শুক্রবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৩, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩০
দৈনিক ইত্তেফাক

২৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ব্যবসায়ী নেতার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

আপডেট : ০৪ জুলাই ২০২৩, ১৭:৩৮

মাদারীপুরে প্রায় ২৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে বনিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এবং ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা বিক্ষোভ করে ৩ দিনের মধ্যে তাদের পাওনা পরিশোধের আল্টিমেটাম দিয়েছেন।

সোমবার (৩ জুলাই) বিকালে শহরের পুরাণ বাজার এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রির সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ব্যবসায়ী নেতাসহ ভুক্তভোগীরা।

অভিযুক্ত বনিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মেসার্স লুবনা ট্রেডার্সের স্বত্ত্বাধিকারী। তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, দুই ব্যবসায়ীর কাছে ২২ কোটি টাকার বেশি পাওনা আদায়ে আদালতে মামলা করার পর বিক্ষোভ করেন তারা।

জানা যায়, সম্প্রতি বিভিন্ন কোম্পানির সিগারেট কিনতে মেসার্স লুবনা ট্রেডার্সের স্বত্ত্বাধিকারী মনিরুল ইসলামকে তিন ব্যবসায়ী প্রায় ২৫ কোটি টাকা দেন। পরে টাকা কিংবা সিগারেট না দিলে কয়েক দফা পাওনা আদায়ের জন্য বললেও ব্যর্থ হন ওই তিন ব্যবসায়ী। একপর্যায়ে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাষ্টিসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত দেন ভুক্তভোগী মনির হাওলাদার (১৫ কোটি ১৫ লাখ ২৬ হাজার ৪৫৪ টাকা), সুজন মোল্লা (১৩ লাখ ৭১ হাজার ৯৮৮ টাকা), সাখাওয়াত হোসেন (৮ কোটি ৯৫ লাখ ৪ হাজার ৪৫ টাকা)। পরে বিক্ষোভ করেন ভুক্তভোগী, তাদের স্বজন ও ব্যবসায়ীরা। এ সময় চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রি’র নেতারা পাওনা আদায়ে আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

অভিযুক্ত মেসার্স লুবনা ট্রেডার্সের স্বত্ত্বাধিকারী মনিরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, ব্যবসায়ী সাখাওয়াত হোসেনের কাছে ও মনির হাওলাদারের কাছে ২২ কোটি টাকা পাওনা আদায়ে মামলা করলে উল্টে বিক্ষোভ করেন তারা। একটি পক্ষ ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক সুমান ক্ষুণ্ণ করতে এই বিক্ষোভ করাচ্ছে বলেও অভিযোগ বনিক সমিতির এই নেতার।

বিক্ষোভ ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রি’র সভাপতি হাফিজুর রহমান খান, সিনিয়র সহসভাপতি বাবুল চন্দ্র দাস, পরিচালক নন্দ দুলাল সাহা, মনিরুজ্জামান আক্তারসহ অনেকেই।

ইত্তেফাক/এবি/পিও