সহজভাবে নিচের পয়েন্টগুলো অনুসরণ করলে কাজের ঝামেলা অনেকটা কমে যাবে। অনেকে অনেক ভাল ডিজাইনার হওয়ার পরও সুবিধা বঞ্চিত হয়। নিজেকে প্রকাশ করারও দরকার পরে-এ ব্যাপারে দ্বিতীয় অংশের আলোচনা দেখুন।
বুক মার্ক
ওয়েবডিজানারকে অনেক ওয়েবটুল ব্যবহার করতে হয় বিভিন্ন সহকারি সাইট গুলো সুন্দরভাবে বুকমার্ক করে রাখুন। প্রয়োজনে কাজে লাগবে।
ছবি
প্রয়োজনীয় ছবি সংরক্ষণ করে রাখুন। বিভিন্ন সময় কাজে আসবে।
ফন্ট
আপনার প্রয়োজনীয় ফন্ট বাছাই করে আলাদাভাবে কালেকশনে রেখে দিন।
ক্লাইন্টের তথ্য ও ডকুমেন্ট
ক্লাইন্টের তথ্য ও ডকুমেন্ট সুন্দরভাবে গুছিয়ে রাখুন। নতুন কোন কাজ আসলে বা কোন কাজ ডেলিভারি দেওয়ার সময় আপনার ডকুমেন্টের হার্ড ও সফট কপি সংরক্ষণ করুন।
ডকুমেন্ট টেমপ্লেট
invoice, agneement ইত্যাদির জন্য কয়েকটি ডকুমেন্ট টেমপ্লেট (msword/msexcel)-এ বানিয়ে রাখুন। প্রয়োজন হলে হার্ড ও সফট কপি ব্যবহার করুন।
ভ্রমণ
ক্লাইন্টের অফিস বা কোথাও যেতে ল্যাপটপ সাথে নিতে পারেন। ডকুমেন্ট সব যায়গায় পাওয়ার জন্য gmail drive, dropbox ব্যবহার করতে পারেন।
মেইল
Client দের জন্য মেইল বক্সে আলাদা ফোল্ডার খুলুন এবং নিয়মিত মেইল চেক করুন।
সাবক্রাইব
ওয়েব ডেভলপার ও ডিজাইনার কমিউনিটির সাথে যোগাযোগ রাখুন। বিভিন্ন ব্লগ ও ফোরামে অংশগ্রহণ করুন। বর্তমান সময়ের একটি কাজের ধারা বর্ণনা করে ব্লগ বা টিউটরিয়াল লিখে সবার মাঝে পরিচিত লাভ করতে পারেন।
বিখ্যাত গ্রাফিক ডিজাইনার হওয়ার কৌশল:
অনলাইন ইন্টারভিউ
হাজার হাজার ডিজাইন ব্লগ /প্রতিষ্ঠান যেখানে আপনার সমস্যার সমাধান খুঁজে পাবেন। বা কারো সমস্যার সমাধান দিতে পারেন।
ম্যাগাজিনে লেখালেখি
বিভিন্ন অনলাইন ম্যাগাজিনে লেখালেখি করুন। লেখা প্রকাশ পাওয়া একটু কস্ট সাধ্য হলেও আপনাকে খুব সহজে সবার মাঝে পরিচিতি করতে পারে আপনার কিছু ডিজাইন সহ ম্যাগাজিনের লেখা।
ইবুক লিখুন
ম্যাগাজিনে নিজেকে উপস্থাপন কিছু কাজ সহ ই-বুক তৈরি করুন। শুধুমাত্র ভলো মানের ডিজাইন গুলোই সেখানে প্রকাশ করবেন। সুন্দর ব্যাক গ্রাউন্ড সহ ই-বুক ডিজাইন করুন।
ডিজাইন বুক প্রকাশ
আপনার কাজের বর্ণনা অভিজ্ঞতা সেরা কাজ ও কালেকশন নিয়ে একটি ডিজাইন বই প্রকাশ করুন।
ওয়েবসাইট খুলুন
ডিজাইন সম্পর্কিত ওয়েবসাইট খুলতে ও দৈনন্দিন কাজে বর্ণনা দিতে পারেন। সাইটটি অবশ্যই নান্দনিক ও ব্যতিক্রম ডিজাইনের ভরা থাকতে হবে।
