বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ৯ ফাল্গুন ১৪৩০
দৈনিক ইত্তেফাক

পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী)

স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ, আহত ২

আপডেট : ৩০ নভেম্বর ২০২৩, ১৭:৫৬

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী ও আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুবুর রহমানের কর্মী-সমর্থকদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী মাহবুবুর রহমানের দুই কর্মী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মাহবুবুর রহমান বর্তমান সংসদ সদস্য মো. মহিববুর রহমানকে দায়ী করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) সকাল পৌনে ১০টার দিকে পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌর শহরের গোডাউন ঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, কলাপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এস এম মনিরুল ইসলাম (৫০) এবং উপজেলা যুবলীগের সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক অসীম তালুকদারকে (৫২)। তারা কলাপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. মাহবুবুর রহমানের সমর্থক বলে জানা গেছে।

অসীম তালুকদারের অভিযোগ, আমি ও মনিরুল ইসলাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. মাহাবুবুর রহমানের মনোনয়নপত্র দাখিল উপলক্ষে পূর্বনির্ধারিত মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলাম। বালিয়াতলী স্টেশন থেকে মোটরসাইকেলে করে শহরের গোডাউন ঘাট এলাকায় পৌঁছালে ছাত্রলীগের ২০-২৫ জন নেতা-কর্মী রামদা, লাঠিসোটা নিয়ে অতর্কিত আমাদের ওপর হামলা চালায়। আমরা দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় হোঁচট খেয়ে পড়ে যায়। এ সময় তাদের হাতে থাকা রামদা দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। একপর্যায়ে স্থানীয়রা এসে আমাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা গেছে, অসীম তালুকদারের ডান ও বাম পা একাধিক জখমের চিহ্ন। এছাড়া বেধড়ক মারধরে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়েছে। অপরদিকে এস এম মনিরুল ইসলামের পিঠ, দুই হাত ও পায়ে জখম হয়েছে। তার শরীরেও বেধড়ক পিটুনিতে জখম হয়েছে।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য মো. মহিববুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগ আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে, আমি আওয়ামী লীগের কাজ করি। আর কেউ দাঁড়াইলো, না দাঁড়াইলো তাতে আমার কিছু যায় আসেনা। এ নিয়ে আমার কোনো বিরোধিতাও নাই। আমার সব কর্মীদেরকেও নির্দেশ দেওয়া আছে, কেউ কোথাও বাঁধা সৃষ্টি করবে না। এ নিয়ে আমরা কোনো দায়-দায়িত্বও নেব না। এ ঘটনা সম্পর্কে আমি কিছুই জানিনা। এ ঘটনা মাহবুবুর রহমানের অভ্যন্তরীণ ঘটনারই অংশ, যা আমাদের ওপরই চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

কলাপাড়া থানার ওসি আলী আহম্মেদ বলেন, খবর পেয়েই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আহতদেরকেও দেখে এসেছি। যারাই এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইত্তেফাক/এবি