ওয়ান প্লাস নিয়ে এসেছে তাদের প্রথম প্যাড। প্রথম প্যাডেই তারা বাজিমাত করে ফেলেছে বলা যেতেই পারে। কারণ প্রথম প্যাড বাজারে আনার পর অনেক ভুলচুক করে৷ বড় কোম্পানিগুলো এর ব্যতিক্রম না। ফোনের ক্ষেত্রে ওয়ানপ্লাস কিছু সমস্যায় ভুগলেও প্রথম প্যাডের ক্ষেত্রে ভুল রাখেনি। ওয়ানপ্লাস প্যাডে ব্যাটারি ভালো, ডিজাইন সুন্দর, সফটওয়ারও স্টেবল।
ব্র্যান্ড হিসেবে ওয়ান প্লাস বেশ জনপ্রিয়। তাদের প্যাডটিও স্ট্যান্ডার্ড। প্যাডের সঙ্গে স্টাইলাস ফিচার এবং একটা কিবোর্ড রয়েছে যাতে ভালোভাবেই টাইপ করা যায়। নতুন এই ট্যাবে অবশ্য আহামরি ফিচার বা অ্যাপ নেই। কিন্তু এই ট্যাবটিতে এমন ফিচারে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে যা ক্রেতাদের স্বাভাবিক চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম। আপনি ভিডিও দেখবেন, বই পড়বেন, ওয়েব ব্রাউজ ও টুকিটাকি কাজ করবেন এসবের জন্য এই ট্যাবটি কাজের।
তবে ট্যাবটির কিছু সমস্যাও রয়েছে। তাই বাজার বাজিমাত করার ক্ষেত্রে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। এই যেমন, ফোনটির যে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে তাতে অ্যাপল ও স্যামসাং এর সঙ্গে তাদের প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে। কিন্তু স্যামসাং বা অ্যাপলের মতো ওয়ানপ্লাসে নেই সফটওয়ার। নেই কোনো মাল্টিটাস্কিং এর এডভান্স অপশন। যা আছে তা চলনসই। তারপরও ওয়ানপ্লাস ট্যাবের ৭:৫ এসপ্যাক্ট রেশিও কিছুটা ব্যতিক্রম অবশ্যই। এসপ্যাক্ট রেশিও কতটা জরুরি তা অনেক কোম্পানিই হয়তো বুঝে উঠতে পারেনি।
এলসিডি হলেও এর রিফ্রেশ রেট ১৪৪ হার্জ এবং বেশ ভালো স্ক্রিন। কোয়াড স্পিকার সিস্টেমে ডলবি এটমোস থাকায় গান শোনাও অনেক চমৎকার অভিজ্ঞতা হয়ে উঠবে। হেডফোন জ্যাক না থাকা বড় সমস্যা এখানে। এসপ্যাক্ট রেশিওর কারণেই প্যাড বড় হয়েও ধরতে সুবিধার। তারপরও ট্যাবটি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। ওয়ানপ্লাস ভালো কাজ করেছে। অভিযোগের জায়গা রাখেনি। তবে তারা কিছু বিষয় যুক্ত করেনি যা করলে বাজিমাতই করতে পারতো।
