প্রতিবাদ, ক্ষোভ, ঘৃণা এমনকি বিশ্বজনমতকে অগ্রাহ্য করে গত ৮ই জুলাই থেকে ইজরাইল গাজা ভূখণ্ডে ক্রমাগত বিমান হামলা চালিয়েই যাচ্ছে। ‘অপারেশন প্রোটেকটিভ এজ’ নামে এই অভিযান চলছে। ইতিমধ্যে স্থলপথেও ইসরাইলি সেনা গাজায় ঢুকে ধ্বংসলীলা অব্যাহত রেখেছে। ইষরাইলি ডিফেন্স ফোর্স (আইডিএফ) হামাসের সুড়ঙ্গ ঘাঁটিগুলো নির্মূল করার নামে গাজায় প্রাণঘাতী হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এই আক্রমণ অভিযানে ইজরাইলের বিমানবাহিনী, স্থলবাহিনী, নৌবাহিনীর এখনও পর্যন্ত টানা পঁচিশ দিনের হামলায় গাজাতে নিহতের সংখ্যা ১৮০০ জন ছাড়িয়ে গেছে। এর মধ্যে রয়েছে ৫ শতাধিক শিশু। আহত হয়েছেন প্রায় ৮০০০ জন।
অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে গত তিন সপ্তাহের সামরিক অভিযানে উদ্বাস্তু হয়েছেন প্রায় দেড় লাখেরও বেশি মানুষ। অনেকে জাতিসংঘের আশ্রয় শিবিরে ঠাঁই নিয়েছেন। অনেকে রাফতা সীমান্ত দিয়ে মিশরে চলে আসার চেষ্টা করছেন। গাজার ওপর একের পর এক ইসরাইলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ধ্বংস হয়েছে কয়েকটি মসজিদ। রক্ষা পায়নি হাসপাতাল, জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত স্কুল, সাধারণ মানুষের আবাসস্থল, স্কুল এমনকি প্রতিবন্ধী কেন্দ্র। পানীয় জল, বিদ্যুত্ ব্যবস্থা, খাদ্য সরবরাহ বিপর্যস্ত হয়ে যাওয়ায় অসহনীয় পরিস্থিতিতে দিন কাটাচ্ছে সাধারণ মানুষ।
এই বর্বর হামলার বিরুদ্ধে সঙ্গত কারণেই বিশ্বজুড়ে প্রতিবাদের ঢেউ উঠেছে। এমনকি আমেরিকা, ফ্রান্সসহ ইউরোপ, এশিয়া ও ল্যাটিন আমেরিকার বহু দেশে ইসরাইল ও তাদের মদতদাতা ইঙ্গ-মার্কিনীদের বিরুদ্ধে মানুষের প্রতিবাদ ধ্বনিত হচ্ছে। কিন্তু বিশ্বজোড়া এই সব প্রতিবাদকে উড়িয়ে দিয়ে ইসরাইল হামলা অব্যাহত রাখার কথা সদম্ভে ঘোষণা করেছে। হামাসও জানিয়েছে একটি স্থায়ী চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত তারাও প্রত্যাঘাত চালিয়ে যাবে। ইতিমধ্যে হামাস ইসরাইলি রাজধানী তেল আবিবসহ বেশ কয়েকটি শহরে রকেট হামলা চালিয়েছে। জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন যুদ্ধ বিরতির জন্য ইসরায়েলের কাছে আবেদন জানিয়েছেন।
শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতিসংঘ মহাসচিব দেরিতে হলেও উদ্যোগী হয়েছেন। মিশরসহ কয়েকটি দেশও শান্তিপ্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় অংশ নিয়েছেন। কিন্তু এইসব উদ্যোগ কতখানি সফল হবে তা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে। কেননা ইসরাইলের মদতদাতা আমেরিকা যথারীতি ইসরাইলের পাশে দাঁড়িয়েছে। ‘উদ্বিগ্ন’ আমেরিকা তার পররাষ্ট্র সচিব জন কেরির মাধ্যমে বার্তা দিয়েছে ইসরায়েলের এই নৃশংস হামলা ‘যথাযথ এবং যুক্তিসঙ্গত কেন না তা আত্মরক্ষার জন্য। আমেরিকার পাশে দাঁড়িয়েছে ইংল্যান্ড এবং জার্মানি। এদের লক্ষ্য হলো ইসরাইলকে ক্ষমতার ভরকেন্দ্রে রেখে একটি নতুন মধ্যপ্রাচ্য গড়ে তোলা। এই পরিস্থিতিতে আমাদের একটু পেছন ফিরে দেখতে হবে। বুঝতে হবে জায়নবাদী-ইসরায়েলি আধিপত্যবাদ সম্পর্কে।
জায়ন (Zion) শব্দটির অর্থ হলো পবিত্র জেরুজালেম। ইহুদি ধর্মকে জায়নবাদের ব্যাখ্যায় ভূষিত করে ১৮৯৭ সাল থেকে জায়নবাদী আন্দোলনের সূচনা হয় ইউরোপে। এর লক্ষ্য ছিল জেরুজালেমসহ সমগ্র ফিলিস্তিনকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। মূলত ব্রিটিশ সরকার জায়নবাদীদের মদত জোগাতে থাকে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই এলাকা ব্রিটিশ ও ফরাসীদের দখলে এলে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লর্ড আর্থার বালফোর ঘোষণা করেন (Balfour Declaration) যে ফিলিস্তিনি বুকে একটি ইহুদি বাসভূমি গড়ে তোলা হবে। ১৯২০ সাল নাগাদ ফিলিস্তিনে মূলত আরব প্রজাদের জমি থেকে উত্খাত করে সেই জমিতে ইহুদি বসতি বাড়তে থাকে। ১৯২১ ও ১৯২৮ সালে এ বিষয়ে দু’টি ধর্মীয় গোষ্ঠী নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সেই সময় ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে ইহুদি ছিল ষাট হাজার। এর মধ্যে ৩৬০০ ছিল অভিবাসী। আরব ছিল ছয় লক্ষাধিক। ব্রিটিশ মদতে ইহুদি বসতি বাড়তে থাকে এবং ১৯৩৬ সালে বেড়ে হয় প্রায় চার লক্ষ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৬ সাল থেকে ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে ইঙ্গ-মার্কিনীরা পৃথক ইহুদি রাষ্ট্র গঠনের উদ্যোগ নেয়। সেই সময় ইহুদি জনসংখ্যা বেড়ে হয় ৬ লক্ষ ৮ হাজার এবং আরব জনসংখ্যা ১২ লক্ষ ৬৯ হাজার।
১৯৪৭ সালের নভেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের আলোচনার ভিত্তিতে ১৯৪৮ সালের ১৪ই মে ঐ ভূখণ্ডে ইহুদি রাষ্ট্র গঠিত হয়। মার্কিনীরা এই রাষ্ট্রকে সামরিক সাহায্য দিয়ে শক্তিশালী করে তোলে এবং ১৯৪৮ এবং ১৯৬৭ পর্যন্ত এই ২০ বছর ধরে নবগঠিত ইসরাইল ফিলিস্তিন ও আরব ভূখণ্ডে অভিযান চালিয়ে বিস্তীর্ণ এলাকা দখল করে। কয়েক লক্ষ ফিলিস্তিনিকে উদ্বাস্তুতে পরিণত করে। ১৯৪৮-এর আরব ইসরাইল যুদ্ধে এবং ১৯৫১ সালে সুয়েজ খালকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে ইসরাইল আক্রমণ চালিয়ে গাজা ও পশ্চিম ব্যাঙ্কের অনেক এলাকা দখল নেয়। গাজাতে আরব লীগ যে ফিলিস্তিন সরকার গঠন করেছিল তা বাতিল করে।
১৯৬৭ সালের যুদ্ধে ইসরাইল সমগ্র জর্ডান নদীর তীরে পশ্চিম ব্যাঙ্ক (West Bank) জর্ডানদের কাছ থেকে এবং আরবদের কাছ থেকে গাজা ভূখণ্ড ছিনিয়ে নেয়। ইতিমধ্যে ১৯৬৪ সালে ইয়াসির আরাফাত নেতৃত্বে ফিলিস্তিন লিবারেশন অর্গানাইজেশন তৈরি হয়েছে। পিএলও তার দপ্তর ফিলিস্তিন থেকে জর্ডান, জর্ডান থেকে তিউনেশিয়ায় স্থানান্তরিত করে। ১৯৯৩ সালে অসলো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং ওয়েস্ট ব্যাঙ্ক এবং গাজা ভূখণ্ড নিয়ে পিএনএ (Palestine National Authority) গঠিত হয়। আরাফাত ইহুদি রাষ্ট্র ইসরাইলকে স্বীকৃতি দিলেও পৃথক কোনো প্যালেস্টাইন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিতে ইসরাইল এবং তার মদতদাতা ইঙ্গ-মার্কিনীরা অস্বীকার করে। পৃথক রাষ্ট্রের বিষয়ে ২০০০ সালের Camp David বৈঠক এবং ২০০১ সালের তাবা বৈঠক ব্যর্থ হয়। এ সময় অর্থাত্ ২০০০ সাল থেকে ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে ফিলিস্তিনিদের নেতৃত্বে দ্বিতীয় ইন্তিফাদা অর্থাত্ স্বভূমি উদ্ধারের জন্য জনঅভ্যুত্থান শুরু হলে ইসরাইল তার আক্রমণ বাড়াতে থাকে।
২০০৬ সালে ফিলিস্তিনে আরাফাত প্রতিষ্ঠিত ফাতাহ্ (Fatah) পার্টিকে পরাজিত করে হামাস (Hamas) পার্টি ক্ষমতায় আসে। ইসরাইল এবং তার মদতদাতা ইঙ্গ-মার্কিনীরা এই সরকারকে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকার করে। ২০০৭ সালে হামাস গাজা ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিলে ইসরাইল আবার ২০০৮ সালে অভিযান চালায়। ইতিমধ্যে ইসরাইল ঘোষণা করেছে যে, সমস্ত জেরুজালেম ও ফিলিস্তিনকে এবং লেবাননের ও সিরিয়ার একটা অংশকে যুক্ত করে বৃহত্তর ইসরাইল রাষ্ট্র গঠন করা হবে এবং তারপর তারা ইজরাইল সীমান্ত ঘোষণা করবে। ৬৫ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও তারা সীমান্তের চূড়ান্ত রূপ দেয়নি। এটাকে বলে Green Line। তাদের লক্ষ্য হলো ইউফ্রেটিস থেকে নীলনদ, লোহিত সাগরের তীর থেকে তুর্কী সীমান্ত এই বিস্তীর্ণ আরব এলাকা যা এক সময় অটোমান সাম্রাজ্যের অধীন ছিল তা দখলে এনে চূড়ান্ত সীমান্ত ঘোষণা করা। এটাই হলো জায়নবাদী ইসরায়েলি আধিপত্যবাদ। হামাস (Hamas)-কে নির্মূল করার নামে গাজা পশ্চিম ব্যাঙ্কসহ সমগ্র জেরুজালেমকে দখল করতে চায়।
হামাস দমনের নামে গাজায় যেভাবে হামলা চালাচ্ছে আর এর পক্ষে যেসব যুক্তি হাজির করছে মিডিয়ায়, তাতে মনে হয় না তারা গাজার অধিবাসীদের মানুষ মনে করে। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্ববিবেককে জাগিয়ে তোলা ছাড়া আমাদের কারও কিছু করণীয় আছে বলে মনে হচ্ছে না। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সবাই জোটবদ্ধ হয়ে লড়বে, এটা এখন আরও অবান্তর চিন্তা। কূটনৈতিক বা রাজনৈতিকভাবেই মোকাবেলা করতে হবে ফিলিস্তিনকে। এ ব্যাপারে মুসলিম দেশগুলোকে নেতৃত্বের ভূমিকা পালন করতে হবে। কিন্তু সমস্যা হলো, মুসলিম দুনিয়ায় তেমন নেতৃত্ব আগেও ছিল না। এখন আরও নেই।
এ বাস্তবতায় আমাদের মত সাধারণ মানুষকে, আমাদের সরকারকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে বিশ্বজনমত গঠনের কাজে। এই একটি মাত্র পথেই ফিলিস্তিনিদের উপর অন্যায় নির্যাতন বন্ধ হতে পারে।
ঘৃণা-বিদ্বেষ সম্ভবত মানুষের চেতনারই অংশ। তা না হলে সব জাতির মধ্যে এ বৈশিষ্ট্য দেখা যাবে কেন? আওয়ামী লীগারদের বিএনপি বিদ্বেষ, বিএনপিওয়ালাদের আওয়ামী বিদ্বেষ, হিন্দুদের মুসলমান বিদ্বেষ কিংবা মুসলমানদের হিন্দু বিদ্বেষের মতো বিভিন্ন জাতির ইহুদি বিদ্বেষও জগদ্বিখ্যাত। ইহুদি বিদ্বেষের দাপটে বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনকে পর্যন্ত জার্মানি থেকে বিদায় নিতে হয়েছে। ঘটনাটি খুলেই বলা যাক। আইনস্টাইনের জন্ম জার্মানিতে। তিনি জুরিখ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। ১৯১৪ থেকে ১৯৩৩ সাল পর্যন্ত তিনি বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন। ১৯২১ সালে তিনি নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। তিনি ইহুদি—এ কারণে তাকে জার্মানি থেকে চলে যেতে হয়েছে ১৯৩৩ সালে। তারপর আমৃত্যু তিনি আমেরিকায় সসম্মানে বসবাস করেছেন। আইনস্টাইনের আপেক্ষিকবাদ বিজ্ঞানের ইতিহাসে একটি অসামান্য কীর্তি।
স্বয়ং আইনস্টাইন এক সময় বলেছেন, আমার আপেক্ষিকবাদ নির্ভুল প্রমাণিত হলে জার্মানি দাবি করবে যে আমি একজন জার্মান; কিন্তু ফ্রান্স ঘোষণা করবে যে আমি একজন বিশ্বনাগরিক। আর আমার আপেক্ষিকবাদ ভুল প্রমাণিত হলে ফ্রান্সের মতে আমি হয়ে যাব একজন জার্মান; কিন্তু জার্মানি ঘোষণা করবে যে আমি একজন ইহুদি।
এ উচ্চারণের মধ্যে আপেক্ষিকতা ও রঙ্গব্যঙ্গ ওতপ্রোত হয়ে আছে। তবে হিটলারের ইহুদি বিদ্বেষ অতুলনীয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে প্রায় এক কোটি ষাট লাখ ইহুদি ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালে একা হিটলার প্রায় ষাট লাখ ইহুদিকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছেন। এর চেয়ে বড় ইহুদিবিদ্বেষ আর কি হতে পারে? ইহুদিরা সারা দুনিয়ায় ঘৃণ্য হয়েছেন। তবে তাদের টিকে থাকার জন্যও কিন্তু কম কাঠখড় পোড়াতে হয়নি। অনেক যুদ্ধ করতে হয়েছে। ইহুদিদের মধ্যেও ভিন্ন জাতি ও সমপ্রদায়ের প্রতি বিদ্বেষ আছে। এ প্রসঙ্গে একটি ঘটনার কথা বলা যেতে পারে। ইহুদিদের সঙ্গে আরব লীগভুক্ত দেশগুলোর যুদ্ধ বেধেছে, জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় ১৯৪৯ সালের জানুয়ারিতে যুদ্ধ থেমেছে বটে; কিন্তু এ যুদ্ধের ফলে ইসরাইল রাষ্ট্রের আয়তন প্রায় দেড়গুণ হয়েছে। ১৯৫৮ সালে মিসর ও সিরিয়া একত্র হয়ে আরব প্রজাতন্ত্রের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। এই প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট নাসের। ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে আরব পরাস্ত হয়েছে। ইহুদিরা স্বাভাবিক কারণেই নাসেরকে সুনজরে দেখে না। কতদূর কুনজরে দেখে? এ বিষয়ে মোক্ষম কিন্তু ভয়াবহ এক গল্প আছে। একজন মার্কিন ভদ্রলোক ইসরায়েলে বেড়াতে এসেছেন। একজন ইহুদি ভদ্রমহিলার সঙ্গে আলাপ হলো। ভদ্রমহিলার একটি সুন্দর বাচ্চা ছেলে আছে। ভদ্রলোকের প্রশ্ন আপনার ছেলের নাম কী? ভদ্রমহিলার উত্তর : নাসের। শুনে মার্কিন ভদ্রলোক চমকে উঠলেন— নাসের? আপনারা তো নাসেরকে দারুণ ঘেন্না করেন। মিসেস স্যামুয়েল, নিজের ছেলের নাম আপনি কেমন করে নাসের রাখতে পারলেন?
ভদ্রমহিলা খিল খিল করে হাসলেন। বললেন, স্যার, আপনি আমাকে ভুল বুঝেছেন। আমি আদৌ বিয়ে করিনি!
লেখক : কলামিস্ট
