প্রশ্নপত্র ফাঁস : প্রতিকারের উপায় কী?

আপডেট : ১৬ জুলাই ২০১৪, ২১:১৬
কিছু স্বার্থান্বেষী মহল প্রশ্নপত্র ফাঁস করে শিক্ষাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে প্রশ্নপত্র ফাঁস বর্তমানে শিক্ষার্থীদের কাছে এক আতংক হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিছু স্বার্থান্বেষী মহল ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য প্রশ্নপত্র ফাঁস করে জাতিকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে, এভাবে চলতে থাকলে জাতি হয়ে পড়বে মেধাশূন্য। তখন শিক্ষা জাতির জন্য আশীর্বাদ না হয়ে অভিশাপের কারণ হয়ে দাঁড়াবে, তাই দেশ ও জাতিকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষায় জনগণকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে হবে এবং আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে প্রশ্নপত্র ফাঁসকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণে বাধ্য করতে হবে। অন্যদিকে শিক্ষাবোর্ডগুলোর উচিত নিজস্ব তত্ত্বাবধানে প্রশ্নপত্র ছাপা ও সংরক্ষণ করা। পরিশেষে আশা করি— প্রশ্নপত্র ফাঁস হবে শেষ/ সুশিক্ষায় জ্বলে উঠবে বাংলাদেশ। মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান (বাবলু) বি.এ অনার্স, ইসলামিক স্টাডিজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ০০০০০০০০০০০ শিক্ষামন্ত্রীকে আরো বেশি কঠোর হতে হবে প্রতি বছর যদি পাবলিক পরীক্ষায় এভাবে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়। তা হলে বাঙালি জাতি কিভাবে বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে, বলুন। বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর জন্য তো দরকার সঠিক প্রশিক্ষণ বা শিক্ষা। তরুণ শিক্ষার্থীদেরকে সঠিক শিক্ষা না দিয়ে বরং পরীক্ষার পূর্ব রাত্রে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সু-ব্যবস্থা করে দেয়া হয়। তাহলে এটা কেমন কাজ, বলুন। আমরা দেখি কোনো না কোনো মাধ্যমে যেমন ইন্টারনেট, ফেসবুক, মুঠোফোন, ফটোকপি মেশিন কিংবা কিছু পোকা খাওয়া প্রশ্নপত্র অসত্ ব্যক্তির মাধ্যমে পাওয়া যায়। তাহলে শিক্ষার্থীদের কি দোষ তারা তো এগুলো গ্রহণ করবেই করবে। এভাবে চলতে থাকলে বাঙালি জাতি একদিন না একদিন মেধাশূন্য হয়ে যাবে। এ ব্যাপারে ১ম পদক্ষেপ শিক্ষামন্ত্রীকে অনেক বেশি কঠোর হতে হবে। খাজা মাহদী ফটোসাংবাদিক (DUPS), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ০০০০০০০০০০০০ প্রশ্নপত্র ফাঁস প্রতিকারে আইনের ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে এই প্রশ্নপত্র ফাঁস বিষয়টি আমাদের জাতীয় মেধাকে গলাটিপে হত্যা করছে, জাতি নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে কিছু স্বার্থান্বেষী অযোগ্য ব্যক্তিবর্গের উপর। আর এই এহেন অবস্থা চলতে থাকলে জাতি পরিণত হবে চোখ থাকা সত্ত্বেও অন্ধত্বে, যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া আমাদের জন্য অবশ্যম্ভাবী হয়ে পড়েছে। এজন্য প্রশ্নপত্র ফাঁস পরিত্রাণের লক্ষ্যে প্রতিকার আইন তৈরি করে বসে থাকলে চলবে না, আইনের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে জাতির সামনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। মাসুরা নাহিদ (মিষ্টি) আনন্দমোহন কলেজ, ময়মনসিংহ ০০০০০০০০০০০০০০ প্রশ্নপত্র ফাঁসকারীদের আইনের আওতায় আনতে হবে কতিপয় দুর্নীতিবাজ শিক্ষক নামের এক শ্রেণির নরপশু আছে যারা মোটা অর্থের বিনিময়ে জাতির বিবেক প্রশ্নগুলো পরীক্ষার আগে ফাঁস করে দেয়। তা ছাড়া আরও একটি কারণে প্রশ্নপত্র ফাঁস হতে পারে বলে আমরা মনে করি। কিছু কিছু অসাধু মুনাফালোভী কোচিং সেন্টার, তারা ব্যাঙের ছাতার মত গজিয়ে উঠে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগুলোকে ভাড়া করে তাদের দিয়ে প্রশ্নপত্র ফাঁস করেন। এবং জাতীয় পত্রিকায় বড় বড় বিজ্ঞাপন দিয়ে বলে থাকেন আমাদের এখানে গত বছর ঢাবিতে চবিতে জবিতে ১০০ জনের ৮০ জনই মেধাতালিকায় প্রথম, এই ধরনের কাজের সহিত যারা জড়িত তাদের প্রতি সরকারের গোয়েন্দা নজরদারি বাড়াতে হবে। প্রয়োজনে প্রশ্নপত্র ফাঁসকারিদের ফাঁসি দিতে হবে। মো. ইলিয়াছ আলম সুমন শিক্ষার্থী বি.এ, সাউথ সন্দ্বীপ কলেজ, সন্দ্বীপ ০০০০০০০০০০০০ অন্য কিছু নয়, প্রয়োজন মানবিক শুদ্ধতা ও নৈতিকতার চর্চা আমাদেরকে ভাবতে হবে, যে বা যারা এ প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত, তারা নিশ্চয় টাকা-পয়সার লোভে এসব করছেন। কেনইবা তারা এমন অর্থলোভী হয়ে উঠলেন, সেটাও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন। দেশে যখন সুশাসন ও কর্মসংস্থানের অভাব, চারপাশে যখন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও চাহিদার প্রবল চাপ, তখন শুধু প্রশ্নপত্র ফাঁস কেন, আরও অনেক স্পর্শকাতর বিষয়েও নৈতিকতার দেয়াল ভেঙে পড়তে পারে। কাজেই শুধু সমস্যার বাহ্যিক দিকটি নয়, বরং এর পেছনে কার্যকর প্রতিটি শিরা-উপশিরাও আমাদের নজরে আনা প্রয়োজন এবং সেসব বন্ধে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন। নইলে সরকার একটি সমাধান বের করবে এবং কুচক্রী মহল পরদিনই সেটা প্রতিহত করতে দ্বিগুণ উপায় বের করে ফেলবে। মো. ফরহাদ হোসেন ১ম বর্ষ, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন