বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ৮ ফাল্গুন ১৪৩০
দৈনিক ইত্তেফাক

জনবলসংকটে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতাল

আপডেট : ২৯ নভেম্বর ২০২৩, ০৮:৩৫

নীলফামারীর সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে সেবার পরিধি বেড়েছে। ফলে রোগীদের ভিড় বাড়ছে হাসপাতালটিতে। দূরদূরান্ত থেকে লোকজন প্রতিনিয়ত চিকিৎসার জন্য আসছেন এখানে। কিন্তু সেবার পরিধি বাড়লেও হাসপাতালে নেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসক। পাশাপাশি চিকিৎসা সরঞ্জাম ও ওষুধেরও সংকট রয়েছে। এতে ব্যাহত হচ্ছে হাসপাতালের স্বাভাবিক সেবা কার্যক্রম।

জানা যায়, হাসপাতালের আউটডোরে প্রতিদিন গড়ে দেড় হাজার রোগী চিকিৎসা নিতে আসে। এর মধ্যে নারী রোগীর সংখ্যা ৮০ শতাংশ। হাসপাতালটি ১০০ শয্যার হলেও রোগী ভর্তি থাকে ১৫০-১৭০ জনের মতো। ফলে শয্যাসংকটে বাড়তি রোগীদের মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হয়। হাসপাতালে পরীক্ষানিরীক্ষার পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতির অভাব রয়েছে। ফলে বাইরে থেকে পরীক্ষার করাতে হয় রোগীদের। প্রয়োজনীয় ওষুধও কিনতে হয় বাইরে থেকে।

সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডা. নাজমুল হুদা জানান, আমরা যে ভবনটিতে বসে চিকিৎসা দিই, সেই ভবনটির জরাজীর্ণ। ৬২ বছরের পুরোনো দ্বিতল হাসপাতাল ভবনটি ব্রিক পিলারের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। ফলে যে কোনো সময় ভবনটি ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি জানান, রেডিওলোজিস্ট ও সনোলজিস্ট বিভাগে নেই কোনো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। সিনিয়র কনসালট্যান্ট ১১ পদের ১০টিই শূন্য। জুনিয়র কনসালট্যান্ট পদ শূন্য রয়েছে পাঁচটি।

তিনি আরও বলেন, চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর পদ শূন্য। বিশেষ করে পরিচ্ছন্নতাকর্মীর অভাবে হাসপাতাল পরিষ্কার রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। হাসপাতালের বেশির ভাগ চিকিৎসক বয়সে তরুণ। তাই তারা পেশাদারিত্ব মনোভাব নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। হাসপাতালের দুটি পুরাতন মডেলের অ্যাম্বুলেন্স রোগী পরিবহনের জন্য রয়েছে। কখন কোন সময় অ্যাম্বুলেন্সের যন্ত্রাংশ বিকল হবে তার নেই কোনো নিশ্চয়তা। সমস্যার কথা কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

ইত্তেফাক/এমএএম