গণতান্ত্রিক পন্থায় এবং
শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রেখে
আন্দোলন করতে হবে
আপনারা কাদের জন্য আন্দোলন করতে চান? জনসাধারণের জন্য নাকি নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য ? যদি জনগণের জন্য আন্দোলনে নামেন তাহলে জনগণের কথাটা একটু মাথায় রাখবেন। যেসব আন্দোলন জীবন্ত মানুষকে বাসের মধ্যে পুড়িয়ে মারে, যে সব আন্দোলন মায়ের বুককে খালি করে, যেসব আন্দোলনের জন্য শিক্ষাব্যবস্থায় কালো ছায়া নেমে আসে, সে সব আন্দোলনের পক্ষে জনগণের সমর্থন আছে বলে আমি মনে করি না । আপনারা যদি গণতান্ত্রিক পন্থায়, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রেখে, জনগণের জানমালের ক্ষতি না করে আন্দোলন করেন তাহলে সেই আন্দোলনে সবার সমর্থন থাকবে। কিন্তু আন্দোলনের নামে যদি নৈরাজ্য সৃষ্টি করেন তাহলে সেই আন্দোলনের সাথে অতীতে যেমন জনগণ সম্পৃক্ত ছিলো না তেমনি ভবিষ্যতেও থাকবে না ।
শাওন রায়
ইংরেজি বিভাগ
২য় বর্ষ, ১ম সেমিস্টার
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট
===
বিএনপির আন্দোলন
মানে জনগণকে নিয়ে মাঠে না নামা
বিএনপির আন্দোলন শুধু কার্যালয়ের মধ্যে বসে প্রেস ব্রিফিং-এর মাধ্যমে ভোকাল থেরাপি করা। এটা কোন কর্মসূচি নয়। আন্দোলন করতে হলে তারেক জিয়াকে দেশে ফিরে আসতে হবে। রাজপথে নামতে হবে। লন্ডনে পালিয়ে থেকে হুঙ্কার দিলেই এটি আন্দোলন হয় না। এটা ষড়যন্ত্র। অতীতে এবং নিকট অতীতেও প্রমাণিত হয়েছে বিএনপির আন্দোলন মানে জনগণকে নিয়ে মাঠে নামা নয়। আন্দোলনের নামে তারা যা করবে তা হলো বিএনপির নিজস্ব সন্ত্রাস! কর্মসূচি ছাড়া সংগঠন পাড়ার ক্লাবের চাইতেও দুর্বল হয়।
ছাব্বির আহমেদ
দ্বাদশ শ্রেণি
বিকল্প মডেল কলেজ
===
বিএনপির আন্দোলন
সহিংসতাকেই
উস্কে দিবে
বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য আর ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ দীর্ঘদিন টিকে থাকার জন্যই জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের দু’দলেরই লক্ষ্য এক। সেই ধারাবাহিকতায় ঈদুল ফিতরের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট আন্দোলনের মাধ্যমে সরকার পতনের ঘোষণা দিয়ে রেখেছে। তবে জনগণের স্বার্থের বাইরে গিয়ে আন্দোলন করায় বার বারই ব্যর্থ হচ্ছে বৃহত্ এই জোট। তাই সামনের আন্দোলনের সফলতাও নির্ভর করবে ঘোষিত কর্মসূচির উপর। অনেকে মনে করছেন, বিএনপির আন্দোলন সহিংসতাকেই উস্কে দিবে।
জাফর ইমাম সজীব
দ্বাদশ শ্রেণি, ঢাকা কলেজ।
===
কেউ জনগণকে
নিয়ে চিন্তা
করে না
এ সরকার সহিংসতার উপরই টিকে আছে। তারা এর বাইরে নিজেদের নিয়ে যেতে পারবে না। তাদের লক্ষ্য এখন সহিংসতাকে তীব্র পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া। বিএনপির আন্দোলনকে প্রতিহত করার ঘোষণায় সরকারের স্বৈরাচারী ও অগণতান্ত্রিক মনোভাবেরই বহিঃপ্রকাশ। একই কায়দায় স্বৈরাচারী সরকার গণতন্ত্রের টুঁটিকে টিপে মারতে চেয়েছিল, রুদ্ধ করতে চেয়েছিল প্রতিবাদের ভাষাকে। এখনো তার ব্যতিক্রম কোনো কিছুই লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি কেউই কখনো জনগণের পক্ষে ছিল না। তারা জনগণকে নিয়ে চিন্তাও করে না। সরকারে এলেও এ দুই দল দেশের স্বার্থে কাজ করে না।
ইমরান হোসাইন
সাংবাদিকতা বিভাগ ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি।
===
আন্দোলন হবে
শান্তিপূর্ণ, সহিংসতা হলে
দায় নিতে হবে সরকারকে
বিএনপি আন্দোলন করবে শান্তিপূর্ণ যদি বাধা দেয় তখন সৃষ্টি হবে ভয়াবহ পরিস্থিতি। সে জন্য দায়ী কে অবশ্যই সরকার। সরকারকে অনেক বেশি সুযোগ দেয়া হচ্ছে, সরকার সুযোগ গ্রহণ করে না বরং তিনি উল্টো কথা বলছেন যা গণতন্ত্রের জন্য কাম্য নয়। তবে বিএনপি মরণ কামড় দিয়ে নামবে এই কথা সত্যি। আমি যদি বলি ভাই ঈদের পর কঠোর আন্দোলন হবে তখন তারা বলছে, আরে বিএনপি আর কি করবে এটাই বলবে কিন্তু তার পর কথা থাকে, কথা হলো ব্রাজিল আর জার্মানি খেলাটা কেউ ভাবতে পারে না ব্রাজিল সাতটা গোল খাবে, তাই বলছি সরকারকে কোন কিছু অবহেলা না করে সহিংসতা না ছড়িয়ে সময় আছে আলোচনায় বসে সমাধান করুন।
মো: দেলোয়ার হোসাইন,
এম.এ ১ম বর্ষ,
সরকারি তিতুমির কলেজ,
ষ্টাডিজ, বিভাগ
