ই-কমার্স ব্যবসায়ীদের জন্য লিগ্যাল কন্সাল্টেন্সি উইং করতে চাই: আরিফ চৌধুরী

আপডেট : ১৫ জুন ২০২২, ১৯:৫৮

ই-ক্যাব নির্বাচনে ঐক্য প্যানেল থেকে নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন সদাগর.কমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফ মোহাম্মদ আব্দুস শাকুর চৌধুরী (আরিফ চৌধুরী)। আগামী ১৮ জুন শনিবার অনুষ্ঠিত হবে ই-কর্মাস ব্যবসায়ীদের সংগঠন ই-ক্যাবের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন। আরিফ চৌধুরী এবারই প্রথম প্রার্থী হয়েছেন এই নির্বাচনে। কথা হয় তার সঙ্গে নির্বাচনে অংশগ্রহন কেন নিয়েছেন এবং নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনি কি কি কাজ করতে চান, এছাড়াও আরো অনেক বিষয়ে। 

ই-ক্যাব নির্বাচনে নিজেকে যোগ্য প্রার্থী বলে মনে করছেন কেন, এমন প্রশ্নের জবাবে আরিফ চৌধুরী বলেন, আমি ১০ বছর এই ইন্ডাস্ট্রিতে এবং টোটাল ই-কমার্স ইকোসিস্টেমের বিভিন্ন কম্পোনেন্টে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। নিজে বিজনেস দাঁড় করাতে গিয়ে অনেক চড়াই-উৎরাই পার হতে হয়েছে। হতে হয়েছে অনেক বাধার সম্মুখীন, তাই আমি কিছুটা হলেও জানি এই সেক্টরের উন্নয়নে কি কি করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ই-কমার্স ব্যবসার প্রধান কম্পোনেন্ট হলো ওয়েবসাইট এবং অ্যাপ। আমার কোম্পানি স্কুপ ইনফোটেক লিমিটেডের মাধ্যমে কম খরচে সাইট এবং অ্যাপ ডেভেলপ করে। বিটুবি কোম্পানি সদাগর.কমের মাধ্যমে অনলাইন ব্যবসায়ীদের এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের ব্যবসায়ীদের পণ্যের সোর্সিং সহজীকরণ, ক্ষুদ্র উৎপাদনকারীর পণ্য সারাদেশে ডিস্ট্রিবিউশন, দেশী পণ্যের বিদেশী বাজার সম্প্রসারণ, সদাগর প্লাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত ক্ষুদ্র অনলাইন উদ্যোক্তাদের জামানতবিহীন লোনের ব্যবস্থা, ব্যবসায়ীদের জন্য স্মার্ট লজিস্টিক ব্যবস্থা, অনলাইন কোরবানি হাট, শষ্য উৎসব (কৃষকের পণ্যের অনলাইন বিপনন) ইত্যাদি।

এই নির্বাচনে নিজ প্যানেল সম্পর্কে তিনি বলেন, আমরা ব্যবসায়ীবান্ধব ই-ক্যাব গঠনে ঐক্যবদ্ধ প্যানেল। আমরা নির্বাচনের আগে যেভাবে আছি পরেও একইভাবে ই-ক্যাব মেম্বারদের কল্যাণে কাজ করে যাবো, আমরা নির্বাচিত হই বা না হই। আমাদের প্যানেলের মোটো এগিয়ে চলি একসাথে।

নির্বাচনী এজেন্ডার বিষয়ে আরিফ চৌধুরী বলেন, নির্বাচনের এজেন্ডা ইউনিকনেস হতে হয় না। সাধারণ সদস্যদের কাছে যেতে হয়। তাদের দাবিগুলো নিয়ে কাজ করলেও হয়। সাধারণ সদস্যরা তেমন কিছুই চায় না। সব সময় তাদের দাবি থাকে সংগঠন নিয়ে ভালো কাজ করা। আমরা আমাদের নির্বাচনের এজেন্ডা সমস্যদের দাবি নিয়েই কাজ করা। আর এই কারণেই আমাদের ভোট দেবে ভোটাররা। তারপরও আমাদের এজেন্ডার মধ্যে রয়েছে ই-কমার্স ইন্সটিটিউট, ই-ক্যাবের নিজস্ব অফিস ভবন, লিগ্যাল কনসাল্টেশন উইং, ব্যবসায়ীদের জন্য কল্যাণ তহবিল ও ই-কমার্স পণ্যের মাইক্রো ইন্স্যুরেন্স।

ইত্তেফাক/জেডএইচডি