রিসোর্স ইন্ট্রিগ্রেশন সেন্টার (রিক)
ধানমন্ডি, ঢাকা
বিজেপির জয়ে ঢাকা দিল্লি সম্পর্ক অনেক ভালো হবে এটাই সবার কামনা। ভারতের ক্ষমতার পালাবদল তথা বিজেপি ক্ষমতায় আগমন সে সম্পর্কটা যেন আরো বৃদ্ধি পায়।
মো. সেলিম
মহাখালী, ঢাকা
কংগ্রেসের ভরাডুবি হয়ে বিজেপি বিশাল জয় লাভ করেছে। তাই ঢাকা দিল্লি সম্পর্ক ভালো হবে এটাই সবার আশা। বিশেষজ্ঞ, সুশীল সমাজ ও বুদ্ধিজীবীরা যতই ব্যাখ্যা করুন। ঢাকা দিল্লি সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে বলেই আমি মনে করি।
রাব্বিন
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ, ঢাকা
বাংলাদেশ ও ভারত দু’টি স্বাধীন এবং সার্বভৌম দেশ। তাই আমাদের অপেক্ষা করতে হবে দু’টি দেশের পররাষ্ট্রনীতির উপর। আন্তরিক হতে হবে দু’দেশকে। সম্পর্ক আরো জোরদার ও শক্তিশালী করার জন্য দুই দেশের ঊর্ধ্বতন নেতাদের আরো আলোচনায় বসতে হবে।
শামীমা, ফার্মগেট, ঢাকা
কংগ্রেসকে পরাজয় করে বিজেপি জয়লাভ করে সরকার গঠন করে। নতুন সরকারের নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা আসেন। কিন্তু এতে করে কোন লাভ হয়নি। তবে আমরা আশা করি ঢাকা দিল্লি সম্পর্ক ইতিবাচক ও সুদৃঢ় হবে।
বাশার , কাওরান বাজার, ঢাকা
বুদ্ধিজীবীরা যদি সব জানেন, তা হলে অন্যরা কি করবেন। আমাদের দেশের অবস্থা তাই দাঁড়িয়েছে। তবে সবার আশা দু’টি দেশ এর সম্পর্ক সুদৃঢ় হোক।
মাহমুদ হোসেন, তেজগাঁও, ঢাকা
ভারতের নতুন সরকারের পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তি হবে জাতীয় সম্পর্ক সমুন্নত রেখে সকল দেশের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটানো। এমন প্রত্যাশাই আমরা করছি।
সোহাগ, ভাগলপুর লেন, নবাবগঞ্জ, ঢাকা
পৃথিবীর বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ ভারত। তাছাড়া ভারত বাংলাদেশের একটি অকৃত্রিম বন্ধু রাষ্ট্র। ঢাকা-দিল্লীর মধ্যে যে সম্পর্ক বিদ্যমান আশাকরি তা কোনো অংশেই ভাঙবে না।
হাসান মো. হোসাইন চৌধুরী
কবির হাট, নোয়াখালী
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের বাংলাদেশ সফর নিয়ে সুশীল সমাজ ও বুদ্ধিজীবীরা যেভাবে ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করছেন তা অনেক ক্ষেত্রেই ঠিক।
এম,কে, মো. রমিজউদ্দিন
প্রশিকা প্রধান কার্যালয়
মিরপুর-২, ঢাকা
গণতান্ত্রিক দেশ ভারতের পররাষ্ট্রনীতি সব সময় এক ও অভিন্ন এখন এই দুই দেশে তার ভিন্ন আঙ্গিকে যে সমস্যা আছে তা সমাধানের পথ খুঁজে নেবে। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরের সার্থকতা সেটাই হওয়া দরকার।
রিফাত,
ঝিনাইদহ
আমাদের সুশীল সমাজ ও বুদ্ধিজীবীরাসহ সরকার ও বিরোধী দল এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ যেভাবে সুষমার সফরকে অতিরঞ্জিত করছে তার কোনো মানে হয় না। ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কটা হতে হবে দ্বিপাক্ষিক ও সমানে সমানে।
সাঈদুল ইসলাম, উত্তরা, ঢাকা
সুষমার স্বরাজের বাংলাদেশ সফরকালে আমাদের দেশের বুদ্ধিজীবীসহ অনেকেই অনেক মন্তব্য করেছেন। কিন্তু দেখতে হবে বাস্তবে কতটুকু এদেশে তার সফর ফলপ্রসূ হয়েছে।
ফারুক আলম বিল্লব,
মালিবাগ, ঢাকা
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের বাংলাদেশ সফর নিয়ে অনেক সাজ সাজ রব ছিল। কিন্তু এই সফর বাংলাদেশে তেমন কোনো কিছু প্রাপ্তি এখন পর্যন্ত হয়নি। এমনটি হবে বলে কারোর চিন্তা ছিল না।
শাহীন
ডিওএইচএম
ভারতের পত্রিকায় লিখেছে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ বাংলাদেশের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন নিয়ে কোনো কথা ভাবছেন না। এটা বাংলাদেশের নিজস্ব বিষয়। তবে যুক্তরাষ্ট্র তা ভাবে না। যুক্তরাষ্ট্র চায় সব দল এর অংশগ্রহণ। সুতরাং ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের সফর কতখানি সার্থকময় হয়ে উঠেছে তা অবশ্যই সুশীল সমাজ, বুদ্ধিজীবীরা বলতে পারেন।
শিশির,
পিলখানা, ঢাকা
আমরা চাই ভারতের সাথে অমীমাংসিত বিষয়গুলো অতিদ্রুত সমাধান হোক। তাহলেই দু’দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে।
হোসনে আরা বেগম নীলা
এনায়েতগঞ্জ লেন, পিলখানা, ঢাকা
আমরা এদেশের জনগণ। কেউ ভারত বিরোধিতায় কিংবা কেউ ভারত প্রীতিতে ডুবে আছে। সত্যিকারার্থে সুষমা স্বরাজ কেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আসলেও কোন লাভ হবে না। ২০১২ সালে ভারতের তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংও বাংলাদেশ সফর করেছিলেন; কিন্তু কি লাভ হলো? মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি বঙ্গবন্ধু কার্যকর করে গেলেও ভারত আজ পর্যন্ত তাদের অংশ কার্যকর করে নাই। ভারত সবসময় মূলা ঝুলিয়ে রাখে, যা নিতে পারে। তা নিয়ে যাবে; কিন্তু বাংলাদেশের যুক্তিসঙ্গত পাওনা কখনো দেবার চেষ্টা করবে না। তাই সুষমার সফরে কারো উত্ফুল্ল হবার কোন কারণ নেই। ভারত কখনো আমাদের বন্ধু হবে না।
শাহ আলম খান স্মরণ
বাঁশখালী, চট্টগ্রাম
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের বাংলাদেশ সফর নিয়ে সুশীল সমাজ ও বুদ্ধিজীবীরা যেভাবে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করছেন তাতে মনে হয় একমাত্র আমাদের দেশের বুদ্ধিজীবীরাই জানে, আর কেহ জানে না। তাদের কথায় মনে হচ্ছে- তারা বিষয়টিকে গুলিয়ে ফেলেছেন।
জসিমউদ্দিন
পুরান থানা, কিশোরগঞ্জ
ভারত বাংলাদেশের মধ্যে যে সমস্ত অমীমাংসিত বিষয় ছিল তার একটাও ইতিবাচক সারা মেলেনি। এতে করে বিশেষজ্ঞরা অনেক মন্তব্যের ঝড় তুলেছেন। আর এটাই হওয়া উচিত নয় কি?
মো. কামাল হোসেন
এমবিএ পরীক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
সুষমা স্বরাজের বাংলাদেশ সফরকে অতিরঞ্জিত করেন, তাদেরকে বলবো সুষমা স্বরাজের কথা বুঝতেই পারেন নাই। যদি বুঝতেই পারতেন তাহলে এত অতিরঞ্জিত করতেন না। সুষমা স্বরাজ ভারতের একজন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি এসেছেন এবং বাংলাদেশকে বুঝেছেন তারপর সমস্যার সমাধান করবেন।
হাবিবুর রহমান
ভালুকা বাজার, ভালুকা, ময়মনসিংহ
ভারতে যে সরকারই থাকুক তাদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ভাল থাকবে। বিএনপি এটা নিয়ে যে রাজনীতি করতে চেয়েছিল তা সুখকর হবে না। রাজনৈতিকভাবে বিএনপি এখন জনগণ থেকে দূরে সরে গেছে। এখন বিদেশি কোন লোক আসলে তা নিয়েও রাজনীতি করতে চায়। এটা দুঃখ জনক ও লজ্জার।
সৈয়দ হায়দার আলী
সভাপতি, মহাখালী যুব কল্যাণ সমিতি , মহাখালী, ঢাকা
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ভারতের নরেন্দ্র মোদীর সরকার তার কূটনীতির যে ইতিবাচক আভাস দিয়েছেন তাতে ভারতকে আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র ভাবাই উচিত। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের আগমন সেই ইঙ্গিতই বহন করে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি সংগ্রেস সরকারের সময় যেভাবে ছিল বিজেবির সরকারের সাথেও সেই নীতি বলবত রাখা আবশ্যক।
শাহ মো. হেলাল উদ্দিন হীরা
কালিহাতী, টাঙ্গাইল
সুষমার বাংলাদেশ সফর দুই দেশের মধ্যে ভারতের নতুন সরকারের সাথে সমঝোতার বীজ বপন করেছে। যদিও দুই দেশের মধ্যে বহু বছর ধরে বেশ কিছু অমীমাংসিত বিষয় ঝুলে আছে; কিন্তু এই সফরের ফলে আশা করা যায়- শীতলতা কেটে যাবে। তিনি সুস্পষ্টভাবে বলেছেন, বাংলাদেশের জনগণ নিজেদের সরকার সম্পর্কে নিজেরা সিদ্ধান্ত নেবে। ভারত সরকার যে কোন সরকারের সাথে কাজ করতে আগ্রহী।
ইশরাদ জাহান, গুলশান, ঢাকা
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ বাংলাদেশে ঝটিকা সফর করে গেছেন। এ সফর কতটুকু সফল স্বার্থক হবে তা এখন বিবেচ্য বিষয়। তবে আমরা চাই ভারতের সাথে দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিষয়গুলোকে অতি গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন।
পারভীন আক্তার
হাজারীবাগ পার্ক, হাজারীবাগ, ঢাকা।
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ সম্প্রতি সফর করে গেছেন। তার এই সফরকে নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণীর লোক নানা মন্তব্য করছেন। সফরকে কোনভাবেই ছোট করে দেখা যাবে না। যেহেতু ভারত আমাদের বন্ধুপ্রতিম দেশ। তারা যতদূর সম্ভব আমাদের বিষয়গুলো নিয়ে ভাববেন বলে বিশ্বাস।
মোঃ মনির হোসেন
মনির বুক এন্ড সংবাদপত্র বিক্রয় কেন্দ্র
মিরপুর-১, ঢাকা।
ভারতীয় নতুন সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ তিনদিনের সফরে বাংলাদেশে আসেন। তার এই আগমন এদেশের মানুষের কাছে নিশ্চয়ই নতুন কিছু আশার সঞ্চার করেছে। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে ভারত বাংলাদেশ অমীমাংসিত বিষয়টি অতিদ্রুত সমাধান যদি হয় তাহলে দু’দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ কল্যাণ বয়ে আনবে। এটাই এখন সময়োপযোগী বিষয়।
জাহাঙ্গীর হোসাইন
পীরেরবাগ, ঢাকা।
গণতান্ত্রিক দেশ ভারত। তাদের পররাষ্ট্রনীতি ভিন্ন হওয়াটাই স্বাভাবিক। দু’দেশের মধ্যে যে বহুদিনের অমীমাংসিত বিষয়টি রয়েছে তা সমাধান করা এখন প্রধান কাজ। বাংলাদেশ ভারত সুসম্পর্ক কবে কখন গড়ে উঠবে সেটি এখন প্রধান বিবেচ্য বিষয়।
মো. রবিউল ইসলাম রবি
সভাপতি
বাংলাদেশ মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ সংস্থা
এলিফ্যান্ড রোড, ঢাকা
ভারতের সদ্য নির্বাচিত ও ক্ষমতাপ্রাপ্ত সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ তিনদিনের সফরে ঢাকায় এসেছিলেন। তার এ সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। যদিও তার এ সফর নিয়ে সুশীল সমাজ ও বুদ্ধিজীবীরা নানা সমালোচনা করছেন। তবে আমরা সমালোচনা চাই না চাই দু’দেশের মধ্যে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ও সৌহাদ্যপূর্ণ সম্পর্ক।
আলমগীর
মতিঝিল, বা/এ, ঢাকা।
