মোবাইলে যখন সিরি বা গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট আসে তখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছিল। তবে এখন চ্যাটজিপিটির সাফল্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উৎকর্ষে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
সিলিকন ভ্যালিতে বেড়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বিনিয়োগ। নতুন অ্যাসিস্টেন্টকে বলা হচ্ছে 'এজেন্ট' বা 'কোপাইলট'। মাইক্রোসফটের কোপাইলট নিয়ে আগেও আলোচনা হয়েছে। মানুষের মতোই জটিল কোনো টাস্ক বা কাজ এখন করতে পারবে নতুন এইসব অ্যাসিস্ট্যান্ট। মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে ব্যবহারকারীর সহযোগী বানানোর পায়তারা করছে সবাই।
অবশ্য সায়েন্স ফিকশনের মতো চোখ ধাঁধানো কোনো অ্যাসিস্ট্যান্ট আশা করা যাচ্ছে না। শুরুর দিকে মূলত জটিল দিকগুলোই প্রয়োগ করা হবে৷ আস্তে আস্তে তা গড়ে উঠতে শুরু করবে।
চ্যাটজিপিটির ভিত্তিতে ইতোমধ্যে অনেক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অ্যাসিস্ট্যান্ট নিয়ে কাজ হচ্ছে। অতীতে জারভিস এত জনপ্রিয় ছিল। গুগল ও মাইক্রোসফটও তাদের বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে এমন প্রকল্পে। এছাড়া অন্য উদ্যোক্তাও আছে। ইনফেকশন এআই নামে একটি স্টার্ট-আপ ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন বিনিয়োগ সংগ্রহ করেছে। তবে এর কিছু সমস্যাও রয়েছে।
যেহেতু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আলাদা সহকারী হিসেবে ব্যবহৃত হলে নীতি, নৈতিকতা ও ন্যায্যতার হিসেবটাও করতে হবে। সেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি অবস্থান নেবে তা একটি চিন্তার বিষয়। এ নিয়ে বিশেষজ্ঞরা অনেক শঙ্কার কথা জানিয়েছেন। কিন্তু বিনিয়োগ বাড়ার বিষয়টি প্রমাণ করে এর সম্ভাবনার কথা। এত বিপুল সম্ভাবনা অবশ্যই ব্যবহার ও নতুন কোনো ধারণা দ্বারা প্রভাবিত করতে হবে। সেটা কিভাবে হবে তা সামনেই দেখা যাবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আতঙ্ক তো আছেই। কেওসজিপিটি নামে একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় মানব ধ্বংসাত্নক বিষয়ের অনেক বর্ণনা পাওয়া যায়। তবে এসব ভয় বাদে ব্যাবসার আঙ্গিকের এর সম্ভাবনা অনেক।
গুগলের সিইও সুন্দার পিচাই নিজেও বলেছেন, এ নিয়ে শঙ্কায় যারা আছেন তারা বোকা। কারণ আমার জীবনকে সহজ করার মতো অ্যাসিস্ট্যান্ট থাকলে ও আমিই যদি একে কমান্ডের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করি তাহলে ভয়ের কি আছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যেমনই হোক। এর ব্যবহার আমাদের জন্য সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেবে।

হুবহু আসল ওয়েবসাইটের মতো, ওপেন করলেই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খালি!
মাইক্রোসফট ওয়ার্ড-এর অজানা ফিচার