জাগো’র বার্ষিক বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত

আপডেট : ১১ মার্চ ২০২৩, ২১:৫৭

জাগো ফাউন্ডেশনের বার্ষিক বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১১ মার্চ) বিকাল ৩ টায় রাজধানীর গুলশান ২-এর বেঙ্গল ব্লুবেরি হোটেলে এ বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত হয়। সামিট গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান এ মেলা উদ্বোধন করেন। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট উপস্থিত ছিলেন।

সামিট গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান বলেন, ‘বিজ্ঞান মেলায় এসে আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে গেছি। বিজ্ঞানের থেকে ভালো জিনিস আর নেই। প্রথম যখন মানুষ আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে, তখন থেকে মানব সভ্যতা শুরু হয়েছে।’ এ সময় শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান চর্চার প্রতি আহ্বান জানান তিনি। 

বিজ্ঞান মেলায় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ। ছবি: ইত্তেফাক

শেলডন ইয়েট বলেন, ‘এটি চমৎকার একটি বিজ্ঞান মেলা। আমি খুবই আনন্দিত। আমাদের গভীর অনুসন্ধানমূলক চিন্তাভাবনা প্রয়োজন এবং আমাদের আশাবাদী হতে হবে।’ এছাড়া জাগো ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা করভি রাখসান্দ বক্তব্য রাখেন। 

বিজ্ঞান মেলায় সামিট গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান ঘুরে ঘুরে দেখেন এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। বিজ্ঞানের নানা বিষয় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে শোনেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদান করেন তিনি। 

বক্তব্য রাখছেন সামিট গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান।

প্রধান অতিথি মো. মোহাম্মদ আজিজ খান জাগো ফাউন্ডেশনের হবিগঞ্জ, বান্দরবান ও রংপুরের বিভিন্ন স্কুল থেকে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ডিজিটাল ক্লাসে অংশগ্রহণ করেন। 

বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিচ্ছেন সামিট গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান। ছবি: ইত্তেফাক

পরে প্রধান অতিথি মো. মোহাম্মদ আজিজ খান ও শেলডন ইয়েট বিজ্ঞান মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এ সময় বিজ্ঞানে শিক্ষার্থীদের আরও অংশগ্রহণ ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করেন তারা। পরে অতিথিদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের এক প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা অতিথিদের কাছে নানা বিষয়ে বিভিন্ন করেন। 

অনলাইন ক্লাসে অংশগ্রহণ করেন সামিট গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান। ছবি: ইত্তেফাক

সামিটের সিএসআর উদ্যোগের অংশ হিসেবে ইউনেস্কো পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষা মডেল ব্যবহার করে দেশের ৪ হাজার ৫০০ সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীকে শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া আঞ্জুমান এবং আজিজ চ্যারিটেবল ট্রাস্ট থেকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ঝরে পড়া ৩ হাজার শিশুকে শিক্ষাপ্রদান করা হচ্ছে। 

ইত্তেফাক/এএএম