শুক্রবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২২, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

ডায়েট করেও ওজন কমাতে পারছেন না? 

আপডেট : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৫:৫৪

ওজন কমাতে সবাই বিভিন্ন ডায়েট অনুসরণ করেন। শুরুতে কিছু ওজন কমলেও দীর্ঘমেয়াদী তা কার্যকরী হয় না। অতিরিক্ত ক্ষুধা লাগার ফলে অনেকেই কিছু বদভ্যাস গড়ে তোলেন যে আর ওজন কমানো সহজ থাকে না।

এজন্যে অনেকে ডায়েট শুরু করেন ও পছন্দসই নানা খাবার খেয়ে ওজন আবার বাড়িয়ে ফেলেন। একই চক্রের পুনরাবৃত্তি ঘটলে ওজন কমানোয় হতাশা কাজ করতে পারে। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা কি বলেন? মূলত কি কি কারণে ডায়েট অনুসরণে কোনো কাজ হয় না? চলুন জেনে নেই: 

ওজন কমানোর ডায়েট অনুসরণ করার সময় ঘেরলিনের মাত্রা বাড়ে

ঘেরলিনের মাত্রা বাড়ে

ওজন কমানোর ডায়েট অনুসরণ করার সময় ঘেরলিনের মাত্রা বাড়ে। এটি মূলত ক্ষুধা প্ররোচনাকারী হরমোন। এই হরমোন বাড়লে প্রচণ্ড ক্ষুধা লাগে অথবা ঘন ঘন ক্ষুধা লাগে। ফলে আপনি হয়তো দিনে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ভাগে খাবার খেলেও পরিমিত মাত্রার বেশি খেয়ে ফেলতে পারেন। খাদ্যতালিকায় তাই এমন খাবার রাখতে হয় যাতে ক্ষুধা বেশি না থাকে।

স্নায়বিক পথে পরিবর্তন

ওবেসিটিতে আক্রান্ত যে কারো ডায়েট করার সময় স্নায়বিক প্রতিক্রিয়া পরিবর্তিত হয়। ওজন কমানোর ডায়েট জিএলপি ১ ও পিওয়াওয়াই এর মতো অন্ত্রের হরমোন ক্ষুধা দমন, তৃপ্তি, ক্ষুধা, রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ সহ আরো কিছু কাজ করে। ওবেসিটির সঙ্গে ইনসুলিন ও লেপটিন প্রতিরোধের সঙ্গে যুক্ত। ফলে আপনার খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আসে কারণ খাবারের প্রতি লোভ বাড়ে এবং তৃপ্তি কম পান খেয়ে।

ওবেসিটি নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়া প্রজাতিকে বাড়িয়ে বা কমিয়ে দিতে পারে

ব্যাকটেরিয়ার আস্তরণ

বেশ কয়েকটি গবেষণায় জানা গেছে ওবেসিটি নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়া প্রজাতিকে বাড়িয়ে বা কমিয়ে দিতে পারে। ওজন বাড়ানোর ক্ষেত্রে এটিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

মিষ্টি স্বাদে কম সংবেদনশীল থাকা

ওবেসিটিতে আক্রান্ত মানুষেরা মিষ্টি স্বাদের প্রতি কম সংবেদনশীল হওয়ায় অনেক বেশি মিষ্টি তারা খেতে পারেন। এতে ডায়েট করলেও মিষ্টি বেশি খাওয়ায় ওজন বাড়তে থাকে। আর মিষ্টি স্বাদের প্রতি সংবেদনশীল হওয়ায় তারা বুঝতেও পারেন না কেন এমনটা হচ্ছে। 

ইত্তেফাক/আরএম

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন