ইউক্রেনে সংঘাতে রাশিয়ার সম্পৃক্ততা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র একটি ‘অপপ্রচার’ চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে মস্কো। এদিকে সীমান্ত এলাকায় ইউক্রেন ও রাশিয়া পরস্পরের বিরুদ্ধে গোলাগুলির জন্য একে অপরকে দায়ী করেছে। এক বিবৃতিতে গত শুক্রবার রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘ইউক্রেনের ঘটনাবলির জন্য সত্যিকারের কারণগুলো’ আড়াল করে যুক্তরাষ্ট্র কিয়েভে তার মিত্রদের রক্ষায় ‘রাশিয়াবিরোধী কথাবর্তার’ প্ররোচনা দিচ্ছে। বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের পক্ষ থেকে করা ‘অমূলক গণকটাক্ষপাতকে’ প্রত্যাখ্যান করে।
অপরদিকে পেন্টাগন বলেছে, সীমান্ত বরাবর ইউক্রেনের অভ্যন্তরে রাশিয়ার ভারি ক্যালিবারের কামানের অবস্থান পরিবর্তনকে তারা ‘আসন্ন’ বলে বিশ্বাস করে। সংস্থাটি আরো জানিয়েছে, রাশিয়া বিদ্রোহীদের আরো কিছু রকেট লাঞ্চার দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে তাদের কাছে প্রমাণ আছে।
ইউক্রেনে বিধ্বস্ত মালয়েশীয় বিমানের নিহত যাত্রীদের আরো কিছু মৃতদেহ নেদারল্যান্ডসে পৌঁছানোর পর রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে এসব কথা বলা হলো। ফ্লাইট এমএইচ১৭ ভূপাতিত করার জন্য ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের রুশপন্থি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দায়ী করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র বলছে, তারা বিশ্বাস করে, রাশিয়ার দেয়া ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য এসএ-১১ বাক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সম্ভবত ভুলবশত বিদ্রোহীরা যাত্রীবাহী বিমানটি ভূপাতিত করেছে। তবে রাশিয়া বিদ্রোহীদের ভারি অস্ত্রশস্ত্র দেয়ার কথাটি অব্যাহতভাবে প্রত্যাখ্যান করে আসছে। বিমানটি ভূপাতিত করার সময় নিজেদের নিয়ন্ত্রণে কোনো বাক ক্ষেপণাস্ত্র থাকার বিষয়টি নিয়ে ইউক্রেনের বিদ্রোহীরা পরস্পরবিরোধী দাবি করেছে।
এদিকে সীমান্ত এলাকায় ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী এবং রাশিয়া পরস্পরের বিরুদ্ধে গোলাগুলির অভিযোগ করেছে।
