ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আবাসিক হলের ডাইনিং এবং ক্যাম্পাসের হোটেলগুলোতে খাবারের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদ ও মান নিশ্চিতে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (২৩ মে) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবন চত্বরে ইবি শাখা ছাত্রমৈত্রী এ মানববন্ধনের আয়োজন করে। এসময় সংগঠনটির অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি আব্দুর রউফ, সহ-সভাপতি আখতার হোসেন আজাদ বক্তব্য রাখেন।
এসময় বক্তারা বলেন, হলের ডাইনিং এবং ক্যাম্পাসের খাবারের দোকানগুলোতে ইচ্ছামতো দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে খাবারের হোটেলগুলোতে সুনির্দিষ্ট মূল্য তালিকা নেই। এ ছাড়া, কয়েক দিন আগেও বিভিন্ন হলের ডাইনিংয়ের খাবারে মাছি-শামুক পাওয়া গেছে।
এ অবস্থায় খাবারের মান বৃদ্ধির জন্য ডাইনিংয়ের ভর্তুকি ও নজরদারি বৃদ্ধির বিষয়ে অতিদ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা। সেইসঙ্গে বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয় হলগুলোর ডাইনিং এ বিদ্যমান রেশনিং ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, এমন নিয়ম চালু করা গেলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা স্বল্পমূল্যে পুষ্টিকর খাবার পাবেন।
পরে তারা উপাচার্য বরাবর খাবারের মান বৃদ্ধি সংক্রান্ত ৭ দফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি প্রদান করেন।
তাদের দাবিগুলো হলো- হলের ডাইনিংগুলোতে বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার করে আগের মূল্য নির্ধারণ করা। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পরামর্শ ব্যতিরেকে ও প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া হলের ডাইনিংগুলোতে হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধি বন্ধ করা। ক্যাম্পাসে অবস্থিত হোটেল ও হলের ডাইনিংয়ে পুষ্টিকর খাবারের মান নিশ্চিত করা।
খাবার পরিবেশনের স্থান ও রান্নাঘর পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা। হলের ডাইনিংয়ে ভর্তুকি বৃদ্ধি করা। ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে অবস্থিত হোটেলে খাবারের মূল্য প্রশাসন কর্তৃক নির্ধারণ করে মূল্য তালিকা প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করা। হলের ডাইনিংয়ে ও ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরের হোটেলে খাদ্যের মান ও দাম নিয়ন্ত্রণে বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন পূর্বক নিয়মিত তদারকি করা।
এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, ‘তারা আমাকে একটি স্মারকলিপি দিয়েছে। আমি তাদের স্মারকলিপি গ্রহণ করেছি। আমি কোনো আশ্বাস দেইনি, তবে আমি বিষয়টি দেখবো।’
