টেলিফোনে পাঠকের মতামত

আন্দোলনের নামে অশান্তি কারোরই কাম্য নয়

আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০১৪, ২০:২৯
বাংলাদেশের রাজনীতিতে আন্দোলনের মাধ্যমে অধিকার আদায়ের প্রেক্ষাপট বহুমাত্রিক। তার একটা মাত্রা হচ্ছে, জোর যার মুল্লুক তার এই নীতিতে বলিয়ান হয়ে, জ্বালাও-পোড়াও, সহিংস আন্দোলনের মাধ্যমে ক্ষমতাসীনদের বাধ্য করে অধিকার আদায়। বহুমাত্রার আর একটা নোংরা মাত্রা হচ্ছে, নিজের নাক কেটে অন্যের যাত্রা ভঙ্গ করা। অন্তত: এদুটোর একটাতেও পারদর্শী নয় বিএনপি। বিএনপির আন্দোলনের হুমকি আছে, কিন্তু হুমকির বাস্তবায়ন নেই। কারণ ত্যাগীর চেয়ে ভোগী নেতা এদলে বেশি। বর্তমান সরকার বহু বিষয়ে একাধিক ইস্যু বিএনপির হাতে তুলে দিলেও, সাংগঠনিক ক্ষেত্রে অরাজনৈতিক, জনবিচ্ছিন্ন, অথর্ব ব্যক্তিদের দ্বারা বিএনপি পরিচালিত হবার কারণে, ন্যায্য দাবী ও আন্দোলিত হতে পারিনি। গত বছর ২৯ ডিসেম্বর “মার্চ ফর ডেমোক্রিসি’র মতো ইস্যুটিও আলোর মুখ দেখেনি বালুর ট্রাকের চাপে। বারুদাগারে অগ্নিসংযোগ করার মতো ইস্যু পেয়েও বিএনপির পাঁচজন লোকও রাজধানীর রাজপথে মিছিল করেনি এই যখন অবস্থা এবং দলটির পূর্বাপর আন্দোলনের ধরন ও প্রকৃতি, তখন প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও সমাজ গবেষক বদরুদ্দীন উমর বিএনপির আন্দোলন সম্পর্কে যা মন্তব্য করেছেন, তা যথার্থ। একটুও বাড়িয়ে বলেননি। বিএনপির আন্দোলনের হুমকি আষাঢ়ের তর্জন-গর্জনের শামিল। যত গর্জে তত বর্ষে না, এর মতো। বিএনপির আন্দোলন সম্পর্কে অতি সাধারণ ব্যক্তিও একইভাবে মূল্যায়ন করে। বিএনপি আন্দোলনের মাধ্যমে যত্সামান্য অর্জন যাই করেছে, তা কিন্তু দলের হোমরা-চোমরা নেতাদের দিয়ে হয়নি, হয়েছে সাধারণ জনগণের দ্বারা। ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের আগে সাধারণ জনগণের আন্দোলনের মুখে রাজধানী, দেশের অন্যান্য স্থান থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল। এমনকি ১৫৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিহীন অবস্থায় বর্তমান সংসদে সংসদ সদস্য হয়ে আছেন। যেহেতু বিএনপি নেতা সর্বস্ব দল নয়, দলটি জনগণ সমর্থিত দল, সেহেতু তৃণমূলকে শাণিত করতে পারলে ত্যাগী নেতাদের দ্বারা, তাহলে বিএনপির হুমকি সর্বস্ব আন্দোলন, প্রাণ পেয়ে দুর্বার আন্দোলনের রূপ পেতে পারে। বর্তমান বিএনপিকে যেহেতু প্রশাসন ও মিডিয়াকে মোকাবিলা করতে হবে। সেহেতু আন্দোলনের তীব্রতা দলের হাই কমান্ড থেকে মনিটরিং করতে পারলে তেঁতে উঠতে পারে রাজপথ। জনদুর্ভোগ কমাতে দৃষ্টিও রাখতে হবে দলের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে। সবকথার এক কথা আন্দোলনের মাধ্যমে অধিকার আদায় করে প্রমাণ দিতে হবে দলটি মরেনি। যেহেতু ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, সেহেতু দেশের রাজনীতি বোদ্ধাদের বিএনপি সম্পর্কে নীতি বাচক মন্তব্য থেকেও দলকে রক্ষা করতে দলের নীতি নির্ধারকদের কৌশলী ভূমিকা নিতে হবে। মুরাদ হোসেন মধুখালী, ঝিকরগাছা, যশোর বিএনপি এ দেশের একটি প্রভাবশালী প্রাচীন দল। তবে তাদের দলের প্রতি মানুষের আস্থা আগের চেয়ে কমেছে। তাই আমরা চাই বিএনপি’র কর্মসূচি হবে শান্তিপূর্ণ ও গঠনমূলক। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা এবার যদি আন্দোলন শান্তিপূর্ণভাবে হয় তাহলে জনগণ তাদের সাথে সম্পৃক্ত হবে। মুন্সী মোহাম্মদ ওয়াহীদ উল্লাহ ফেনী বিএনপি’র চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, এবারের আন্দোলন ব্যর্থ হবে না। এবার ঈমানী শক্তি নিয়ে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। তাদের জাতীয়তাবাদী সংস্কৃতিতে আন্দোলনের মূল চাবিকাঠিকে বহন করেই এগিয়ে যেতে হবে। সুতরাং প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও সমাজ গবেষক বদরুদ্দীন উমর যে উক্তিটি করেছেন তা সম্পূর্ণভাবে ঠিক নয়। মো: সেলিম মহাখালী, ঢাকা রাজনীতিবিদদের আন্দোলন হবেই—এটাই স্বাভাবিক। তবে সহিংসতা নয়। শোনা যাচ্ছে ঢাকাকে মূল কেন্দ্র রেখে হবে তাদের আন্দোলন। এখন বাস্তবায়নই হচ্ছে বড় কথা। মো: ইফতেখার হোসাইন ৬ নং চরভৈরবী, হাইমচর, চাঁদপুর সময়ের পরিবর্তন এসেছে সবকিছুতেই। বিএনপি’র আন্দোলন ও কর্মসূচি পাল্টাতে হবে। জ্বালাও-পোড়াও, মানুষ মারা, সম্পদ ক্ষতিসহ, হরতাল ইত্যাদিকে পরিহার করে আন্দোলন করতে হবে। মানুষ আর অশান্তি, দুর্ভোগ দুর্যোগ আর চায় না। সাধারণ মানুষের সাথে মিশেই আন্দোলন কর্মসূচি দিতে হবে। শুধু হুমকি- ধামকি দিয়েই কথা বললে হবে না। মো: হানিফ মিয়া রিসোর্স ইন্টিগ্রেশন সেন্টার (রিক), ধানমন্ডি, ঢাকা বিএনপি’র আন্দোলন বোল পাল্টাতে হবে। শুধু প্রেস ব্রিফিং আর প্রধান কার্যালয় থেকে বক্তব্য দিয়েই আন্দোলন করা যাবে না। এর জন্য প্রয়োজন সাংগঠনিক শক্তির কাঠামো, আদর্শ ও সচেতনতা। সুতরাং বিএনপি’র নেত্রীকে বলবো এবার আন্দোলন করুন ভিন্ন মাত্রায়। যা জনগণ স্বত:স্ফূর্তভাবে মেনে নেবে। আব্দুল মালেক মিয়া দলিল লেখক, মনিপুর, মিরপুর, ঢাকা আন্দোলন করতে হলে সাংগঠনিক শক্তি লাগে। আর শক্তি বিএনপি’র আছে বলে মনে হয় না। বিএনপি’র আন্দোলন হলো চোরাগুপ্তা হামলা, বাসে আগুন, ট্রেনে আগুন। এতে জনগণের সমর্থন পাওয়া যায় না। তাই বিএনপি’র নেত্রীকে বলবো—এসি রুমের মধ্যে থেকে কর্মসূচির নির্দেশ না দিয়ে নেতা-কর্মীদের নিয়ে রাজপথে এসে মোকাবিলা করুন। জনগণ আর এসি রুমের নির্দেশ শুনতে চায় না। মো: ইলিয়াস সুমন সন্দ্বীপ আসলেই তাদের আন্দোলন করার ক্ষমতা নেই। কি নিয়ে আন্দোলন করবেন। হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন তারা। কিন্তু আসলেই কি তাদের আন্দোলন করার ক্ষমতা আছে? এটাই দেশবাসীর আজ প্রশ্ন। মো: মেজবাহউদ্দিন সেলিম ভোলা ড্রাগ হাউজ, পাকার মাথা, ইব্রাহিমপুর, ঢাকা বঙ্গবন্ধু, শেরে বাংলা, ভাসানী যেভাবে আদর্শ চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে মানুষের ন্যায় অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য রাজনীতি করেছেন তা আজ ইতিহাসের পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু তাদের রাজনীতি ও আজকের রাজনীতির মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য রয়েছে। কিন্তু সে রকম আদর্শ রাজনীতিবিদদের থাকা দরকার। তাদের মত আন্দোলনের কর্মসূচি রাখা দরকার রাজনৈতিক দলগুলোর। বিএনপি’র সে রকম লক্ষ্য থাকা দরকার। আইরিন সুলতানা (সন্জু) ধুপপুর , চট্টগ্রাম বিএনপি তো আন্দোলন করে না? কাদের জন্য বিএনপি আন্দোলন করে? ১০০ ভাগ জনগণের জন্য না। নিজেদের কিছু সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ নেতাদের জন্য বিএনপির আন্দোলন, যারা ক্ষমতায় গিয়ে সংসদ সদস্য, মন্ত্রী হয়ে কোটি কোটি টাকা চুরি করে বিদেশে পাচার করবে। হাওয়া ভবন, গণভবন, বঙ্গ ভবন থেকে আন্দোলনের নামে মানুষ হত্যা করে? আর ক্ষমতায় গিয়ে লুট-পাট করে, এমন অপ রাজনীতি থেকে জাতি মুক্তি চায়। আমরা মানুষ হত্যার আন্দোলন দেখতে চাই না।দেশের রাস্তা-ঘাট উন্নয়নের নামে দুর্নীতি, পুলিশ দিয়ে মানুষ হত্যা, লিমনের পায়ে গুলিসহ সকল অন্যায়-অবিচারের প্রতিবাদ হওয়া প্রয়োজন। দুর্নীতি আর সন্ত্রাস করার জন্য বাংলাদেশে কোন আন্দোলন হয়নি আর হবেও না। এটা বিএনপি ও আওয়ামী লীগের দিবা স্বপ্ন। জনগণ উভয় দল ও দলের নেতাদের ভাল করে চিনে। এক মাত্র গালি ছাড়া তাদের জন্য কোন উপহার নাই। নজরুল ইসলাম খান, খান ভিলা, ৫৪ নতুন জুরাইন, ঢাকা গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে সরকারি দল এবং এক বা একাধিক বিরোধী দল থাকাটাই স্বাভাবিক রীতিনীতি। তবে একনায়কতান্ত্রিক, রাজতান্ত্রিক, স্বৈরতান্ত্রিক কিংবা গণতন্ত্রের নামে স্বেচ্ছাচার নীতিতে কোন প্রকার বিরোধী দলকে বিন্দুমাত্র সহ্য না করার ইতিহাস আমাদের উপমহাদেশে বহু পুরানো। একবিংশ শতাব্দীতে এসেও স্বৈরতন্ত্রের সেই প্রেতাত্মা থেকে আমাদের বর্তমান তথাকথিত গণতান্ত্রিক সরকার মোটেও মুক্ত নয়। এমনকি স্বয়ং বিরোধী দলের মুখপাত্রকেও নিজ কার্যালয়ে অবরুদ্ধ থাকা অবস্থায় দলের পক্ষ হয়ে বক্তৃতা-বিবৃতি দিতে হয় এই অদ্ভুত গণতান্ত্রিক দেশে! কাজেই এহেন পরিস্থিতিতে “বিএনপি আন্দোলনের হুমকি দিচ্ছে। তারা হুমকি দিতে ওস্তাদ, কিন্তু আসলে তাদের আন্দোলন করার ক্ষমতা নেই” বলে প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও সমাজ গবেষক বদরুদ্দীন উমর যে মন্তব্য করেছেন তা কতটুকু যুক্তিযুক্ত হয়েছে, ভাবার অবকাশ আছে বৈ কী! ভুঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী আরমান ভুঁইয়ার বাড়ী, হাজীপুর, বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী বিএনপি আন্দোলনে গিয়ে কোন লাভ হবে না বলে আমরা মনে করি। সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে বাংলাদেশের নির্বাচন হয়ে গেছে। এখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে চলেছে, এর মধ্যে আন্দোলনের কোন অর্থ নেই। সোহাগ ভাগলপুর লেন, নবাবগঞ্জ, ঢাকা বিএনপি’র আন্দোলনে সহিংসতাকেই উস্কে দেবে আগে। বিএনপি শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করতে চাইবে। কিন্তু সেখানে বাধা আসবে সরকারের। ফলে সে বাধাতে সৃষ্টি হবে ভয়াবহ পরিস্থিতি। জাহাঙ্গীর হোসাইন পীরেরবাগ, ঢাকা প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও সমাজ গবেষক বদরদ্দীন উমর বলেছেন, বিএনপি আন্দোলনের হুমকি দিচ্ছে। তারা হুমকি দিতেই ওস্তাদ। কথাটি সম্পূর্ণ ঠিক নয়। কেননা বিএনপি আন্দোলন কি করেনি? কাজেই আন্দোলন বিএনপি করতে পারে না। এটার সাথে একমত হতে পারলাম না। মাসুম আহম্মেদ শিকড় সন্ধানে, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা ক্ষমতাসীন সরকার বলছে সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে এদেশে নির্বাচন হবে। কিন্তু বিএনপি আন্দোলন করে তাদের হঁটাতে চাচ্ছে। এখন মাঠে দেখা যাবে আন্দোলন কতদূর কি হয়। মাসুদ উত্তরা, ঢাকা বিএনপি শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করবে। কিন্তু তারা তা পারবে না। সেখানে বাধাও আসবে, বিরোধও সৃষ্টি হবে। সৃষ্টি হবে ভয়াবহ পরিস্থিতি। এটা থেকে রেহাই পাবার জন্য প্রয়োজন উভয়ই আলোচনা করা। বিউটি, আরামপুর, ঝিনাইদহ বিএনপির আন্দোলন করার ক্ষমতা নেই, এর সাথে একমত নই। যেহেতু বিএনপি একটি বড় দল। তারা সাংগঠনিকভাবে শক্ত। তবে বিএনপি সহিংসতা চায় না। শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন চায়। কিন্তু পরিবেশ তা হতে দেবে না বলে মনে হচ্ছে। নয়ন, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা আন্দোলন একটি গণতান্ত্রিক অধিকার। সেই অধিকারের তাগিদে বিএনপি আন্দোলন করবে। এখানে ক্ষমতা থাকা না থাকার বিষয় নেই। এটা কোন হুমকির নয়। সুতরাং বিএনপির আন্দোলনকে কোনভাবেই বাধা দেয়া ঠিক হবে না। বাবু, টোলারবাগ, মিরপুর, ঢাকা ক্ষমতাসীন সরকার বলছে সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে একটি নির্বাচন হয়েছে। কিন্তু দেশের মানুষ তা প্রত্যক্ষ করেছে ৫ই জানুয়ারি নির্বাচন কতটুকু স্বচ্ছ হয়েছে। তাই বিএনপির আন্দোলন যথাযথই ঠিক আছে। শিউলি সাভার, ঢাকা বিএনপি সরকারের সময় ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলার কাহিনীসহ ১৭ আগস্ট সারা দেশে সিরিজ বোমা হামলা। ২১ শে আগস্ট বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় গ্রেনেড হামলার নগ্ন দৃশ্য জাতি দেখেছে। সে সাথে সারা বিশ্বও অবাক হয়ে গেছে। ২০১২ ও ২০১৩ সালে অবরোধ হরতালের নামে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচাল করার লক্ষ্যে বাসে আগুন দিয়ে মানুষ হত্যা। ট্রেনের ফিসপ্লেট খুলে চলন্ত ট্রেনের যাত্রীদের মৃত্যুর মুখে ঘটনা জনগণের বিবেককে ধমকে দেয়। বিএনপি, জামায়াতকে সমর্থন ও যুদ্ধাপরাধের রক্ষার জন্য আন্দোলনের নামে দেশে নৈরাজ্য চালিয়ে যায়। সংগত কারণেই জনগণ। বিএনপির আন্দোলনে সারা দেয়নি। ফলে কিছু সংখ্যক নেতাকর্মী বিএনপির অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখার জন্য আন্দোলনের নাম করে সরকারকে হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছে। ২০১২-২০১৩ সালের কর্মকাণ্ডে বিএনপি আন্দোলনের নামে যা করে যাচ্ছিলো তাকে সুষ্ঠু রাজনীতি বলে জাতি স্বীকার করেনি। বিশ্ব বিবেক বিএনপির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে জনগণের পরিপন্থি হিসেবে দেখেছে। তাই শ্রদ্ধেয় বদরুদ্দীন উমরের ভাষ্যকে জাতি অবজ্ঞা করতে পারে না। তিনি বিএনপি’র এহেন কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করতেই পারেন। রাষ্ট্র বিজ্ঞানের সংজ্ঞায় এ অধিকার সকলের আছে। শাহ মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন হিরো কালিহাতি, টাঙ্গাইল বস্তুত বিএনপি একটি সুস্পষ্ট আদর্শ চেতনানির্ভর একটি রাজনৈতিক দল তাদের রাজনীতির মূল স্পিরিট হচ্ছে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ। গণতান্ত্রিক অধিকার হিসেবে তাদের অবশ্যই আন্দোলন করার ক্ষমতা আছে। যেহেতু প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই বিএনপি’র একটি রাজনৈতিক দর্শন আছে। গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন দরকার আছে। গণতন্ত্রকে স্থায়ী ও প্রতিষ্ঠা করতেই পারে। তাই বিএনপিকে সাংগঠনিক কাঠামোর পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে নতুন করে চিন্তা করতে হবে। মো. শহিদুল ইসলাম (রয়েল) নিশিন্দারা, মধ্যপাড়া, বগুড়া বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আন্দোলন সফল করতে ঢাকা মহানগর বিএনপির নেতাদের ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে দ্রুত দল গোছানোর নির্দেশ দিয়েছেন। দেশের গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়টি প্রশ্নের সম্মুখীন। সুতরাং বিএনপির আন্দোলন করার ক্ষমতা আছে। তবে তাদের দক্ষ, কর্মঠ, সাহসী রাজনীতি সচেতন কর্মীদের কাজ করার সুযোগ করে দিতে হবে। মো. খায়রুল বাশার (চয়ন) কুতুবখালী, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা ঈদের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট আন্দোলনের মাধ্যমে সরকার হটানোর ঘোষণা দিলেও গন্তবে যাওয়া কতটা সম্ভব সেটাই দেখার বিষয়। তবে আমরা আন্দোলনের নামে সহিংসতা চাই না। আন্দোলন নামে আর কত মায়ের বুক খালি বা শূন্য করলে তারা সফল হবেন। এস,কে. মোহাম্মদ রমিজ উদ্দিদ, প্রশিকা, প্রধান কার্যালয়, মিরপুর-২, ঢাকা বিএনপি’র আন্দোলন করার ক্ষমতা নেই। প্রসঙ্গে প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও সমাজ গবেষক বদরুদ্দীন ওমর যে উক্তি করেছেন তা যথার্থই বলেছেন। আসলেই তাদের আন্দোলন চোরাবালিতে হারিয়ে গেছে। বিএনপি’র নেতারা পথ হারা পথের মতো এখন দিশেহারা। সুতরাং হুমকি ধামকি দিয়ে কোন লাভ নেই। শিশির, পিলখানা, ঢাকা বিএনপি’র সাংগঠনিক শক্তি আন্দোলনে নেই। নগরে যে কমিটি ঘোষণা করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন মির্জা আব্বাসকে দিয়ে ঢাকা শহরের আন্দোলন করা সম্ভব নয়। সত্য কথা এটাই ১৯৯০ ’এর গণআন্দোলনে বিএনপি’র একক আন্দোলন করার ক্ষমতা ছিল না। সে সময় যুবলীগ মাঠে যদি না থাকতো এরশাদকে সরানো সম্ভব ছিল না। আমার সেদিনের কথা মনে পড়ে বিএনপি’র নেত্রীকে এককভাবে ফেলে দিয়ে মিছিল থেকে পালিয়ে গিয়েছিল তাদের নেতারা। সে সময় পুলিশের হাত থেকে লাঠি পেটা থেকে যখন আমরা ওনাকে বাঁচাই তিনি তখন আমাদেরকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন। তখন তিনি বলেছিলেন আমাদের কর্মীতো আমাকে রেখে পালিয়ে গেছে সে সময় আমাকে আপনারা রক্ষা করলেন। সে সময়ে বিএনপির নগরের দায়িত্বে ছিলেন মির্জা আব্বাস। এরা বড় কথা বলতে পারে কিন্তু গণআন্দোলন করার ক্ষমতা তাদের নেই। কিন্তু হ্যাঁ তাদের কিছু লোক যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগে ঢুকে গেছে। তারাই চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, মাদক ব্যবসা জড়িত হয়ে এই সরকারকে দুর্নাম করার চেষ্টা চালাচ্ছে। তাই এখানেই আওয়ামী লীগের নেতাদের সাবধান থাকা উচিত। সৈয়দ হায়দার আলী সভাপতি মহাখালী যুব কল্যাণ সমিতি, মহাখালী, ঢাকা বর্তমান ২০ দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ঈদের আগেই আন্দোলনের জন্য কঠিন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। গত ৫ বছর বেগম খালেদা জিয়া রাজপথে অবরোধসহ অনেক ধরনের কর্মসূচি দিয়েও ব্যর্থ হয়েছেন। সুতরাং এবার আন্দোলনের নামে নানা রকম কথাবার্তা বলা হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে কতটুকু তা বাস্তবায়ন হবে সেটাই দেখার বিষয়। হাসান/ রিপন/ স্বপন কবিরহাট, নোয়াখালী আন্দোলনের নামে শত শত মানুষকে হত্যা করেছে, দেশের সম্পদ ধ্বংস করেছে তা এ দেশের মানুষ দেখেছে। গত ৫ জানুয়ারির নির্বাচন নিয়ে বিএনপি সত্যিই ভুল করেছে। দেশের মানুষ এখন শান্তি ও স্বস্তিতে আছে। দেশ আজ এগিয়ে চলেছে। বিশ্বে সুনাম অর্জন করেছে। বিএনপি এখন আন্দোলনের হুমকি দিচ্ছে। আন্দোলন গণতান্ত্রিক অধিকার। আন্দোলন নিয়ে ভয়ভীতি দেখানোর কোন অর্থ নেই। মো. শফি গাজীপুর সকলের অংশগ্রহণে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত আমাদের এই দেশ হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, আদিবাসী সকলের দেশ বাংলাদেশ। আমাদের সংবিধানে আছে যে, জাতি, ধর্ম, বর্ণ, নারী-পুরুষ ভেদে এই ভূখণ্ডে বসবাসকারী সকলের দেশ। ঈদের আগে বিএনপি’র পক্ষ থেকে সরকার পতনসহ আন্দোলনের নানা কর্মসূচি দেয়ার হাক-ডাক শুরু হয়। তবে কথা হলো সরকার পতনের আন্দোলন করতে হলে বিএনপিকে আরো বেশি সাংগঠনিকভাবে শক্তি অর্জন করতে হবে। রোকমার আন্নুর ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, গুলশান, ঢাকা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে রাজনীতি একটি অনিশ্চয়তার বিষয়। কখনোই এখানে নিশ্চয়তার ছুঁয়া আমরা পাইনি। এই প্রেক্ষাপটে হয়তোবা দেশের প্রবীণ রাজনীতিবিদ বদরুদ্দিন উমর কোন একটি রাজনৈতিক দলের আন্দোলনের ক্ষমতা নেই বলে মন্তব্য করেছেন। আমরা সার্বিকভাবে বিবেচনা করলে দেখি বিগত দিনের যে রাজনীতি উত্তপ্ত হয়েছিল তার ফসল উল্লেখিত রাজনৈতিক দলটি ঘরে তুলতে পারেনি। মূলত দেশের যে অবস্থা তাতে মনে হয় হাক-ডাক বেঁধে আন্দোলন চালু করা সম্ভব হবে বলে মনে হয় না। মানুষের ন্যায্য দাবির প্রতি জনগণের যখন সমর্থন থাকে তখন এমনিতেই আন্দোলন হয়। দেখার বিষয় যা হলো, যারা রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করে অথবা আন্দোলনের সামনে থাকেন তারা কতটা ভাল কিংবা অতীত ইতিহাস তার কতটা গ্রহণযোগ্য। এই বিষয়টির প্রতি নজর দিলেই আমাদের রাজনীতিবিদরা ব্যর্থতার নামাবলী গায়ে দিতে বাধ্য। সেই অর্থে আগামী আন্দোলন জনগণের জন্য নাটক দেখানো ছাড়া আর কিছুই না তাই মুষ্টিমেয় রাজনৈতিক নেতাদের স্বার্থ উদ্ধারে সেটাই বড় বিবেচ্য। জনগণের কল্যাণের কথা বললে তাদের ভাত-রুটি-রুজি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং বেকারত্ব মোচনে দাবি দাওয়া নিয়ে সামনে এগুলে জনগণ তা সমর্থন করতেও পারে। সেজন্য দেখাতে হবে রাজনৈতিক দলের এবং তাদের নেতাদের আন্দোলনের দাবি দাওয়ার প্রতি কতটা ন্যায়নিষ্ঠ। এই বিষয়টির প্রতি লক্ষ্য করার জন্য আগামী দিনের আন্দোলনের প্রতি চোখ রাখলাম, ভবিষ্যত্ বলে দেবে রাজনীতি কোন পথে যাবে। ওয়াহিদ মুরাদ স্বরূপকাঠি, পিরোজপুর বিএনপি আন্দোলন করবার ক্ষমতা নেই যে কথাটি বলা হয়েছে সেটা এক ধরনের অবাস্তব এবং হাস্যকর উক্তি। বিএনপি বাংলাদেশের একটি বৃহত্তম রাজনৈতিক দল। আন্দোলন করার মতো যে ধরনের সাংগঠনিক শক্তি রাজনৈতিক কর্মী এবং জনসমর্থন দরকার তার অধিকাংশই বিএনপির রয়েছে। এ ছাড়া ‘৯০-এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে বিএনপির যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে। তাই এ ধরনের উক্তি প্রশ্নবিদ্ধ এবং কথাটি পুরোপুরি বেমানান। মুহিত হাসান, ছাত্র, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রাজনীতিবিদ বদরুদ্দিন উমর বলেছেন, বিএনপি আন্দোলন করার ক্ষমতা নাই। কথাটা আসলে সত্য নয়। কারণ নতুন নেতৃত্বে আসছে নতুন মুখ। এদের যথেষ্ট নেতৃত্ব দেবার এবং আন্দোলন গড়ে তুলবার ক্ষমতা রয়েছে। তাই কথাটি সত্য নয়। মো. জসিম হুসাইন উজিরপুর, নড়াইল প্রবীণ রাজনীতিবিদ বদরুদ্দিন উমর বিএনপির উপর বিরক্ত হয়েই বলেছেন, আন্দোলনের অবস্থা বিএনপির নাই। স্বৈরাচার এরশান বিরোধী আন্দোলনে যারা আন্দোলন করে তাকে বিতারিত করেছিল এখনও তারাই নেতৃত্বে আছেন। নতুন কোন নেতৃত্ব গড়ে উঠেনি। বিগত ১৫ বছরের মধ্যে বিএনপির ওয়ার্ড পর্যায় থেকে সিটি পর্যায় পর্যন্ত কোন কমিটি হয়নি। জেলা পর্যায়ের নেতারা তাদের পছন্দের ব্যক্তিদের নিজ বাসভবন থেকে পকেট কমিটি করে দিয়েছেন। পাঁচ সিটি নির্বাচন ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রমাণিত হয়েছে জনগণ বিএনপিকে ভালবাসে। এবং আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে তাদেরকে ভোট দিতে চায় কিন্তু সাংগঠনিক দুর্বলতার কারণে তারা বারবার হেরে যাচ্ছে। এম এ সাত্তার চৌধুরী আগ্রা, রাজবাড়ী সদর, রাজবাড়ী বিএনপি একটা বড় ধরনের রাজনৈতিক দল থাকা সত্ত্বেও সরকারের নিত্যনতুন আইনের বেড়াজালে আবদ্ধ হচ্ছে দিনের পর দিন। তাই সত্তর শতাংশের মানুষের মধ্যে বিএনপির আন্দোলন সফল হওয়ার সম্ভাবনা নেই। হুমকি পর্যন্তই ইতি ঘটবে। তাই প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও সমাজ গবেষক বদরুদ্দিন উমর যথার্থই বলেছেন। শাহরিন মায়া, বাঘাপুর স্কুল এন্ড কলেজ দ্বিতীয় বর্ষ কমার্স কেরানীগঞ্জ, ঢাকা বিএনপির আন্দোলন অবশ্যই আছে। মানুষ কি ভুলে গেছে ২০১২/১৩ সালের তাদের আন্দোলনের কথা। বিএনপি একটি শক্তিশালী সংগঠন। হয়তো সাংগঠনিক একটু পিচিয়ে পড়েছে বিভিন্ন কারণে। বিএনপি মানেই জাতীয়তাবাদ। গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা ও স্থায়ী করার জন্য এবং দেশের জনগণের অধিকার আদায়ের তাগিদেই এই আন্দোলন। সৈয়দ বজলুল করিম রিসোর্স ইমিগ্রেশন সেন্টার (রিক) ধানমন্ডি, ঢাকা শোনা যাচ্ছে রাজধানী ঢাকাতে বড় ধরনের আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি এক সাংবাদিক সম্মেলনে যথার্থই বলেছেন আগামী নির্বাচন গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই অনুষ্ঠিত হবে। তাহলে এখন বিএনপির আন্দোলনে কোন লাভ হবে না বলে আমরা মনে করছি। আবুল হোসেন ইলেকট্রিক প্লাজা, মিরপুর, ঢাকা বিএনপির আন্দোলনের সব চেয়ে বড় কথা হচ্ছে সরকার ও ক্ষমতাসীন দল আসন্ন আন্দোলন মোকাবিলা কীভাবে করবে। তাই প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও সমাজ গবেষক বদরুদ্দীন উমর সাহেবের উক্তিটিই আসলেই সত্যি বলে মনে হচ্ছে। নূসরাত ইয়াসমীন, সিটি কলেজ, ঢাকা বিএনপি ঘোষিত আন্দোলন কি সত্যি শান্তিপূর্ণ হবে নাকি সে আন্দোলন নিছক রাজনৈতিক ফায়দা তোলার জন্য। এগুলো জনসাধারণের কাছে এখনও স্পষ্ট নয়। যেহেতু আন্দোলনের কোন সুস্পষ্ট রূপরেখা তারা জনসমক্ষে তুলে ধরেননি। সুতরাং কিভাবে বুঝবো তাদের ক্ষমতা আছে বা নেই। মো. খায়রুল ইসলাম (ফুল) আরাপপুর, ঝিনাইদহ পবিত্র রমজান ও ঈদ উপলক্ষে স্কুল/কলেজ বন্ধ থাকার সকল পরীক্ষা পিছিয়ে পড়েছে। সুতরাং বিএনপির আন্দোলন করার ক্ষমতা আছে বা নাই জনগণের তা দেখার বিষয় নয়। দেশবাসী চায় শান্তি। দেশের ক্ষতি করে আন্দোলন করা দেশবাসী চায় না। অন্যায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেই এ পর্যন্ত দেশে ন্যায় প্রতিষ্ঠা হয়েছে। দেশের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে আন্দোলন হলে জনগণ তাদের সাথেই থাকবে। আর যদি তা হয় গদি দখলের জন্য আন্দোলন তবে কেউ তাদের পাশে থাকবে না বলে মনে করি। সুতরাং বিচার বিভাগ যেখানে ৫ জানুয়ারির নির্বাচন মেনে নিয়েছে সেখানে তো জনগণ আন্দোলন আশা করে না এবং করেও কোন লাভ হবে না। বরঞ্চ এটা ক্ষতি হবে। আশা এলিজাবেথ গোমেজ লক্ষ্মীবাজার, ঢাকা-১১০০ আজকের দিনে লোকজন মিটিং মিছিল করার জন্য রাস্তায় কি নামতে পারে? বেগম জিয়া ৯৬ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনকে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কথা বলে নির্বাচন সম্পন্ন করে এবং সংবিধান সংশোধন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ব্যবস্থা চালু করে ক্ষমতা ছেড়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু ৫ জানুয়ারি নির্বাচন সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কথা বলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করার পরেও কি ক্ষমতা ছেড়ে দিয়েছেন। জাতির সাথে কি এটা একটা প্রতারণা নয়। সর্বপরি বিএনপি জামায়াত তথা বিরোধী জোট সত্যিকারভাবে আন্দোলন শুরু করে হত্যা, অবরোধ, অসহযোগের মত কঠোর আন্দোলন শুরু হয় তাহলে বর্তমান সরকার কিংবা আওয়ামী লীগ ৫ জানুয়ারির পূর্বের আন্দোলনের মতো কি ঠেকাতে পারবেন? দেশে কি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে না? তাই আলাপ আলোচনার মাধ্যমে আশু সুরাহা একান্ত প্রয়োজন। শাহ আলম খান সরল, বাঁশখালী, চট্টগ্রাম প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও সমাজ গবেষক বদরুদ্দীন উমর বলেছেন বিএনপি আন্দোলনের হুমকি দিচ্ছে। তারা হুমকি দিতে ওস্তাদ। তাদের আন্দোলন করার ক্ষমতা নেই প্রসঙ্গে যে উক্তি করেছেন তা যথার্থই বলেছেন। অন্যদিকে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, আওয়ামী লীগকে ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। সুতরাং বিএনপির এখন উচিত হবে আন্দোলন করবে তবে তা হতে হবে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে। নীলা করিম পিলখান, ঢাকা দেশে বর্তমানে গণতন্ত্রের কোন অস্তিত নেই। যার গণতান্ত্রিকভাবে সরকার উত্খাতের তেমন কর্মসূচি নেই রাজনীতিতে। তাই বিএনপি আন্দোলনের যে হুমকি দিচ্ছে আসলেই কতটুকু তা সফল হবে এটা একমাত্র আল্লাহপাক্ জানেন। পারভীর আক্তার হাজারীবাগ পার্ক বর্তমানে রাজনৈতিক দলগুলোর আচার-আচরণের চরম অসহিষ্ণুতার প্রকাশ পাচ্ছে যাতে সমগ্র দেশবাসীর সাথে সমাজও আজ উদ্বিগ্ন। ভিন্ন মতের প্রতি সহনশীল ও সহিষ্ণু হতে হবে। গণতন্ত্রের বাস্তব চর্চা করতে হবে বিএনপিকে। তা- না হলে যত রকমেরই আন্দোলন করার কর্মসূচি দিক কোন কাজ হবে না। মো. মোজাহারুল ইসলাম চেয়ারম্যান, ইডাফ, সাভার, ঢাকা বিএনপি এমন একটি রাজনৈতিক দল- এর সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারকরা সর্বদাই ক্ষমতার স্বাদ নিতে চায়। কিন্তু ক্ষমতায় যেতে হলে যে দলের জন্য সাংগঠনিক কাজ করতে হয় তা করতে গত ১৫ বছর যাবত্ ব্যর্থ হয়েছেন। দলের সাংগঠনিক কমিটিগুলোর প্রতি ২ বছর পর পর সম্মেলনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ কমিটি যতক্ষণ পর্যন্ত করা হবে না, ততক্ষণ পর্যন্ত আন্দোলনের যত হুমকিই দেয়া হউক না কেন, তা বাস্তবায়ন করার জন্য মাঠে নেতাকর্মীরা থাকবে না। সাংগঠনিক কমিটির সাথে আন্দোলনের কোন সম্পর্ক নেই। তবে আন্দোলনের জন্য কার্যনির্বাহী কমিটির বড়ই প্রয়োজন। “বিএনপি আন্দোলনের হুমকি দিচ্ছে। তারা হুমকি দিতে ওস্তাদ। কিন্তু আসলে তাদের আন্দোলন করার ক্ষমতা নেই।” এ মন্তব্য শুধু প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও সমাজ গবেষক বদরুদ্দীন উমর মহোদয়েরই নয়, সমগ্র জাতীয়তাবাদী সমর্থকই তার সাথে একমত পোষণ করবে। মো. মিজানুর রহমান কার্যনির্বাহী সদস্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, রাঙ্গামাটি জেলা শাখা বিএনপির আন্দোলন করার ক্ষমতা নেই। উক্তিটি প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও সমাজ গবেষক বদরুদ্দীন উমরের। অত্যন্ত সময়োপযোগী কথাই বলেছেন। বিএনপি আন্দোলনের নামে পরিস্থিতিকে অশান্তি করলে, জানমালের ক্ষতি, গাড়িতে অগ্নিসংযোগ, পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ হত্যা করলে এটা কেউই মেনে নেবে না। যদিও গণতান্ত্রিক হিসেবে আন্দোলন করার অধিকার তাদের আছে। সুতরাং সেভাবেই শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি দিয়েই আন্দোলন করবে বলে দেশবাসীর প্রত্যাশা। মো. মনির হোসেন মনির বুক এন্ড সংবাদপত্র বিক্রয় কেন্দ্র, মিরপুর-১, ঢাকা

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন