শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ৮ আষাঢ় ১৪৩১
The Daily Ittefaq

এডিসি হারুন কাণ্ড: তদন্তে আরও ৫ দিন সময় পেল কমিটি

আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১৮:২৭

রাজধানীর শাহবাগ থানায় নিয়ে ছাত্রলীগের তিন নেতাকে মারধরের ঘটনায় ডিএমপির গঠন করা তদন্ত কমিটি আরও পাঁচ কার্যদিবস সময় পেয়েছে। ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মো. ফারুক হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন। বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

মো. ফারুক হোসেন বলেন, গত শনিবার রাতে শাহবাগ থানায় ছাত্রলীগের তিন নেতাকে মারধরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কারা দায়ী, কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে— এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্ত করার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়। একজন উপপুলিশ কমিশনারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি কাজ শুরু করেছে। এই কমিটিকে দুই কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছিল। তবে দুই কার্যদিবস শেষে কমিটি তদন্তের জন্য আরও সময় চাইলে ডিএমপি কমিশনার অতিরিক্ত পাঁচ কার্যদিবস সময় দেন।  

এডিসি হারুন অর রশীদে

মো. ফারুক হোসেন আরও বলেন, পূর্ণাঙ্গ তদন্তের স্বার্থে এবং এ ঘটনায় কারা কারা জড়িত, এডিসি হারুন ছাড়াও পুলিশের যেসব সদস্য থানায় ছিলেন তাঁদের কী ভূমিকা ছিল বা ঘটনা যেখান থেকে শুরু, বারডেম হাসপাতাল সেখানে কারা কারা ছিলেন—সব বিষয় পূর্ণাঙ্গভাবে তদন্তে আসার জন্য একটু সময়ের প্রয়োজন। এ কারণে তদন্ত কমিটি আরও পাঁচ কার্যদিবস তদন্তের সময় বাড়ানোর জন্য কমিশনার মহোদয়ের কাছে আবেদন করেছে। কমিটির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কমিশনার মহোদয় আরও পাঁচ কার্যদিবস সময় বাড়িয়েছেন।

ডিএমপির এই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা আশা করি, আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে কমিটি তদন্ত শেষে প্রতিবেদন জমা দেবে। তাদের দেওয়া প্রতিবেদনে যাঁরা দায়ী হবেন তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত যে ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া দরকার সেই ব্যবস্থা কমিশনার মহোদয় নেবেন।’ 

মারধরের শিকার হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছাত্রলীগ নেতা আনোয়ার হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

গত শনিবার রাতে তুলে নিয়ে শাহবাগ থানা হেফাজতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের তিন নেতাকে নির্যাতন করার অভিযোগ ওঠে পুলিশের রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) হারুন-অর-রশীদের বিরুদ্ধে। ঘটনার পরদিন ডিএমপি সদর দপ্তরের উপপুলিশ কমিশনার (অপারেশনস্) আবু ইউসুফকে সভাপতি করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার তাদের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা ছিল।

ইত্তেফাক/এনএ