জনসম্পৃক্ততা ছাড়া আন্দোলন কস্মিনকালেও চূড়ান্ত
সাফল্যের মুখ দেখবে না
রাজনীতির মাঠে এখন নিজেরাই উধাও। নয়াপল্টনের গদিতে বসে গরম গরম বক্তব্য আর ভিনদেশী লবিস্টদের কাছে ধরনা দিলে যে আন্দোলন হয় না তার প্রমাণ পাওয়া যায় নামেমাত্র কর্মীবিহীন ব্যানার মিছিল দেখে। তাছাড়া সুবিধাবাদীদের ভারে বিএনপি নুয়ে পড়ছে। যার সংস্কার না হলে আগামীদিনের রাজনীতির ময়দানে বিএনপির অস্তিত্ব নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। কাজেই বিরোধীদলের কেন্দ্রীয় নেতাদেরকেই আগে মাঠে নেমে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করতে হবে। পাশাপাশি যৌক্তিক ইস্যুটা আমজনতাকে বুঝিয়ে জনমুখী আন্দোলন করতে পারলে ইতিবাচক কিছু একটা ঘটতে পারে।
শরীফুল ইসলাম শরীফ
বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি-৪র্থ বর্ষ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
বিএনপিকে অনুরোধ কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিবেন না
দেশ ও জনগণের দোহাই দিয়ে সরকারি দল ও বিরোধী দল তাদের স্বার্থ হাসিল করে নিচ্ছে। তাতে জনগণ পাচ্ছে কি? দেশেরই কি বা উন্নতি? আন্দোলনের নামে করা হয় ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ, মানুষ হত্যা। তাতে দেশ হারাচ্ছে সম্পদ, জনগণ হারাচ্ছে সন্তান। বিএনপি তথা বিরোধী দলের এমন প্রতিহিংসামূলক আন্দোলন বাংলাদেশকে রাক্ষসপুরীতেই পরিণত করেছে। কোন দলের এতটুকুও ছাড় নেই। যেটা আছে সেটা দুঃখ। দরিদ্র মানুষের বুকে ঘা তৈরি করেছে। তাই বিএনপিকে অনুরোধ জানাবো— ‘কাটা ঘায়ে আর নুনের ছিটা দিয়েন না’। যদি পারেন শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করুন।
মো. তরিকুল ইসলাম তারেক
ফাইনাল ইয়ার (বাংলা)
কারমাইকেল কলেজ, রংপুর
