রাজনীতি

গণতন্ত্র বনাম ষড়যন্ত্র

আপডেট : ১১ আগস্ট ২০১৪, ২০:৫০
‘গণতন্ত্রের’ পথযাত্রায় ‘ষড়যন্ত্রের’ কী কোন তাত্পর্য আছে? এ প্রশ্ন নিয়ে ব্যাপৃত হবার শুরুতেই উল্লেখ করা দরকার যে, অনেক বড় জায়গা থেকে ‘ষড়যন্ত্র’ হওয়া সম্পর্কে সম্প্রতি সরকারের সর্বোচ্চ মহলের মন্তব্য নি:সন্দেহে তাত্পর্যপূর্ণ। বাংলাদেশে ‘গণতন্ত্র’ সংহতকরণ প্রচেষ্টার মধ্যে ‘ষড়যন্ত্রের’ আশঙ্কা নতুন নয় তাই এ ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বনের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচন নিয়ে অসন্তুষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও বর্জনকারী বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটসমর্থকগণ যেভাবে পেট্রল বোমা হামলা, গাছ কেটে রাস্তা বন্ধ করা, সংখ্যালঘুদের জীবন, স্বাধীনতা ও সম্পত্তির উপর আক্রমণ করেছে, তা দেখে জনমনে আন্দোলন সম্পর্কে একটি বিরূপ ধারণার সৃষ্টি হয়েছে। এই সব আন্দোলনকে জনগণ এখন ঘৃণার চোখে দেখে। এই পরিস্থিতিতে, আন্দোলন হতে না দেখে, দেশি-বিদেশি সংস্থা কর্তৃক বাংলাদেশ বিরোধী প্রতিবেদন ও বক্তব্য প্রকাশ করায় বরঞ্চ ‘ষড়যন্ত্র’ সম্পর্কে জনগণের মধ্যে এক ধরনের অস্বস্তি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ প্রেক্ষিতে বর্তমান নিবন্ধের লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশে চলমান গণতান্ত্রিক ধারার মধ্যে ‘ষড়যন্ত্রের’ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা। অক্সফোর্ড ডিক্শনারিতে ‘ষড়যন্ত্রের সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ষড়যন্ত্র হচ্ছে ‘একটি গোষ্ঠী কর্তৃক বেআইনী অথবা ক্ষতিকর কিছু করার একটি গোপন পরিকল্পনা।’ (A secret plan by a group to do something unlawful or harmful.) অপরদিকে, বিখ্যাত রাষ্ট্রবিজ্ঞানী স্যামুয়েল পি. হান্টিংটন বিংশ শতাব্দীর শেষার্ধে বিশ্বব্যাপী ‘গণতন্ত্রায়নের তৃতীয় তরঙ্গ’ লক্ষ্য করেছিলেন। হান্টিংটনের পর্যবেক্ষণের সাথে আমরা যদি বাংলাদেশের গণতন্ত্রায়নের হিসাব মিলাতে চেষ্টা করি তাহলে সামরিক স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে নব্বইয়ের গণআন্দোলনের সফলতাকে একটি ঐতিহাসিক ক্রান্তিকাল হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে। অনেক বাধা বিপত্তি অতিক্রম করে, গণতন্ত্রের পথে অব্যাহতভাবে এগিয়ে চলার কারণে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো আস্তে-আস্তে শক্তিশালী হচ্ছে। গণতান্ত্রিক সংহতকরণ প্রক্রিয়া চলাকালে একে ব্যাহত করার উদ্দেশ্যে যারা ‘ষড়যন্ত্র’ করছে তারা প্রকৃত পক্ষে বাংলাদেশ বিরোধী এবং ‘গণতন্ত্র’ বিরোধী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। সর্বকালে এর উপস্থিতি এবং কখনো কখনো ব্যাপক তাত্পর্য বহন করা সত্ত্বেও রাষ্ট্রবিজ্ঞানে কিংবা সামাজিক বিজ্ঞানের অন্য কোন শাখায় ‘ষড়যন্ত্র’ অত্যন্ত স্বল্প গবেষণাকৃত একটি বিষয়। ইউনিভার্সিটি অব মায়ামি-এর রাষ্ট্রবিজ্ঞানের দু’জন সহযোগী অধ্যাপক জো প্যারেন্ট এবং জো উস্কিনস্কি Oxford University Press কর্তৃক প্রকাশিত তাদের গবেষণা গ্রন্থ ‘Conspiracy Theories in America’ –এ অতি উঁচু মাত্রার মৌলিক উপাত্ত একত্রিত করেছেন। ১৮৯০ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত জগদ্বিখ্যাত New York Times-এর Letters to the Editor কলামে যেসব চিঠিপত্র প্রকাশিত হয়েছে তার উপর ভিত্তি করেই তারা গবেষণা করেছেন। Letters to the Editor কলাম থেকে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের সময় লেখক-গবেষকদ্বয় ষড়যন্ত্রের প্রচলিত সংজ্ঞা অনুসারে যে কোডগুলো ব্যবহার করেছেন সেগুলো হলো (১) ‘একটি গোষ্ঠী,’ অর্থাত্ ষড়যন্ত্র করা হয় একটি গোষ্ঠী কর্তৃক; (২) ‘গোপনে কাজ করছে’ অর্থাত্ যে গোষ্ঠীটি ষড়যন্ত্র করছে তারা কাজ করছে গোপনে; (৩) ‘তারা এটি করছে প্রতিষ্ঠান পরবির্তন করতে, অন্যায়ভাবে ক্ষমতা দখল করতে, অথবা কোন কিছু লাভ করতে;’ (৪) ‘এই ষড়যন্ত্রের দ্বারা সাধারণ মানুষের কল্যাণ বাধাগ্রস্ত হয়, বলা চলে সাধারণ মানুষ ষড়যন্ত্রের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে।’ এই কোডগুলোর ভিত্তিতে বাংলাদেশের সাম্প্রতিককালের ষড়যন্ত্র সম্পর্কেও গবেষণা করা যেতে পারে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে ষড়যন্ত্রের কথা বলেছেন তা নিশ্চয়ই কোন গোষ্ঠী কর্তৃক করা হচ্ছে। তারা এটি করছে অত্যন্ত গোপনে। তারা অন্যায়ভাবে ক্ষমতা দখলের জন্য এটি করছে। আর সবশেষে এই ষড়যন্ত্রের দ্বারা বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কোন লাভ হচ্ছে না বরঞ্চ তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তবে যে রাষ্ট্রের গর্ভ থেকে বাংলাদেশের রক্তাক্ত অভ্যুদয় হয়েছিল, সেই পাকিস্তানের ইতিহাসও মূলত ষড়যন্ত্রের ইতিহাস। পাকিস্তান কখনোই গণতান্ত্রিক পথে এগিয়ে যেতে চায়নি। প্রথম গভর্নর জেনারেল কায়দে আযম মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ্র অকাল মৃত্যুর কারণে ঢাকার নবাব পরিবারের সন্তান স্যার খাজা নাজিমউদ্দীন ১৯৪৮ সালে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেলের পদে আসীন হন। এ সময় গভর্নর জেনারেলের পদটি ছিল আনুষ্ঠানিক এবং সরকারের নির্বাহী ক্ষমতা ছিল প্রধানমন্ত্রীর হাতে। প্রধানমন্ত্রী ছিলেন লিয়াকত আলী খান। ১৯৫১ সালের ১৬ অক্টোবর আততায়ীর গুলিতে লিয়াকত আলী খানের মৃত্যুর পর খাজা নাজিমউদ্দীন প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। কিন্তু গভর্নর জেনারেল মালিক গোলাম মোহাম্মদ কর্তৃক ১৯৫৩ সালের ১৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে খাজা নাজিমউদ্দীন অপসারিত হন। প্রায় সব ইতিহাসবিদগণই এ ব্যাপারে একমত যে, প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে স্যার খাজা নাজিমউদ্দীনের অপসারণ ছিল অনুচিত, অগণতান্ত্রিক এবং আপত্তিকর। কারণ খাজা নাজিমউদ্দীন তখনো পার্লামেন্টের আস্থা অর্জন করছিলেন। এই কাজটি পাকিস্তানের জন্য অস্বাস্থ্যকর ঐতিহ্য ও খারাপ নজির সৃষ্টি করেছিল। পাকিস্তানের পরবর্তীকালের ঘটনা প্রবাহ তাই প্রমাণ করে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে পাকিস্তানের সকল প্রকার ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশ সকল প্রকার ষড়যন্ত্র মুক্ত হবে এমনটাই আশা করা হয়েছিল। কিন্তু তা হয়ে ওঠেনি । একাত্তরে পাকিস্তানের পরাজয় এদেশের ‘পাকিস্তান প্রেমীদের’ মনো বেদনার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তাই তাদের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে ষড়যন্ত্র করে প্রায় সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করেছিল। আগস্ট মাস তাই আমাদের মনে করিয়ে দেয় ‘গণতান্ত্রিক’ পদ্ধতিতে নির্বাচিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার কর্তৃক যুদ্ধবিধ্বস্ত স্বাধীন স্বদেশ গড়ার নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবার সময় তাঁর বিরুদ্ধে ‘ষড়যন্ত্রের’ কথা। ১৯৭৫ সালের বর্বরতম হত্যাকাণ্ডের পর জেনারেল জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন। ১৯৭৭ সালের ‘রেফারেন্ডামে’ জেনারেল জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বাধীন তত্কালীন সরকার দাবি করেছিলেন যে শতকরা ৮৮.৫ ভাগ ভোটার ভোট দিয়েছেন। আর এই প্রদত্ত ভোটের মধ্যে তিনি অর্থাত্ জেনারেল জিয়াউর রহমান পেয়েছিলেন শতকরা ৯৮.৮৮ ভাগ ভোট। একইভাবে ১৯৮৫ সালের রেফারেন্ডামে জেনারেল এরশাদ দাবি করেছিলেন যে শতকরা ৭২ ভাগ ভোটার ভোট দিয়েছেন । আর এই প্রদত্ত ভোটের মধ্যে শতকরা ৯৪.১৪ ভাগ ভোটার তাকে সমর্থন করেছেন। জেনারেল জিয়াউর রহমান এবং জেনারেল এরশাদের শাসনামলে ভোট দেয়ার জন্য ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যাবার প্রয়োজন হতো না। এই দুই প্রেসিডেন্টের লোকজন বাক্সের মধ্যে ব্যালট পেপার ভরে দিত এবং একটি জালিয়াতি পরিসংখ্যান প্রকাশ করে দিত। প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক ও প্রেসিডেন্টের পদ ছিনিয়ে নিয়ে জেনারেল জিয়াউর রহমান ও জেনারেল এরশাদ দুটি প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত করেছিলেন ১৯৭৮ সালে একটি এবং ১৯৮৬ সালে একটি। তারা সাংবিধানিক ও নির্বাচনী আইনের কোন তোয়াক্কা না করেই নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেছিলেন এবং রাষ্ট্রের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা তাদের নিজেদের নির্বাচিত হবার স্বার্থে কাজে লাগিয়েছিলেন। জেনারেল জিয়াউর রহমান ও জেনারেল মোহাম্মদ এরশাদের শাসনামলে যেসব সংসদীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে সে সব নির্বাচনই হয়েছে এই দুইজন সামরিক এক নায়কের প্রতিষ্ঠিত দল যথাক্রমে বিএনপি ও জাতীয় পার্টিকে জয়ী করার জন্য। ১৯৭৯, ১৯৮৬ এবং ১৯৮৮-এর সংসদীয় নির্বাচনগুলোতে বিএনপি ও জাতীয় পার্টি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মর্যাদা সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দিয়ে ভূমিধস জয়লাভ করেছিল। শুধু তাই নয় ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি এককভাবেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে জয়লাভ করেছিল। ২০০১ সালের অক্টোবরে নির্বাচনের পরে সারা বাংলাদেশ ব্যাপী যে হত্যালীলা ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর যে অমানুষিক অত্যাচার হয়েছে তারই এক পর্যায়ে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গ্রেনেড হামলা করা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মহান স্রষ্টার রহমত ও নেতা-কর্মীদের মানব-ঢালের কারণে জীবনে রক্ষা পেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর শ্রবণেন্দ্রীয় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় আওয়ামী লীগ নেতা আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হয়েছিলেন। আহত হয়েছিলেন প্রায় ৩০০ জন। ২১ আগস্টের আগে ও পরে আরো অনেকবার প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশে হামলা করা হয়েছে। কিন্তু প্রতিবারই স্রষ্টা তাঁর জীবন রক্ষা করেছেন। লক্ষ্য করলে বোঝা যায় ১৯৭১-এর পরাজিত শক্তি, ১৯৭৫-এর হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্রকারী, ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার ষড়যন্ত্রকারী শক্তি সব একই। এই শক্তি ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেনি। কারণ তাদের মিত্র একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী ও মানবতা বিরোধী সংগঠন জামাত-ই- ইসলাম নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য ঘোষিত হয়েছিল। কাজেই জোট মিত্র সংগঠনের স্বার্থে তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি। অথচ দেশব্যাপী সংখ্যালঘুদের উপর আক্রমণসহ ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছিল। আর এখন তারা ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। এক্ষেত্রে এই মুহূর্তে অন্তত একটি উদাহরণ দেয়া প্রাসঙ্গিক হবে। আমরা দেখেছি এ বছর জুলাইয়ের তৃতীয় সপ্তাহে, হঠাত্ করে, জাতিসংঘের শান্তি রক্ষা মিশনে বাংলাদেশের কোন শান্তিরক্ষী না নেয়ার জন্য সুপারিশ করা হলো। প্রশ্ন হচ্ছে, ‘কার স্বার্থে বাংলাদেশ বিরোধী এই সুপারিশ করা হয়েছিল ?’ কিন্তু ১৯৭৫-এর বাংলাদেশ আর ২০১৪ সালের বাংলাদেশের মধ্যে অনেক পার্থক্য। তথ্য প্রযুক্তির উন্নতি ও প্রচার মাধ্যমের কারণে এখন সব তথ্য মানুষের হাতের কাছেই থাকে। মানুষ জানে ও বোঝে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত দশম জাতীয় সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী সরকার যে উন্নয়ন কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পরে আর কোনো সরকার এই ধরনের কাজ করতে পারেনি। আজ যে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশকে ‘এশিয়ান টাইগার’ হিসেবে আখ্যায়িত করছে তা এই সরকারের কারণেই। এই সরকার ক্ষমতায় আছে বলেই বাংলাদেশ স্বপ্ন দেখতে পারছে ২০২১ সালে মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালে উন্নত এক বাংলাদেশের। ‘গণতন্ত্রের’ ছদ্মাবরণে যারা ‘ষড়যন্ত্র’ করছে বাংলাদেশে তারা কখনোই সফল হতে পারেনি, ভবিষ্যতেও পারবে না। লেখক : চেয়ারম্যান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ ও পরিচালক, সাউথ এশিয়ান স্টাডি সার্কেল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন