বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ৮ ফাল্গুন ১৪৩০
দৈনিক ইত্তেফাক

ভ্যাপসা গরমে নিয়ম মেনে হাঁটুন 

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১৭:৪৩

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ তৈরি হওয়ায় সামনে কয়েকদিন ভ্যাপসা গরম বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। নগরে এখন অনেককেই হেঁটে এগিয়ে যেতে হয়। কিন্তু ভ্যাপসা গরমে হাঁটতে গিয়ে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন। কিন্তু নিয়ম মেনে হাঁটলে অন্তত অসুস্থ হওয়ার শঙ্কা থাকে না। অনেকটাই কমে যায়।

হাঁটার সময় অনেকেই বিষয়গুলো নিয়ে ভাবেন না। ভাবেন না বলেই অধিকাংশ সময়ে দেখা যায়, নানা শারীরিক সমস্যা আপনার স্বাভাবিক জীবনকে ব্যাহত করে। 

হাঁটার অভ্যাস করুন ভোরে
ব্যায়াম বা শরীরচর্চার অভ্যাস থাকলে আপনার উচিত ভোরের দিকে হাঁটা। এই সময়ে হাঁটলে কিছু সুবিধা পাবেন। যত গরমই হোক, ভোরের বাতাস থাকে স্নিগ্ধ। যানবাহন কম থাকায় বাতাসের মান থাকে ভালো। সবমিলিয়ে ভালো থাকবেন আপনি। 

হাঁটার ভালো জায়গা চাই
হাঁটার জন্য উপযুক্ত স্থান নির্বাচনও জরুরি। আপনি হাঁটবেন, তবে যেখানে সেখানে হাঁটলে হবে না। যদি কর্মস্থলেও যান তাহলে হাঁটার উপযুক্ত একটি র‍্যুট মানসিকভাবে বাছাই করে রাখবেন। 

মাথা শীতল রাখা
গবেষণায় দেখা গেছে, মাথা শীতল রাখা গেলে তা আপনার শারীরিক কার্যকারিতা বাড়িয়ে দেয় এবং হাইইন্টেন্সিটি বা তীব্র মাত্রার শরীরচর্চা–পরবর্তী ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে। তাই হাঁটতে বের হলে সঙ্গে বরফশীতল পানি রাখুন। প্রয়োজনে মাথায় ঢালুন বা মুখে পানির ঝাপটা দিন। এতে করে ক্লান্তি কেটে যাবে ও আপনি নতুন করে উজ্জীবিত হবেন।

প্রস্তুতি নিয়ে বের হওয়া
বাইরে বের হওয়ার সময় চেষ্টা করুন সান ব্লক ব্যবহার করতে। রোদচশমা আর প্রয়োজনে টুপি ব্যবহার করুন কড়া রোদের আঁচ থেকে রক্ষা পেতে। চেষ্টা করুন হাঁটার সময় সুতির হালকা কাপড় বা ঘাম শুষে নেয় এমন পোশাক পরিধান করতে। পরার জন্য হালকা রং নির্বাচন করুন। আরামদায়ক পোশাক পরুন এবং আঁটসাঁট পোশাক পরিহার করুন হাঁটার সময়। চলছে শরত। শরতের উপযুক্ত হালকা রঙের পোশাক গায়ে চাপান। 

হাঁটার আগে ও পরে
হাঁটতে যাওয়ার আগে বা ভারী শরীরচর্চার আগে এয়ারকন্ডিশনের কাছে বা সিলিংফ্যানের নিচে বসে শরীর ঠান্ডা করে নিতে হবে। এতে আপনার অভ্যন্তরীণ ‘কোর টেম্পারেচার কমে’ যাবে। তাই পরবর্তী সময়ে হাঁটার সময় বাহ্যিকভাবে তাপমাত্রা বাড়লেও ‘কোর টেম্পারেচার’ তা ব্যালেন্স করে ফেলবে। এ ছাড়া ঠান্ডা শরবত পান আপনাকে সহায়তা করতে পারে। হাঁটাহাঁটি বা ব্যায়াম শেষেও কুলডাউন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য ঠান্ডা পানিতে গোসল খুবই কার্যকর।

ইত্তেফাক/এআই

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন