রোববার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
The Daily Ittefaq

থানার পাশের পতিত জমিতে শাক সবজি, খুশি পুলিশ সদস্যরা

আপডেট : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২০:১৭

সাধারণভাবে আমাদের দেশে থানাগুলোর আশেপাশে পতিত জমিগুলো দেখা যায় নানারকম ময়লা আবর্জনায় ভর্তি থাকে। কোথাও বা গাড়ির ডাম্পিং থাকে। মাঝে মাঝে অবশ্য ব্যতিক্রমও দেখা যায়। তেমনই একটি পটুয়াখালীর মহিপুর থানা।

থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খোন্দকার মো:আবুল খায়ের পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি পতিত জমিতে  সবজি চাষ করে চমক দেখিয়েছেন। নিজের হাতে সবজি বাগান পরিচর্চা করে প্রশংসিত হচ্ছেন তিনি।

মহিপুর থানার আঙ্গিনায় পতিত জায়গায় প্রাকৃতিক জৈব সার ব্যবহার করে বিষমুক্ত ১৫ প্রজাতির সবজি চাষ করার ফলে পাল্টে গেছে থানা কম্পাউন্ডের দৃশ্যপট। চারদিকের সবুজ দৃশ্য থানায় সেবা নিতে আসা মানুষের নজর কেড়েছে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, চারদিকে ইটে ঘেরা চত্বর এখন ফসলের মাঠ। সেখানে গাছে গাছে জুলছে শিম, টমেটো, বেগুন, ঢেঁড়স,মিষ্টি কুমড়া, বাঁধাকপি, ফুলকপি, লাউ, লালশাক, ডাটাশাক, পুঁইশাক, ধনিয়া পাতা, ভুট্টাসহ নানা রকমের সবজির ও ফলের বাগান ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা ও পটুয়াখালীর পুলিশ সুপার মো: সাইদুল ইসলাম এর নির্দেশনা মতে বাড়ির আঙ্গিনাসহ পতিত জায়গা খালি না রেখে সবজি চাষ করার আহ্বানে মহিপুর থানার ওসি খোন্দকার মো :আবুল খায়ের  থানার পতিত জমিতে শীতকালীন সবজি চাষের এ উদ্যোগ নেন।

মহিপুর থানার এস আই আসাদুজ্জামান জুয়েল বলেন,আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় থানা কম্পাউন্ডে সবজির বাম্পার ফলন হয়েছে ডিউটির ফাঁকে ফাঁকে অবসর সময়ে সবজি বাগান ও ফলজ বাগানে সকালে ও বিকেলে আমরা সকলে উৎসাহ নিয়েই কাজ করি।

এ এস আই ইব্রাহিম বলেন, সবজি বাগানের সামনে দাঁড়ালে মনে হয় নিজের বাড়িতেই আছি। আমরা পুলিশ সদস্যরা নিজেদের হাতেই সবজি বাগান থেকে লাউ, শাক, কুমড়া তুলে খাওয়ার যে স্বাদ সেটা সবাই উপভোগ করি।

থানা আঙ্গিনায় সবজি চাষ সর্ম্পকে জানতে চাইলে মহিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খোন্দকার মো:আবুল খায়ের বলেন, প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার নির্দেশনা থেকেই থানার আঙিনায় ফাঁকা জায়গায় সবজি উৎপাদনের চিন্তা মাথায় আসে। সে চিন্তা থেকেই সবজি চাষ শুরু করেছি। এবং সাফল্যও পেয়েছি। নিজের হাতে উৎপাদিত সবজি দিয়ে এ থানায় কর্মরত পুলিশ সদস্যদের ৫০ শতাংশ চাহিদা পুরন হচ্ছে। এসময় তিনি সবাইকে পতিত জমিতে সবজি চাষের আহবান জানান।

ইত্তেফাক/এসসি