দেশ ও জনগণের
স্বার্থে সমঝোতায়
আসুন
লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছিল স্বাধীনতা, পাকিস্তানী-দের শোষণ ও অধীনস্ত থেকে মুক্ত হলেও বাস্তবে দেশের মানুষ আজও স্বাধীন নয়। আমরা স্বাধীন একটি ভূ-খণ্ড পেয়েছি মাত্র। এখনও দেশের মানুষ উন্মুক্ত জীবন অতিবাহিত করতে পারছে না। চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী, হত্যা, গুম, অপহরণসহ নানা আতংকের মাঝে দিন কাটাচ্ছে। স্বাধীনতার ৪২ বছর পরও আমরা কি সেই স্বাধীনতা পাব না ? আমরা নতুন প্রজন্ম আশা করব সকল রাজনৈতিক সংগঠনগুলো “সঠিক আলোচনার মাধ্যমে, দেশের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে এবং গণতন্ত্র রক্ষার্থে সংলাপের মাধ্যমে সমঝোতায় আসুন” তাহলে দেশের মানুষ শান্তিতে থাকবে।
ছাইম মো. ইব্রাহীম
বিবিএস (১ম বর্ষ),
সরকারি মুজিব কলেজ,
কোম্পানীগঞ্জ, নোয়াখালী
===
আন্দোলন করতে হলে
এসি রুমের মধ্যে বসে নির্দেশ
দিলে আন্দোলন হয় না
সম্প্রতি বিএনপি নেত্রী সরকার পতন ঘটানোর জন্য সব মহলের প্রতি আহবান জানিয়ে তিনি ঈদের পরে আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছেন। বিএনপি নেত্রীকে বলবো এসি রুমের মধ্য থেকে নির্দেশ দিলেই আন্দোলন হয় না। আন্দোলন করতে হলে মাঠের শক্তি প্রদর্শন করতে হয়। আর শক্তি প্রদর্শন করতে হবে গণতান্ত্রিকভাবে। আন্দোলনের নামে জ্বালাও পোড়াও করলে জনগণের সমর্থন পাওয়া যাবে না। আন্দোলন করতে হবে নেতা-কর্মী দিয়ে। আর সে আন্দোলনের সামনের সারিতে থাকতে হবে আপনাদের প্রথম সারির নেতা-কর্মী। কোন ভাড়াটিয়া লোক দিয়ে আন্দোলন হয় না। গত ২০১৩ সালে আমরা দেখেছি আন্দোলনে অনেক নিরীহ লোককে অকাতরে প্রাণ দিতে হয়েছে, যা থেকে রক্ষা পায়নি বি.জি.বি, পুলিশ পর্যন্ত। তাই বিএনপি নেত্রীকে বলবো আন্দোলন করুন গণতান্ত্রিকভাবে। কোন সহিংসতা, নাশকতা দিয়ে নয়।
মো. ইলিয়াছ সুমন,
শিক্ষার্থী বি.এ,
সাউথ সন্দ্বীপ কলেজ, সন্দ্বীপ
===
এই ডাক থেকে
বিরোধী দলকে থেমে
থাকা উচিত
বিরোধী দলীয় নেত্রী যে সরকার পতনের ডাক দিয়েছে তা মূলত দেশের মানুষের মৃত্যুযজ্ঞ। কারণ এই পরিকল্পনায় দেশের সমস্ত মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠবে। আমার মতে তাদের এই পরিকল্পনা হচ্ছে মানুষের রক্তপান। দেশের অর্থনৈতিক বিপর্যয় ঘটবে। দেশের জনগণ যে দলের সমর্থন করবে সেই দল ক্ষমতাই আসবে। কোন দল বা সরকারের জনগণকে নিয়ে খেলা করার অধিকার নেই। তাই অবশ্যই এই ডাক থেকে বিরোধী দলকে থেমে থাকা উচিত ।
সুদীপ কুমার বিশ্বাস
সরকারি বঙ্গবন্ধু কলেজ, গোপালগঞ্জ,
এইস এস সি শেষ (অনার্স এপ্লিকেন্ট)
====
আন্দোলন যেন না হয় জনগণের
ক্ষতির , তা যেন হয়
জনগণের মুক্তির আন্দোলন
বর্তমানে তারা যে বিষয়ে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে তা অনেকাংশে যৌক্তিক, কেননা বিগত নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে এখনও জনমনে অনেক প্রশ্ন রয়েছে। এই প্রশ্নবিদ্ধ ব্যাপারে আন্দোলন তখনই সফলতার মুখ দেখবে যখন জনগণ এই আন্দোলনে অংশগ্রহণ করবে। কিন্তু যেভাবে আমার দেশের রাজনীতিবিদরা নিজের গা বাঁচিয়ে আন্দোলন করতে চায় তাতে জনগণের দেখা কতটা মিলে তাই এখন দেখার বিষয়। তবে ছাত্র হিসেবে আমাদের একটাই আশা- আন্দোলনের নামে দেশের সম্পদ বা সাধারণ মানুষের যেন কোন ক্ষতি না নয়। সর্বশেষে নচিকেতার গানের সুরের অনুকরণে বলতে চাই: ‘একদিন ঝড় থেমে যাবে, আমার এই দেশ আবার শান্ত হবে’ ।
মো. রাশেদুজ্জামান রাসেল
কৃষি অনুষদ, লেভেল-০৪, সেমিস্টার-০১
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
===
আন্দোলন মানে
রক্তপাত নয়
আমরা চাই যত আন্দোলন হয় হোক, কিন্তু সেদিনকার মতো রক্তপাতের আন্দোলন না হোক। গণতন্ত্রের সারাংশ বর্তমান রাজনীতিকরা বুঝে না। কেননা গণতন্ত্রের প্রবক্তা এরিস্টটল গণতন্ত্রের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেছিলেন: “আমার অধিকার হলো তোমার মতের বিরোধিতা করার, কিন্তু আমার দায়িত্ব হলো আমার জীবন দিয়ে তোমার মতামত প্রতিষ্ঠা করা; যদি সেটার আমার মতের চেয়ে ভালো হয়।”
মো. আবুল কাশেম
সখীপুর, আবাসিক মহিলা কলেজ
সখীপুর, টাঙ্গাইল
