দশমিনায় সবুজের মাঠ জুড়ে ফুটে রয়েছে সূর্যমুখীর হাসি। সেই হাসিতে যেন কৃষকের মুখেও স্বস্তির হাসি দেখা যাচ্ছে। দৃষ্টিকাড়া ফুলের সৌন্দর্য দেখতে প্রতিদিন বিকেলে ভিড় করছে সব বয়সের নারী-পুরুষ। সবুজ গাছের মাথায় হলুদ ফুল বাতাসে দুলছে, অন্যদিকে মৌমাছি ও প্রজাপতি ফুলের ওপরে ঘুরছে।
কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা যায়, দশমিনা উপজেলায় গত বছর ২০ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী চাষ করা হলেও চলতি বছরে ৪৫ হেক্টর জমিতে চাষ করা হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর ২০ হেক্টর বেশি জমিতে সূর্যমুখীর চাষ করা হয়েছে।
কৃষক সুলতান সরদার বলেন, গত বছর এক একর জমিতে সূর্যমুখী চাষ করে ফলন ভালো পাওয়ায় এ বছর প্রায় তিন একর জমিতে সূর্যমুখীর চাষ করেন। সূর্যমুখীর ফুল ও ফল ভালো দেখে সুলতান সরদারের মুখে এখন স্বস্তির হাসি।
কৃষক মোতাহার চৌকিদার, আলম সরর্দার, জাফর ও নজরুল মৃধা বলেন, এ বছর কৃষি দপ্তর থেকে বীজ, সার, ওষুধসহ বিভিন্ন সহযোগিতা করায় প্রায় ১০ একর জমিতে সূর্যমুখী চাষ করেছি। কৃষি অফিসের নজরদারিতে ভালো ফলন হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জাফর আহম্মেদ বলেন, কৃষকদের বিভিন্ন প্রণোদনা দিয়ে সূর্যমুখী চাষে উদ্বুদ্ধ করেছি এবং আমাদের কৃষি অফিস থেকে সূর্যমুখীর খেত সার্বক্ষণিক মনিটরিং করেছি। এ বছর উচ্চফলনশীল বীজ লাগানো হয়েছে। এতে ফলনও ভালো হয়েছে। গত বছরের তুলনায় আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় দ্বিগুণ ফলন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
