প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে
কঠোর অবস্থান
নিতে হবে
প্রশ্নপত্র ফাঁস করে পাসের হার বৃদ্ধি বা এ+ বৃদ্ধি করে কি একটি দেশের উন্নয়ন সম্ভব? না! কখনোই সম্ভব নয়। বরং ফাঁস করে সুন্দর দেশকে একটা ভয়ংকর ধ্বংসের পথে ধাবিত করছে আর তরুণ মেধাবী শিক্ষার্থীদের কপালে কুড়াল মারছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে করণীয় হচ্ছে: ১.সংসদে অপরাধীকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার আইন প্রণয়ন করতে হবে। ২. পরীক্ষার দিনে প্রশ্ন করার পদ্ধতি অবলম্বন করলে ভাল হবে। ৩.শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সরকার, যুবসমাজকে সচেতন হতে হবে। ৪. অপরাধীর বিরুদ্ধে সবাইকে লড়তে হবে ইত্যাদি। তাহলেই হয়ত সুজলা-সুফলা, শস্য-শ্যামলা, লাল-সবুজের বাংলাদেশ একটি সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে বাঙালি জাতি হয়ে মাথা উঁচু করে পৃথিবীর মানচিত্রে দাঁড়াতে পারবে ইনশাল্লাহ।
মো.আনিসুর রহমান
মাল্টিমিডিয়া টেকনোলজি অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ আর্টস
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
এভাবে চলতে
থাকলে দেশ মেধাশূন্য
হয়ে যাবে
সময়ের সাথে পাল্লাদিয়ে বাড়ছে প্রশ্নপত্র ফাঁসের পরিমাণ। তথ্য-প্রযুক্তির এই যুগে ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। শহর কিংবা গ্রামের শিক্ষার্থীদের কাছে। ইন্টারনেট, ফেসবুক, মুঠোফোন, ফটোকপি মেশিন এবং কিছু অসত্ ব্যক্তি—এর প্রধান উত্স। সারাবছর পড়াশোনা করার মানসিকতা হারিয়ে ফেলছে শিক্ষার্থীরা। সরকারকে আরো বেশি গবেষণা করতে হবে। শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানকে কঠোর হতে হবে। পরীক্ষার মাঝে বিরতি না রাখা এর সমাধান হতে পারে না। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা করে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। এভাবে চলতে থাকলে দেশ মেধাশূন্য হয়ে পড়বে।
মো. কামাল উদ্দিন রুমী
সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগ
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
প্রশ্নপত্র ফাঁস অব্যাহত
থাকলে শিক্ষাই যে জাতির
মেরুদন্ড তা আর থাকবে না
প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার কারণে এদেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের উপযুক্ত মেধার বিকাশ ঘটতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তাই আমাদেরকে এই প্রশ্নপত্র ফাঁস নামক ব্যাধি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আর সেক্ষেত্রে আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে যারা সরাসরি জড়িত তাদেরকে এ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হবে এবং আইনী প্রয়োগটি আরো কঠোর করতে হবে। তা না হলে শিক্ষা যে জাতির মেরুদণ্ড তা আর থাকবে না।
মো. আতিকুর রহমান
মাল্টিমিডিয়া টেকনোলজি অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ আর্টস
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
এ ব্যাপারে অভিভাবকেরাও ভূমিকা রাখতে
হবে
ছোটবেলায় দেখতাম কোন শিক্ষার্থী যদি পরীক্ষার হলে নকল করে শিক্ষকের হাতে ধরা পরে তাহলে সে বেদম প্রহারের শিকার হয়। এ কথা যদি অভিভাবকেরা জানতে পারতো তাহলে আরো বড় শাস্তির সম্মুখীন হতো। কিন্তু এখন অভিভাবকেরাও সহায়তা করে তাদের সন্তানের প্রশ্ন ফাঁসে! এর চেয়ে নৈতিক অবক্ষয় আর কী হতে পারে? তাই এ বিষয়ে অভিভাবকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। সাথে সাথে এই ঘৃণ্য অপরাধে জড়িতদের কঠিন শাস্তির সম্মুখীন করতে হবে। একটা প্রজন্মকে, একটি জাতিকে ধ্বংসের শাস্তি এতোটুকু তো দাবি করতেই পারি।
আবীর সমুদ্র
বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং (৪র্থ বর্ষ)
শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, বরিশাল।
প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে
প্রশাসনকেই বেশি
সচেতন হতে হবে।
“পড়া শুনার দরকার নাই
পরীক্ষার পূর্বেই প্রশ্ন পাই।
হাসবো, খেলবো, আড্ডা দেবো
পরীক্ষার পরে গোল্ডেন A+ পাব।”
কবিতার সুরে এ কথাগুলো বলছিলো জনৈক এসএসসি পরীক্ষার্থী। আমি সবিস্ময়ে তাকে জিজ্ঞেস করলাম তুমি কি করে বুঝলে পড়াশুনা ছাড়াই গোল্ডেন A+ পাবে। আমাকে কিংকর্তব্যবিমূঢ় করে দিয়ে সে বলল JSC তে এভাবেই গোল্ডেন A+ পেয়েছিলাম। এবারও প্রশ্ন ফাঁস হবে বৈকি!। আমি বিমূঢ়ের মত তাকিয়েই রইলাম। শুধু বললাম Know thy Self (“নিজেকে জান”) Education Means Change the behavior of human nature’= ’শিক্ষা হচ্ছে তা যা মানুষের আচরণের প্রকৃতিকে পাল্টিয়ে দেয়’ Education is called the backbone of a nation= শিক্ষাকে জাতির মেরুদণ্ড বলা হয়। শিক্ষার এ মেরুদণ্ডকে ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করে দিচ্ছে এক ধরনের কুচক্রি মহল প্রশ্ন ফাঁসের মাধ্যমে। প্রশাসন ও শিক্ষামন্ত্রীর কঠোর হস্তক্ষেপের মাধ্যমেই জাতি এ ব্যাধি নির্মূল হতে পারে।
মাহাবুব আলম
শ্রেণী- দ্বাদশ, বিজ্ঞান-বিভাগ
সরকারি নাজিমউদ্দিনকলেজ,
মাদারীপুর।
