পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী সেদেশের দুটি বিমানঘাঁটিতে হামলার ঘটনাকে নস্যাত্ করে দিয়েছে। শুক্রবার অস্ত্রধারীরা বেলুচিস্তান প্রদেশের রাজধানী কোয়েটার সামুংলি ও খালিদ বিমানঘাঁটিতে হামলা চালালে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ১০ হামলাকারী নিহত হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ওইদিন হামলাকারীরা গ্রেনেড ও স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র নিয়ে কোয়েটার শহরতলিতে সামুংলি ও খালিদ বিমানঘাঁটিতে হামলা চালায়। এ সময় নিরাপত্তা বাহিনী শক্ত অবস্থানের কারণে হামলা দুটো তারা নস্যাত্ করে দিতে সক্ষম হয়। তারা হামলাকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে থাকলে ১০ অস্ত্রধারী নিহত হয়। এতে একজন আহত হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অজানা স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মকর্তারা। বেলুচিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরফরাজ বুগতি বলেছেন, নিহত অস্ত্রধারীরা উজবেকিস্তান থেকে এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কোয়েটায় দুর্বৃত্ত ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে প্রায় ৪ ঘণ্টা ধরে চলা লড়াই শেষ হয়েছে বলে গণমাধ্যম কর্মীদের জানিয়েছেন বেলুচিস্তান পুলিশের প্রধান মুহাম্মদ উমলায়েশ। এ সময় নিরাপত্তা বাহিনীর ১১ সদস্য আহত হয়েছেন বলেও জানান উমলায়েশ। আহতদের কোয়েটা ক্যান্টনমেন্টের সামরিক হাসপাতালে চিকিত্সার জন্য ভর্তি করা হয়েছে।
খালিদ বিমানঘাঁটি থেকে ১১টি রকেট লাঞ্চার ও সামুংলি বিমানঘাঁটি থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উমলায়েশ। বিমানবন্দর ও বিমানঘাঁটিতে প্রবেশ ও বের হওয়ার সব পথে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
