বিএনপির সরকার পতনের আন্দোলন করা ঠিক হবে না
পুরো রাজধানী আছে সরকার দলের নিয়ন্ত্রণে এবং পুরো দেশে সরকারি দলের নেতা-কর্মীর আছে স্বকীয় অবস্থান। তার সাথে আছে আইন-শৃংখলা বাহিনী। বি.এন.পি সর্বশেষ যে আন্দোলন করেছিলো তাতে রাজধানী জুড়ে ছিল শতভাগ ব্যর্থতার ছাপ। এছাড়া বি.এন.পি সরকার পতনের মত এত বড় আন্দোলনের আগে তাদের দলের ঐকমত্য সৃষ্টি ও কোন্দল মিটাতে পারে নাই। আর যেকারণে আন্দোলনের ভিত তৈরি হবে সেখানে কোন্দল দৃশ্যমান ও চরমে। বি.এন.পির উচিত হবে তাদের দলের ঐকমত্য সৃষ্টি করা।
সরকারের ব্যর্থ দিকগুলো (যেমন-মানুষের নিত্যদিনের দুর্ভোগ, হয়রানি) এবং তথাকথিত বাক্য হতে বের হয়ে এসে গঠনমূলক বক্তব্য মানুষের সামনে তুলে ধরা। সর্বশেষ যেটা হল সুকৌশলে সরকারের উপর দেশি-বিদেশি কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা। সেটাই হবে দেশের জন্য শতভাগ উত্তম ও বি.এন.পি দলের জন্য তো বটেই।
মো. ইমরান কবির,
৯ম সেমিষ্টার, ব্যাচ-১১০৩,
বিভাগ-ই.ই.ই,
গ্রীন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ।
জনগণের পাশে
দাঁড়ান
মানুষকে পুড়িয়ে মারা বন্ধ করে জনগণের পাশে দাঁড়ান। বিএনপি হরতাল-অবরোধের নামে যখন মানুষ পুড়িয়ে মারার উত্সবে মেতে উঠেছিল, তখন বাঙালি জাতি ছিল নির্বাক, বাংলাদেশ স্তব্ধ। খবর ও বিভিন্ন মিডিয়া চ্যানেল দেখে আমার শরীর শিহরে উঠেছিল, চোখে পানি চলে এসেছিল। আর মনে প্রশ্ন জেগেছিল আমরা কি এতোটাই অসহায়।
মো: আশিকুর রহমান,
কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগ,
ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।
আন্দোলনে না যাওয়াই ভালো
ক্ষমতার লোভে দেশকে অস্থিতিশীল করার কোন চেষ্টাই আমরা ছাত্রসমাজ মেনে নিতে পারি না। বিএনপির আন্দোলনে জনদুর্ভোগ বাড়বে, অনেক অসহায় মানুষ মারা যাবে। আর তাই আমার মনে হয়, দেশবাসীর কল্যাণ ভেবে বিএনপির সরকার পতনের আন্দোলনে না যাওয়াই ভালো। এতে দেশবাসী উপকৃত হবে।
সাইদুল বসার রাসেল,
কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগ,
ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল
ইউনিভার্সিটি।
আন্দোলন হোক
শান্তিপূর্ণ
এবারের সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ না করলেও দেশের জনগণ মনে করে বিএনপিই বাংলা-দেশের শক্তিশালী বিরোধী দল। আর বিরোধী দল হিসেবে বিএনপিকে অবশ্য-অবশ্যই আন্দোলনে নামতে হবে। তা না হলে দেশের সাধারণ মানুষ সরকারের দোষত্রুটি ধরতে পারবে না। একমাত্র বিরোধী দলই পারে সরকারের টনক নাড়াতে। সরকারের মুখোশ খুলতে বিরোধী দলের ভূমিকা অপরিসীম। কিন্তু আন্দোলনের নামে যদি হয় জ্বালাও, পোড়াও তবে বিএনপির প্রতি সাধারণের যে বিশ্বাস আছে সেটা ধূলিসাত্ হয়ে যাবে। তাই বিএনপিকে আহ্বান জানাই শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন গড়ে তুলতে।
মোরছালিন লিটন,
কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগ,
ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল
ইউনিভার্সিটি,
বিএনপি চোরাগলিতে পথ হারিয়ে
ফেলেছে
দেশে বিরোধী দল ও সরকারি দল উভয়ই থাকবে, আন্দোলনও থাকবে। দেশটা কোন রাজনৈতিক দলের পৈতৃক সম্পত্তি নয়, একে নিয়ে ভাগাভাগি করবেন, প্রবঞ্চনা করবেন। পশ্চিমা বিশ্বের দিকে তাকিয়ে দেখেন তারা রাজনীতি করে প্রতিদ্বন্দ্বী নয় বরং প্রতিযোগী হয়ে। একটি রাজনৈতিক দল অন্য একটি রাজনৈতিক দলকে শ্রদ্ধা-সম্মান করে মিডিয়ার সামনে কথা বলে। তাই বিএনপিকে বলছি আপনারা সরকার পতনের আন্দোলন করতে গিয়ে যে চোরাগলিতে নিজেদের পথ হারিয়ে ফেলেছেন তার পথ আগে খুঁজে বের করে সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন।
মো: কামরুল হাসান,
দর্শন বিভাগ,
ঢাকা কলেজ।
