[ আ ন্ত র্জা তি ক ]

ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘাত নিরসনের রূপরেখা

আপডেট : ১৪ জুলাই ২০১৪, ২২:০৬
তিন কিশোর নিখোঁজ ও নিহত হওয়ার ঘটনাটিকে ইস্যু করে ইসরাইলের মৌলবাদী, উগ্রবাদীরা ফিলিস্তিনের এক কিশোরকে চরম নির্যাতন করে, হত্যা করে, জীবন্ত পুড়িয়ে মারে। এরপর ফিলিস্তিনী ভূখণ্ড দখলের সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করতে গাজা হতে ইসরাইলে হামাস কর্তৃক রকেট নিক্ষিপ্ত হওয়ার অভিযোগ উত্থাপন করে ইসরাইলী সৈন্যরা উপর্যুপরি বিমান হামলা চালিয়ে ফিলিস্তিনের জনগণ ও ভিটামাটি তছনছ করে চলছে। গত ৮ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এক সপ্তাহের বিমান হামলায় এ পর্যন্ত প্রায় ২০০ নিরপরাধ ফিলিস্তিনীর জীবন প্রদীপ নিভিয়ে দেয়া হয়েছে। এখন আবার স্থল হামলা শুরু হয়েছে। এমতাবস্থায় আন্তর্জাতিক সমাজের উপর এ দায়িত্ব বর্তায় যে, শিগগিরই ফিলিস্তিন ও ইসরাইলের শেষ কথা অনুধাবন করে ইসরাইল-ফিলিস্তিন দ্বন্দ্ব নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পাশ্চাত্য সাম্রাজ্যবাদীদের প্রত্যক্ষ সমর্থন ও সহযোগিতায় বিশ্বের এখানে-ওখানে ছড়িয়ে থাকা ইহুদীরা ফিলিস্তিনীদের ভূমি দখল করে ধর্মীয় মৌলবাদী রাষ্ট্র গঠনে সক্ষম হয়। বিশ্বের রাজনৈতিক বাস্তবতায় পরিবর্তনের প্রেক্ষিতে ফিলিস্তিনীরা একপর্যায়ে ইসরাইলী রাষ্ট্রের অস্তিত্ব স্বীকার করে নেয়। কিন্তু সাম্রাজ্যবাদী ইসরাইলের এক-এক করে ফিলিস্তিনীদের আদি বাস, ভিটা-বাড়ি দখল করে আবাসিক সম্প্রসারণ ঘটাতে থাকে। ২০১২ সালে ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়ে ইসরাইলের ভূমি সম্প্রসারণ প্রক্রিয়া পরিচালিত হয়। এভাবে ফিলিস্তিনীদেরকে রামাল্লায় পশ্চিম তীর ও গাজার সরু ভূখণ্ডে সীমাবদ্ধ করে এখন ইসরাইল ফিলিস্তিনীদেরকে অবশিষ্ট ভূখণ্ড থেকে চিরতরে বিতাড়িত করতে চায়। একবিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় এ দশকে ফিলিস্তিন-ইসরাইলের মধ্যকার শান্তি-প্রক্রিয়ার প্রকৃতি ও সম্ভাবনা অনুধাবনের জন্য ফিলিস্তিন ও ইসরাইলের অগ্রাধিকারসমূহ সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে। ফিলিস্তিনের জন্য এখন মূল বিবেচ্য বিষয়গুলো হলো: ইসরাইলের ক্রমবর্ধমান গৃহ নির্মাণ ও আবাস-সম্প্রসারণ প্রক্রিয়ার সংকোচন ও বিয়োজন, ইসরাইল কর্তৃক আটককৃত ফিলিস্তিনীদের মুক্তি, ফিলিস্তিনী জনগণের একতা ও সংহতির প্রতি ইসরাইলের সম্মান প্রদর্শন, জাতিসংঘের নিষ্কন্টক সদস্যপদ লাভ ও স্বাধীন সার্বভৌম ফিলিস্তিনের প্রতি ইসরাইলের ইতিবাচক মনোভাব, আন্তর্জাতিক চুক্তিসমূহে ফিলিস্তিনের অংশগ্রহণের প্রতি ইসরাইলের সমর্থন এবং সর্বোপরি পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্মানের ভিত্তিতে শান্তিপূর্ণ প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে ফিলিস্তিন ও ইসরাইলের নবতর যাত্রায় ইসরাইলের ইতিবাচক সাড়া। একটু সূক্ষ্মভাবে দেখলে বুঝতে কোন অসুবিধা হবে না যে, ফিলিস্তিনীরা অনেক ছাড় দিয়ে কেবল বেঁচে থাকার তাগিদে “দু’ রাষ্ট্র প্রস্তাবনা” (two state hypothesis) মেনে নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে। অপরদিকে ইসরাইলের বর্তমান অগ্রাধিকারসমূহ বেশ ভয়ংকর এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য ভয়াবহ। ইসরাইলের সবচেয়ে বড় বিবেচ্য বিষয় হলো ফিলিস্তিনী সমাজ ব্যবস্থায় বিভাজন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা। একটি ভঙ্গুর সমাজ ব্যবস্থা কোনরকম টিকিয়ে রেখে সেই সমাজের উপর আধিপত্য ও দাসত্ব কায়েমের হীন স্বার্থান্ধ নীতি জীবিত রাখার কৌশলের মধ্যেই ইসরাইলের এ অগ্রাধিকার দিন দিন শক্তিশালী হয়ে উঠছে। সে কারণে সম্প্রতি ফাতাহ ও হামাসের মধ্যে সদ্য সম্পাদিত ‘একতার সরকার’ (government of unity) চুক্তির প্রতি ইসরাইল নগ্ন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। ফিলিস্তিনী জনগণের ঐক্যচুক্তি সম্পাদনের পর ইসরাইল এতই অস্থির হয়ে উঠেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক মধ্যস্থতাকৃত শান্তি আলোচনা সম্প্রতি ইসরাইল প্রত্যাখ্যান করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি গত ২৯ এপ্রিল তারিখকে ফিলিস্তিন-ইসরাইলের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরের দিন হিসেবে ধার্য করলেও শেষ পর্যন্ত ইসরাইলের প্রত্যাখ্যানের কারণে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক গৃহীত শান্তি উদ্যোগ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অনেক বিশ্লেষক এমন দাবি করেছেন যে, ইসরাইলের সাম্প্রতিক বিমান হামলার মূল কারণ হলো ফিলিস্তিনের ঐক্য সরকার গঠন এবং সে কারণে ফিলিস্তিনকে ধ্বংস করতে ইসরাইল নানা কাহিনী রচনা করছে। ইসরাইলের দ্বিতীয় অগ্রাধিকার হলো ফিলিস্তিন-ভূখণ্ডে বিরতিহীনভাবে ইসরাইলীদের জন্য বসত-বাড়ি নির্মাণ করা। পশ্চিম তীর ও গাজার ক্ষুদ্র ভূখণ্ডে ফিলিস্তিনীদেরকে কোণঠাসা করেও যেন ইসরাইলের গৃহ-নির্মাণ পরিকল্পনা শেষ হচ্ছে না। গৃহনির্মাণের জন্য ইসরাইলের রয়েছে বিশেষ মন্ত্রণালয়, যেটি বিরামহীন গৃহনির্মাণ প্রক্রিয়া হাতে নিয়েছে। এ মন্ত্রণালয়ের কার্যাবলি বিশ্লেষণ করলে মনে হতে পারে, দু’রাষ্ট্র সমাধান অত্যন্ত কৌশলে পাস কাটিয়ে ইসরাইল ফিলিস্তিনীদেরকে সমূলে উচ্ছেদ করে ফিলিস্তিনীদের জাতিগতভাবে নিধন (ethnic cleansing) করতে চায়। অথবা ইসরাইলের প্রতিষ্ঠিত ঘর-বাড়ি ফিলিস্তিনের সর্বত্র সম্প্রসারিত করে ফিলিস্তিনীদের একটি ইসরাইলী রাষ্ট্রে নিছক সংখ্যালঘু হিসেবে নির্যাতিত নিষ্পেষিত অবস্থায় বাঁচিয়ে রাখতে চায়। অর্থাত্ ‘একরাষ্ট্র সমাধান’ (one state solution) হয়ত ইসরাইলের স্বীকৃত বিকল্প। গত ৮ জুলাই হতে বার বার বিমান হামলা চালিয়ে ইসরাইল সৈন্যরা টার্গেট এলাকার ফিলিস্তিনীদেরকে বাড়ি-ঘর ছেড়ে অন্যত্র চলে যাওয়ার কথা বলছে। এবং এতে প্রমাণিত হয় ইসরাইল ফিলিস্তিনের ভূমি থেকে ফিলিস্তিনীদেরকে উচ্ছেদ করতে চায়। ইসরাইলের তৃতীয় অগ্রাধিকার হলো, ইসরাইল রাষ্ট্রটির রাজনৈতিক মতাদর্শ হিসেবে ইহুদীবাদকে স্বীকার করতে ফিলিস্তিনকে বাধ্য করা। এতদিন ইসরাইলকে একটি ইহুদী ধর্মীয় রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকার করার জন্য ইসরাইল ফিলিস্তিনের উপর অব্যাহত চাপ বজায় রেখেছে। তবে গত সপ্তাহে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইনডিপেনডেন্স হলে বক্তৃতাকালে ইসরাইলকে ইহুদী রাষ্ট্র হিসেবে বিবেচিত করার ঘোষণা দেন। দেশটির নীতি-বিচারকরাও নিসেটে নেতানিয়াহুর এ ঘোষণা প্রস্তাব আকারে গ্রহণ করে সেই প্রস্তাব পাস করে ইসরাইল রাষ্ট্রটির সাংবিধানিক ভিত্তি তৈরির প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। স্মরণ করা যেতে পারে যে, ইসরাইলের কোন সংবিধান নেই। একটি মৌলবাদী রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারলে ইহুদী ধর্মীয় মৌলবাদের ভিত্তিতে ইসরাইল তার রাষ্ট্রনীতি প্রণয়ন করতে পারবে। ইসরাইলের আরেকটি নীতি হলো, ফিলিস্তিনীদেরকে সকল অবস্থায় নির্যাতিত অবস্থায় রাখা। ১৯৪৮ সালে ইনডিপেনডেন্স হলের সমাবেশ থেকে ইসরাইলকে সৃষ্টি করা হয় এবং ২০১৪ সালের মে মাসে সেই একই হলে ইহুদীবাদের ওপর ভিত্তি করে ঐ রাষ্ট্রটির সাংবিধানিক গ্যারান্টির বৈধতা অর্জনের প্রচেষ্টা চালানো হয়। এ সকল তত্পরতায় জোর করে ফিলিস্তিনের স্বীকৃতি আদায় করা ইসরাইলের মৌলিক অগ্রাধিকারের অন্যতম। ২০১২ সাল এবং বর্তমান সময়ের বিমান হামলা ইসরাইলের সেই বর্বর নির্যাতনের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। যুক্তরাষ্ট্র প্রবর্তিত শান্তি উদ্যোগ ইসরাইল ইচ্ছাকৃতভাবে পাস কাটাতে চাচ্ছে। গত ২৮ এপ্রিল মার্কিন টিভি প্রোগ্রাম ‘ফেস দ্য নেশন’ এ নেতানিয়াহু হামাস-ফাতাহর মধ্যে সম্পাদিত ঐক্যচুক্তির প্রতি বিষোদ্গার করে বলেন, প্রেসিডেন্ট আব্বাসকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তিনি হামাসের সাথে চুক্তি চান নাকি ইসরাইলের সাথে শান্তি চান। তাঁর জবাবে মাহমুদ আব্বাস দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানান, ইসরাইল স্বীকৃত পিএলওর অধীনেই হামাসের সাথে ঐক্যচুক্তি করা হয়েছে। এ চুক্তির ফলে ইসরাইল-ফিলিস্তিন শান্তি আলোচনা বন্ধ হওয়াকে তিনি অযৌক্তিক মনে করেন। এমনকি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরির এক বক্তব্যে উদ্ধৃত হয় যে, তিনি শান্তি আলোচনা প্রত্যাখ্যানের কারণে ইসরাইলকে জাতিবিদ্বেষী (apartheid) রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বনিন্দা-ধিক্কারের সম্মুখীন হতে হবে বলে সতর্ক করেছেন। মূলত হামাস-ফাতাহর ঐক্যচুক্তি ফিলিস্তিনের জনগণের দুই অংশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এতে ইসরাইলের নাক গলানো অন্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নগ্ন হস্তক্ষেপ যা আন্তর্জাতিক আইনের সম্পূর্ণ পরিপন্থি। উপরন্তু ঐক্যবদ্ধ ফিলিস্তিনই ইসরাইল-ফিলিস্তিনের শান্তি চুক্তির স্থায়িত্বের জন্য অনিবার্য। ইসরাইলকে মনে রাখা দরকার উপর্যুপরি জুলুম-নির্যাতন ফিলিস্তিনীদেরকে ঐক্যের সূত্রে গ্রথিত করেছে। যা এ মুহূর্তে ভাঙ্গার নয়। সম্ভবত এ জাতীয় ঐক্যের কারণে মাহমুদ আব্বাসের কণ্ঠও পূর্বের তুলনায় বেশি দৃঢ় হয়েছে। তিনি জোর দাবি জানিয়েছেন, ৩০ জন বন্দী ফিলিস্তিনীর নিঃশর্ত আশু মুক্তির। অধিকন্তু তিনি ফিলিস্তিন ও ইসরাইলের সীমানার স্পষ্ট অংকন চান। টেবিলে তিনি ফিলিস্তিনের মানচিত্র উপস্থাপন করবেন বলে উদাত্তকণ্ঠে ঘোষণা করেছেন। এইসাথে সকল ইহুদী বসতি স্থাপন বন্ধের জোর দাবি করেছেন। এসব শর্ত অনতিবিলম্বে মেনে নিয়ে ইসরাইলকে শান্তি আলোচনা পুনঃ শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যে ফিলিস্তিনীরা ১৫টি আন্তর্জাতিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ফিলিস্তিনের সাহসী অস্তিত্ব ও সুদৃঢ় যাত্রার সূচনা করেছে। সম্প্রতি গাজায় বিমান হামলা করে ফিলিস্তিনীদেরকে অন্যত্র সরে যেতে বললে মাহমুদ আব্বাস ঘোষণা দিয়েছেন ফিলিস্তিনীরা একচিলতে ভূমিও ছেড়ে যাবে না। গত এক সপ্তাহের বিমান হামলায় শত শত ফিলিস্তিনী প্রাণ হারালেও তাঁরা ভূমিতে থেকেই ইসরাইলের বর্বরতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করছেন। এমতাবস্থায় ফিলিস্তিন ও ইসরাইল উভয়ের সুখ-শান্তির জন্য তাদের পরস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাস নিয়েই শান্তি আলোচনার টেবিলে বসতে হবে। একপর্যায়ে ইসরাইলের প্রতি ফিলিস্তিনের স্বীকৃতি অর্জিত হবে। এমন অবস্থায় ইসরাইল এখন উপনীত হতে সক্ষম হয়েছে। অন্যদিকে ফিলিস্তিনীরাও চাচ্ছে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে। ফিলিস্তিনীরা দ্বিরাষ্ট্র সমাধান অনেকটা মেনে নিতে তৈরি হয়ে আছে। কিন্তু ইসরাইল যদি একরাষ্ট্র সমাধানের অশুভ স্বপ্নে বিভোর হয় তাহলে ফিলিস্তিন সমস্যার সমাধান হয়ত আগামী দুই যুগেও সম্ভব হবে না। এত বছর পর হামাস-ফাতাহর ঐক্য যখন গঠিত হয়েছে, ফিলিস্তিনীদেরকে আর দুর্বল ভাবা ইসরাইলের জন্য হবে চরম বোকামি। কেবল ঐক্যবদ্ধ ফিলিস্তিনই ইসরাইলের স্থিতিশীলতার জন্য সুবিধাজনক। এ সত্যটি ইসরাইল বিস্মৃত হলে তারা একসময় বেশ বেকায়দায় পড়বে। ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের অদ্যকার শান্তি আলোচনার পুনঃপ্রতিষ্ঠা তখনি সম্ভব যখন উভয়েই তাদের চাওয়া-পাওয়ার অগ্রাধিকারগুলোর যৌক্তিক অর্জন নিয়েই সন্তুষ্ট থাকবে। অসন্তুষ্ট ইসরাইল কিংবা শত্রুভাবাপন্ন ফিলিস্তিন কখনো আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতায় অবদান রাখতে সক্ষম হবে না। হামাসকে অনর্থক রকেট হামলা করে ইসরাইলকে ক্ষিপ্ত করে তোলার পথ থেকে বিরত থাকতে হবে। আবার রকেটের পরিবর্তে বিমান হামলা চালিয়ে নৃশংসভাবে শত শত নিরীহ মানুষকে হত্যা করার নীতি থেকেও ইসরাইলকে বিরত থাকতে হবে। আন্তর্জাতিক সমাজের মোড়ল রাষ্ট্রগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকায় কেবল ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে শান্তি ও সমঝোতার পথ খুলে দিতে পারে।  লেখক :অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন