বাঁশখালীর কাথরিয়া ইউনিয়নের সোনাইছড়ি খাল এবং মানিক পাঠান খাল দীর্ঘদিন পর খনন করায় অনাবাদি ৩ হাজার একর জমিতে চাষ শুরু হয়েছে। বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে নানা ফসলের চাষাবাদে ৫ হাজার কৃষক পরিবারে হাসি ফুটেছে।
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) খাল খননের পাশাপাশি কৃষকদের বীজ সংরক্ষণের জন্য মানিক পাঠান গ্রামে ‘বীজ গ্রাম’ এবং কৃষকদের যোগাযোগ বৃদ্ধির জন্য ‘ফুট ব্রিজ’ স্থাপন করেছে। বর্তমানে খনন করা খালে শুষ্ক মৌসুমে জমা রয়েছে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে সেচের পানি।
স্থানীয় কৃষকদের দাবি, বর্ষা মৌসুমেও জলাবদ্ধতা হওয়ার সম্ভাবনা নেই, বর্ষা মৌসুমেও চাষাবাদ করা যাবে। স্থানীয় কৃষক আব্দুর শুক্কুর বলেন, আমার পৈতৃক পাঁচ কানি জমি থাকলেও এত দিন চাষাবাদ করতে পারিনি। জমিগুলো বোঝা হিসেবে ছিল, এখন চাষাবাদ করে প্রচুর ধারকর্জ পরিশোধ করেছি।
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, খাল খননের পর ঐ স্থানের ৩ হাজার একর অনাবাদী জমিতে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি পেয়ে চাষাবাদ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি আমাদের চলমান অন্যান্য প্রকল্পের মাধ্যমে বীজ সংরক্ষণ ও চাষাবাদের ব্যাপারে কৃষকরা প্রশিক্ষিত হয়েছে। বেড়েছে গ্রামীণ যোগাযোগ ও অর্থনীতির চালিকাশক্তি।
