এশিয়া প্যাসিফিক সিডস ফর দ্যা ফিউচার উদ্বোধন 

আপডেট : ১৯ আগস্ট ২০২২, ১৯:১৮

এশিয়া প্যাসিফিক সিডস ফর দ্যা ফিউচার-২০২২ উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার (১৯ আগস্ট) আসিয়ান ফাউন্ডেশন ও ট্যুরিজম অথোরিটি অব থাইল্যান্ডের (টিএটি) সঙ্গে মিলিতভাবে হুয়াওয়ে এ উদ্বোধন করে। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন-থাইল্যান্ডের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও বাণিজ্য মন্ত্রী জুরিন লাকসানাউইজিত, বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, আসিয়ানের মহাসচিব দাতো লিম জক হই, আসিয়ান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ইয়াং মি এং, হুয়াওয়ে অ্যাসিয়া প্যাসিফিকের প্রেসিডেন্ট সাইমন লিন। এছাড়া সরকারি কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। 

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পক্ষের অংশীদারিত্বে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে একটি শক্তিশালী ডিজিটাল ট্যালেন্ট ইকোসিস্টেম তৈরির ব্যাপারে অনুষ্ঠানে গুরুত্ব আরোপ করেন বক্তারা।   

শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, ‘আমাদের নারী শিক্ষার্থীদের স্টেমভিত্তিক (এসটিইএম: সায়েন্স, প্রযুক্তি, প্রকৌশল, গণিত) শিক্ষায় অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি তাদের বিকাশে সমান সুযোগ তৈরি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর প্রয়োজনীয়তা বেড়েই চলেছে। আর এক্ষেত্রে সিডস ফর দ্যা ফিউচার নিবেদিতভাবে কাজ করছে। বাংলাদেশ থেকে পাঁচজন মেধাবী নারী এই ক্যাম্পে অংশগ্রহণ করছে। এজন্য আমরা আনন্দিত। আমার বিশ্বাস, তাদের সাফল্য বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে অবদান এবং নারীদের ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখবে।’

এছাড়া হুয়াওয়ে এশিয়া প্যাসিফিকের প্রেসিডেন্ট সাইমন লিন বক্তব্য রাখেন। প্রোগ্রামটি যৌথভাবে উদ্বোধন করেন আসিয়ান ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী ড. ইয়াং মি এং, টিএটি’র ডিজিটাইজেশন রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের ডেপুটি গভর্নর নিথী সিপ্রে, হুয়াওয়ে এশিয়া প্যাসিফিকের প্রেসিডেন্ট সাইমন লিন এবং হুয়াওয়ে থাইল্যান্ডের প্রধান নির্বাহী আবেল ডেং। 

আগামী ১৯ থেকে আগস্ট ২৭ আগস্ট পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য প্রোগ্রামে বাংলাদেশের আটজনসহ এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের ১৬টি দেশের ১২০ জন শিক্ষার্থী থাইল্যান্ডে একটি ডিজিটাল বুট ক্যাম্পে অংশগ্রহণ করবেন। এই বুট ক্যাম্পের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা প্রযুক্তিগত বিষয়ে জ্ঞান এবং আন্তঃসাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে অনন্য অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন। পাশাপাশি, তারা টেকফরগুড প্রকল্পের মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সমাধানের প্রস্তাবও উপস্থাপন করবেন। এ বছর ১২০ জন অংশগ্রহণকারীর মধ্যে ৫৬ জন নারী। ২০০৮ সালে এ প্রোগ্রাম শুরু হওয়ার পরে এবারই সবচেয়ে বেশি নারী অংশগ্রহণ করবেন।  

ইত্তেফাক/এএএম

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন