ভবন নির্মাণে চাঁদা না দেওয়ায় এক প্রবাসীকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে মিরসরাই সদর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের (ইউপি) সদস্য আবদুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী রাসেল ওই গ্রামের মো. আবুল কাশেমের ছেলে।
আহত প্রবাসীর বাবা মো. আবুল কাশেমের ভাষ্য, মিরসরাই সদর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড উত্তর তালবাড়িয়া জামালের দোকান এলাকায় পৈত্রিক জমিতে ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করেন তিনি। ইউনিয়ন পরিষদের অনুমোদন ছাড়া ঘরের কাজ করা যাবে না বলে বাধা দেন এবং ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। আমি তাকে ৫০ হাজার টাকা দিই। দাবিকৃত বাকি টাকা না পেয়ে গত শনিবার (০৬ নভেম্বর) ইউপি সদস্য মামুনসহ তার লোকজন আমার বাড়িতে হামলা করে ভাঙচুর চালায় ও নির্মাণাধীন ভবনের ক্ষতি করে।
এ ঘটনায় ওই দিন সন্ধ্যায় ইউপি সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ পাঁচ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত ২০ জনকে আসামি করে মিরসরাই থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করলে মামুন ক্ষিপ্ত হয়। মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় আমার ছেলে রাসেলকে পিস্তল ও অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে মিরসরাই বিসিক শিল্পনগরী এলাকায় নিয়ে মারধর করে। পরে স্থানীয়রা মিরসরাই থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
অভিযুক্ত ইউপি সদস্য আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, স্থানীয় আবুল কাশেম আমার বিরুদ্ধে চাঁদা নেওয়ার যে অভিযোগ করছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমি অপহরণ বা চাঁদাবাজির সঙ্গে সম্পৃক্ত নই।
মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, প্রবাসী রাসেলের ওপর হামলার বিষয়ে কেউ থানায় অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুরো ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে।
