[ আ ন্ত র্জা তি ক ]

শাতিল আরবে রক্তস্রোত

আপডেট : ১০ জুলাই ২০১৪, ২১:৩২
প্রাচীন সভ্যতার পাদপীঠ ইরাক আজ প্রকৃত অর্থেই বিধ্বস্ত জনপদ। রাজনৈতিক হিংসা-প্রতিহিংসায় বিদীর্ণ ইরাকের মানচিত্র। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জবরদখল, জনগণের অব্যাহত অস্থিরতা, নিকৃষ্ট রাজনৈতিক সুবিধাবাদের উত্থান, মতাদর্শগত বিভেদ এবং অবশেষে ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ঘোষণা—গোটা বিশ্বে ইরাককে এই সময়ের সবচেয়ে অস্থিতিশীল দেশ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। খ. অতীত ইতিহাস প্রাচীন ইতিহাস খুঁজে খুঁজে যেসব সভ্যতার নিদর্শন সারা পৃথিবীকে বিস্মিত করেছে তার মধ্যে ইরাক হচ্ছে সর্বোত্কৃষ্ট। এর প্রাচীন নাম মেসোপটেমিয়া। এই মেসোপটেমিয়ার রয়েছে দীর্ঘ ছ’ হাজার বছরের সমৃদ্ধ ইতিহাস। ইতিহাসের পথ বেয়ে সুমারিয় সভ্যতার অবসানে এখানে গড়ে উঠেছে ব্যাবিলনিয়, আশিরিয় এবং চালদিয়ান সভ্যতা। মক্কায় ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ধারাবাহিকতায় ইসলাম প্রসারিত হয় শাতিল আরব পর্যন্ত। ৬৩৬ খৃষ্টাব্দে ইরাক ইসলামী খেলাফতের অন্তর্ভুক্ত হয়। আরব মরু অঞ্চলে ইরাক এক বিশাল মরুদ্যান। বাংলাদেশের মত সুজলা-সুফলা না হলেও দজলা-ফুরাতের প্রবাহ প্রাচীনকাল থেকেই এ অঞ্চলকে শস্য-শ্যামলা করে আসছে। উত্পাদন, ব্যবসা বাণিজ্য, শিল্পায়ন ইত্যাদি কারণে ইরাক হয়ে দাঁড়ায় মধ্যপ্রাচ্যের তথা ইসলামী দুনিয়ার কেন্দ্রভূমি। এখানেই গড়ে উঠে ইসলামী সভ্যতার স্বর্ণযুগ। রচিত হয় সভ্যতার কল্প কাহিনী ‘আলিফ লায়লা’। ইরাকের কেন্দ্রভূমি বাগদাদে প্রতিষ্ঠিত হয় ইসলামী খেলাফতের রাজধানী। ১২৪৮ সালে হালাকু খান কর্তৃক বিধ্বস্ত হওয়া পর্যন্ত বাগদাদ ছিল ইসলামী সভ্যতা সংস্কৃতির স্বর্ণোজ্জ্বল উদাহরণ। ১৫৩৪ খৃষ্টাব্দে অটোমান সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হলে ইসলামী খেলাফত বাগদাদ থেকে ইস্তাম্বুলে স্থানান্তরিত হয়। ১৯২০ সালে পাশ্চাত্যের কাছে অটোমান সাম্রাজ্য তথা ইসলামী শক্তির পতনের পর ইরাকে প্রথমবারের মত তথাকথিত অছি প্রথার নামে বৃটিশ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯২১ সাল থেকে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত পাশ্চাত্যের অনুগ্রহে বশংবদ রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হলেও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগ নিয়ে ১৯৫৮ সালে জেনারেল করিম কাশেম সামরিক অভ্যুত্থান ঘটান। সামরিক শাসনের চিরায়ত দ্বন্দ্ব বিগ্রহে অবশেষে সাদ্দাম হোসেনের মত নিষ্ঠুর একনায়ক ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠিত হন। এরপরের ইতিহাস সকলেরই জানার কথা। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামী বিপ্লব প্রতিষ্ঠিত হলে পুঁজিবাদী এবং সমাজতান্ত্রিক সাম্রাজ্যবাদী উভয় শক্তিই সাদ্দাম হোসেনকে মদদ দিতে থাকে। শক্তি মদমত্ত সাদ্দাম হোসেন ১৯৯০ সালে প্রতিবেশী তৈল সমৃদ্ধ কুয়েত দখল করে নেয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে পাশ্চাত্য সাদ্দাম হোসেনকে ক্ষমতাচ্যুত করে। সেই থেকে এই পর্যন্ত নুর আল মালিকীর মত শিখণ্ডিরা কার্যত ইরাককে শাসন করছে। গ. জনমনস্তত্ত্ব ঐতিহাসিকভাবে একটি অপ্রিয় সত্য এই যে, ইরাকি জনগণ তাদের সমৃদ্ধির সাথে সাথে সহিংসতায় ভুগছে। হজরত আলী (রাঃ) এর ইন্তেকালের পর কুফার শাসক ইমাম হুসাইনকে (রাঃ) ইরাকে আমন্ত্রণ জানান। যখন তিনি কারবালা পৌঁছেন তখন কুফার শাসক এজিদের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা করেন। এজন্য বাংলা ভাষায় কুফা শব্দটি নেতিবাচক অর্থে ব্যবহূত হয়। ইরাকি জনগোষ্ঠীর মনস্তাত্ত্বিক গড়ন ব্যাখ্যা করলে, হাজার বছরের ইতিহাস ঘাটলে অসংখ্য কুফা এর প্রমাণ মিলবে। ঘ. বর্তমান পরিপ্রেক্ষিত ইরাকি জনগণ তাদের নানা ধরনের বিভক্তি সত্ত্বেও সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে তাদের সংগ্রাম অব্যাহত রেখেছে। কখনো তার প্রকাশ ঘটেছে বাগদাদে গাড়ি বিস্ফোরণে, শিয়া নেতার আন্দোলনে, কুর্দিদের সশস্ত্র সংগ্রামে এবং গোত্রিও গেরিলা ওয়ারে। পাশ্চাত্য ইরাকে গণতন্ত্র রপ্তানি করতে চায়। বৃটিশ ম্যান্ডেট থেকে শুরু করে মার্কিন মদদপুষ্ট শাসনতন্ত্র প্রণয়ন পর্যন্ত পাশ্চাত্য গণতন্ত্রের তথাকথিত চর্চা কখনই ইরাকি মাটি ও মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি। সর্বশেষ শাসনতান্ত্রিক বিধান মোতাবেক-ইরাকের ত্রিপক্ষ অর্থাত্ শিয়া, সুন্নি এবং কুর্দিরা ক্ষমতা বিভাজন করে দেশ চালাচ্ছিল। কিন্তু নিত্যদিন বিস্ফোরণ আর নির্মমতার মধ্যে বসবাস করে করে ইরাকের জনগণ আজ অসহিষ্ণু। অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মধ্যে জনগণের জীবন যাপন অসম্ভব হয়ে পড়েছে। একটি স্থিতিশীল সরকারের জন্য জনগণ আজ ব্যাকুল। এই অবস্থায় সুন্নি ইসলামী শক্তি যখন শান্তি শুদ্ধি এবং শক্তির প্রদর্শন করছে তখন একটির পর একটি শহরের পতন অনিবার্য হয়ে উঠছে। ইরাকের সামরিক বাহিনী ক্রমশ পিছু হটছে। নব প্রকাশিত এই শক্তির নাম ইসলামিক স্টেট অব ইরাক অ্যান্ড দি লেভান্ট। সংক্ষেপে ‘আইএসআইএল’। আন্তর্জাতিক সমর বিশারদরা বলছেন, এই শক্তিটি মূলত আল কায়েদার বিদ্রোহী গ্রুপ। নানা ঘটনা পরিক্রমায় আইমান আল জাওয়াহিরির নেতৃত্বাধীন আল কায়েদা এখন অনেকটা কোণঠাসা। এমন প্রেক্ষাপটে আইএসআইল’ই বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী জিহাদী সংগঠনে পরিণত হয়েছে। হাজার হাজার বিদেশি যোদ্ধা থাকা গোষ্ঠীটি অস্ত্রশস্ত্র ও যুদ্ধের কলা-কৌশলের দিক দিয়ে এগিয়ে রয়েছে। অত্যাধুনিক প্রচারণায়ও তারা সমান পারদর্শী। ঙ. খিলাফাত বিতর্ক এই শক্ত সুন্নি ইসলামী সংগঠনটি সম্প্রতি ইসলামী খিলাফত প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছে। ইরাক ও সিরিয়ার অংশ নিয়ে গঠিত এই শক্তির প্রভাবাধীন এলাকাকে ইসলামী স্টেট বলে ঘোষণা করা হয়েছে। খিলাফাতের খলিফা ঘোষণা করা হয়েছে গোষ্ঠীর নেতা আবু বকর আল-বাগদাদিকে। তিনি খলিফা ইব্রাহিম নামে খিলাফত পরিচালনা করবেন। বর্তমান ইসলামী বিশ্বে পাশ্চাত্য সংস্কৃতি ও শাসনে বিতশ্রদ্ধ এক বিপুল জনগোষ্ঠী রয়েছে। বিশেষ করে ইরাকের মত গতানুগতিক ইসলামী জনপদে এই ধরনের ঘোষণা জনসমর্থন পাওয়ারই কথা। বিবিসির মধ্যপ্রাচ্য সম্পাদক জেরেমি বাউন বলেছেন, এদের এই ঘোষণা বিংশ শতাব্দীতে মুসলমানদের অটোমান সাম্রাজ্যের পতনের পর যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স প্রতিষ্ঠিত সীমানাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে। স্মরণ করা যেতে পারে, প্রথম মহাযুদ্ধে পরাজয়ের পর প্রায় সমগ্র ইসলামী বিশ্ব পাশ্চাত্যের দখলে চলে যায় এবং তারা তাদের কৌশলগত সুবিধামত অটোমান সাম্রাজ্যকে ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করে শাসন করতে থাকে। বর্তমান ইরাক তারই একটি উদাহরণ। খলিফা ইব্রাহিমের পক্ষ থেকে সারা বিশ্বের মুসলমানদের প্রতি প্রেরিত এক অডিও বার্তায় তার প্রতি ‘আনুগত্য প্রদর্শন’ এবং ‘গণতন্ত্রসহ পাশ্চাত্যের সব ময়লা আবর্জনা’ প্রত্যাখ্যান করার আহ্বান জানানো হয়। কাতারের দোহাভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের গবেষক চার্লস লিস্টারের মতে, খিলাফত প্রতিষ্ঠার এই ঘোষণা আন্তর্জাতিক জিহাদের ক্ষেত্রে ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার পর সবচেয়ে বড় ঘটনা। তিনি বলেন, এটা আন্তর্দেশীয় জিহাদবাদের নতুন যুগ শুরুর ইঙ্গিত হতে পারে। ইসলামকে কোন কোন পাশ্চাত্য গবেষক এবং বামপন্থী চিন্তাবিদ উপনিবেশবাদ এবং নিপীড়ন ও শোষণের বিরুদ্ধে একটি অব্যাহত চেতনা বলে মনে করেন। ইরাকের ঘটনা তথা খিলাফতের ঘোষণা অনুরূপ ধারার সম্পূরক হতে পারে। এমনিতেই মুসলমানদের মনোজগতে খিলাফত একটি ‘মিথ’ এবং আকাঙ্ক্ষা। নব্য তুরস্কের প্রতিষ্ঠাতা বলে কথিত কামাল পাশা কর্তৃক খিলাফত বিলোপের আগ পর্যন্ত খিলাফত একটি রাজনৈতিক এবং মনস্তাত্ত্বিক বাস্তবতা ছিল। ১৯২০-২২ পর্যন্ত বৃটিশ ভারতে আলেমদের নেতৃত্বে এবং মহাত্মা গান্ধীর সমর্থনে পরিচালিত খিলাফত আন্দোলনের কথা শিক্ষিত লোকমাত্রই জানে। গত দেড় হাজার বছর ধরে ইন্দোনেশিয়া থেকে মরক্কো পর্যন্ত বিস্তৃত বিশাল জনপদে অসংখ্যবার ঐ ধরনের খিলাফতের আহ্বান শোনা গেছে। বর্তমানে ইরাকে ঘোষিত খিলাফত রাষ্ট্রের বাস্তবতা এবং ভবিষ্যত্ আবেগ নির্ভরই মনে হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং পাশ্চাত্য শক্তির মাধ্যমে খিলাফত রাষ্ট্রের ধ্বংস সাধন করতে পারলেও গোটা মুসলিম বিশ্বে খিলাফতের আকুতি চির প্রবহমানই থাকবে বলে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। চ. ইরাকের বিভক্ত ভবিষ্যত্! ইরাকে কথিত সুন্নি খিলাফততন্ত্রের উত্থান, শিয়া প্রাধান্যের সরকার এবং কুর্দি উত্থানে দেশটির ভৌগোলিক সার্বভৌমত্ব তথা আঞ্চলিক অখণ্ডতা আজ হুমকির সম্মুখীন। উত্তরাংশে সুন্নি প্রাধান্য, দক্ষিণাংশে শিয়া আধিক্য এবং কুর্দিদের স্বাধীন কুর্দিস্তান আন্দোলন দেশটিকে ব্যর্থ রাষ্ট্রের প্রান্তসীমায় পৌঁছে দিয়েছে। আন্তর্জাতিক ভাষ্যকাররা দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছিলেন-ত্রিধাবিভক্ত ইরাকই পাশ্চাত্যের পরিকল্পিত নীলনকশার অংশ। এক সময়ের যোদ্ধা জাতি কুর্দিদের ঐক্য বিনাশের ব্যবস্থা হিসেবে তাদেরকে তুরস্ক, ইরাক ও ইরানের মধ্যে ভাগ করে দেয়া হয়। এখন সংশ্লিষ্ট সকল রাষ্ট্রেই কুর্দিরা সহিংসতার শিকার হচ্ছে। সশস্ত্র সক্ষমতার মাধ্যমে ইরাককে একত্রিত রাখা এখন একটি অসম্ভব বাস্তবতা বলেই মনে হয়। রাজনৈতিকভাবে বিভক্ত ইরাক কখনো কাম্য নয়। অথচ সম্মতির মাধ্যমে একটি সংহত ইরাক গঠনের জন্য বাগদাদে জনসমর্থিত সরকার অনুপস্থিত। সংকট নিরসনে তথা একটি সমন্বিত সরকার গঠনের জন্য আন্তর্জাতিক চাপ থাকলেও দেশটির বিভিন্ন সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক নেতারা মতৈক্যে পৌঁছুতে ব্যর্থ হয়েছে। দৃশ্যত ঐক্যবদ্ধ ইরাকের জন্য যুক্তরাষ্ট্র, জাতিসংঘ এবং ইরানের আহ্বান থাকলেও পর্দার অন্তরালে তাদের ভূমিকা রহস্যজনকই মনে হয়। ছ. মালিকি সরকারের পতন আসন্ন? নতুন প্রধানমন্ত্রী বাছাইয়ের জন্য শিয়া রাজনৈতিক জোট সম্প্রতি বেশ কয়েকবার বৈঠক করেছে। কিন্তু এখনো মালিকির বিকল্প হিসেবে কাউকে বাছাই করা হয়নি। আবার তাকে তৃতীয় মেয়াদে দায়িত্ব দেয়ার ব্যাপারেও মতৈক্য হয়নি। সুন্নি সম্প্রদায়ের রাজনীতিকেরা বলছেন, শিয়া নেতারা প্রধানমন্ত্রী বাছাই করার আগ পর্যন্ত তারা পার্লামেন্টে কাউকে মনোনীত করবেন না। শিয়া আইন প্রণেতারা অবশ্য সুন্নি ও কুর্দি নেতাদের উপরে দায় চাপাতে চাইছেন। শিয়া সম্প্রদায়ের নেতাদের যুক্তি সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী সবার শেষে প্রধানমন্ত্রী মনোনীত করার কথা। সর্বশেষ সংবাদ পাওয়া পর্যন্ত ইরাকি পার্লামেন্টের অধিবেশন আহূত হয়নি। ইরাকের অদৃশ্য মালিক-মোখতারা প্রধানমন্ত্রী মালিকির প্রতি আস্থা হারিয়েছে বলেই মনে হয়। ইতিমধ্যে ৩০০ জন মার্কিন বিশেষ সামরিক উপদেষ্টা ইরাকের সরকারি বাহিনীকে সহায়তার জন্য বাগদাদে পৌঁছেছেন। আন্তর্জাতিক রণকুশলীরা পরিস্থিতি থেকে সহজেই অনুমান করতে পারেন যে, মার্কিন তাঁবেদারি রক্ষার জন্য শীঘ্রই একটি সীমিত যুদ্ধের আয়োজন হতে পারে। সুতরাং বোঝাই যায়, একদিকে সশস্ত্র সংগ্রাম অপরদিকে সংসদীয় অচলাবস্থা এবং মার্কিন রণপ্রস্তুতি দেশটির জন্য ভয়াবহ বিপদের সৃষ্টি করেছে। ইরাকের অতীত, বর্তমান ত্রিশংকু সংকট বিচার বিবেচনা করে মন্তব্য করা যায়, রাজনৈতিক সমাধান না হলে অস্ত্রের ঝনঝনানি আরও তীব্রতর হবে এবং দেশ একটি অন্ধকার সুড়ঙ্গে প্রবেশ করবে। বাংলাদেশের জনগণ স্বভাবতই ভ্রাতৃপ্রতীম ইরাকি জনগণের শান্তি, স্বস্তি, ঐক্যবদ্ধ সমৃদ্ধ ভবিষ্যত্ কামনা করে। লেখক : অধ্যাপক, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ই-মেইল- [email protected]

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন