রমজানে ত্বকের যত্নে যা করবেন

আপডেট : ০৪ এপ্রিল ২০২৩, ২১:৩৩

সিয়াম সাধনার মাস রমজান। এই পবিত্র মাসে দীর্ঘ সময় ধরে কোনো ধরনের খাবার-দাবার গ্রহণ না করার কারণে শরীরে পানিস্বল্পতা দেখা দেয়। এই মাসে খাবার দাবারের নিয়মের পরিবর্তন হয় তাই সঠিক যত্ন না নিলে সহজেই এর প্রভাব ত্বক ও চুলের ওপর পড়তে পারে। তাই এসময় ত্বকরে জন্য প্রয়োজন একটুখানি বাড়তি যত্ন। তবে খুব বেশি কিছু নয় ঘরে থাকা বিভিন্ন উপাদান দিয়েই রোজা থেকেও সহজে ত্বকের যত্ন নিতে পারেন।

প্রথমত, আমাদের পানির চাহিদা পূরণ করতে হবে। তা ফলের রস, ডাব বা সাধারণ পানি দিয়েও হতে পারে। পাশাপাশি ভাজাপোড়া খাবার গ্রহণ থেকে বিরত থাকা ভালো। শুধু রমজান নয়, সব সময় আমাদের এগুলো করতে হবে। বিশেষ করে রমজানে ত্বকের সুরক্ষায় এগুলো অবশ্য করণীয়। সিদ্ধ করা খাবার, ভিটামিন ‘এ’, ‘ই’ ধরনের খাবার, যেমন- গাজর, টমেটো, ব্রকলি খেতে পারেন। প্রচন্ড গরমের ফলে শরীরে অনেক ধরনের সমস্যা হতে পারে। অতিরিক্ত ঘামের ফলে অনেক সময় ঘাম না বের হতে পেরে সেখানে থেকে যায়। এর ফলে ঘামাচি, সামার বয়েল বা ফোঁড়ার মতো বিভিন্ন চর্মরোগ হতে পারে।

রমজানে ত্বকের যত্ন

যারা নিয়মিত ৫ ওয়াক্ত নামাজের জন্য ওজু করেন তাদের মুখে পানির ঝাপটা পড়ে, এতে ত্বক সতেজ থাকে। তাই চেষ্টা করুন মুখে, ওজু ছাড়াও বেশি করে পানির ঝাপটা দিতে। এতে করে ত্বকের কোষগুলো মলিন হবে না। রাতের বেলা মুখে হাইড্রেটিং মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন। কেন না সারাদিনের পরিশ্রমের পর হাইড্রেটিং মাস্ক ত্বকের পানিশূন্যতা দূর করবে। মাস্ক হিসেবে শুধু অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করতে পারেন। অথবা সমপরিমাণ টক দই, মধু ও হলুদগুঁড়ো ব্যবহার করতে পারেন।

রমজানে ত্বকের যত্ন

স্বাস্থ্য সচেতনরা রোজায় কীভাবে ডায়েট মেনে চলবেন, জেনে নেওয়া যাক

যারা ওজন নিয়ে বছরজুড়ে চিন্তিত থাকেন, তারা রমজান মাস এলে বিভ্রান্তিতে পরে যান কিভাবে ডায়েট করবেন। কারণ এ সময়টাতে খাবারের তালিকা থেকে শুরু করে খাবার গ্রহণের সময় সবকিছু বদলে যায়। ওজন কমাতে চাইলে ইফতারে অতিরিক্ত তেল ও মসলাযুক্ত খাবার খাবেন না। মিষ্টি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। চাইলে অল্প তেলে ভাজা আধা কাপ ছোলা বেশি সালাদ দিয়ে খেতে পারেন। 

রমজানে ত্বকের যত্ন

আর ভরাপেটে খাবার না খেয়ে বরং পানি, জুস ও ফল খাওয়ার চেষ্টা করুন। সেহেরির আগে অন্য কিছু না খেয়ে রাত ১০টার দিকে যেকোনো মৌসুমি ফল বা এক গ্লাস লো ফ্যাটযুক্ত দুধ খেতে পারেন। রাতে হালকা ব্যায়াম করুন। শরীরের উপর জোর দিয়ে কোন ব্যায়াম করবেন না। এতে রোজায় অসুস্থ হয়ে যেতে পারেন। 

ইত্তেফাক/এএইচপি