সকালে কানে ইয়ারফোন গুজে জগিং এ বের হওয়ার দৃশ্য আমাদের অপরিচিত কিছু নয়। আমরা যখনই একটানা হাঁটি, কানে হেডফোন লাগিয়ে নেই। বিশেষত শরীরচর্চার সময় গান গাওয়ার উপকারিতা কি? এ দুয়ের মধ্যে বৈজ্ঞানিক যোগসূত্রও আছে। এমনকি যারা একে ভালো কিছু মনে করেন না, তাদেরও কিছু বিষয় জেনে নেওয়া ভালো:
ব্যায়ামে ছন্দ আনে
শরীরচর্চা শুরু করার সময় ছন্দ খুঁজে না পাওয়া স্বাভাবিক। বিশেষজ্ঞরা বলেন, এ সময় অন্তত নিজের জন্যে আরামদায়ক পরিবেশ গড়ে তুলতে পারা ভালো। সেক্ষেত্রে গান চালু করে দিন। এতে দ্রুত ব্যায়ামের তাড়না তৈরি হবে। এমনকি ব্যায়ামের সময় আপনি উদ্দীপ্ত থাকবেন।
শরীরচর্চার গতি বাড়ে
স্ট্রেস অনেক সময় ব্যায়ামের গতি কমিয়ে দেয়। মানসিকভাবে আপনার চাপ বাড়ে। সেক্ষেত্রে জিমের জন্যে একটি ভালো প্লেলিস্ট বানিয়ে নিতে পারেন। মনোযোগ স্ট্রেসে না দিয়ে কিছুটা আনমনে ব্যায়াম সেড়ে নিন।
চটপটে থাকবেন
গান অনেক সময় আপনাকে চটপটে রাখে। গানের ধরন ও ভলিউম নির্ধারণ করতে পারে আপনার পরিশ্রমের মাত্রা। পছন্দসই গান আপনাকে চটপটে রাখতে পারে।
শান্ত থাকতে পারবেন
গান আপনাকে সুস্থির করতে সাহায্য করে। সে সব গানে বিট পার মিনিট ৮০-১১৫ এর মাঝে থাকে সে সমস্ত গান শুনলে হৃদস্পন্দন ধীর হয়ে আসে। এমনকি স্ট্রেসের সময় কম বিটের গান উত্তেজনা কমায়। এটি আত্মনিয়ন্ত্রণের জন্যে জরুরি।
কঠিন কাজ হোক আনন্দময়
একটানা ব্যায়াম একসময় কঠিন মনে হয়। প্রথম কদিন পরই বিরক্ত আসতে পারে। কিন্তু ব্যায়াম আনন্দময় হয়ে উঠলে আপনিও নিয়মিত হয়ে উঠবেন। গান শোনার মাধ্যমে কঠিন কাজেও মনোনিবেশ করা সম্ভব।
