চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের লোহাগাড়া উপজেলার ৬৭টি কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছে স্থানীয় প্রশাসন। এর মধ্যে ২৪টি কেন্দ্র অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, ৩৪টি কেন্দ্র কম ঝুঁকিপূর্ণ ও ৯টি ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানা গেছে। এই উপজেলার সব কেন্দ্রে পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
রবিবার (৭ জানুয়ারি) দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শনিবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ১১টা থেকে লোহাগাড়া উপজেলার কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসারের নিকট নির্বাচনি সরঞ্জাম বিলি শুরু হয়। ইতিমধ্যে সব সরঞ্জাম কেন্দ্রে পৌঁছে গেছে। চট্টগ্রাম-১৫ আসনের লোহাগাড়া উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে ৬৭টি কেন্দ্র রয়েছে। সকাল থেকে উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার ব্যালট বক্সসহ প্রয়োজনীয় নির্বাচনি সামগ্রী গ্রহণ করে কেন্দ্র নিয়ে গেছেন। তবে, ব্যালট পেপার কেন্দ্রে যাবে নির্বাচনের দিন ভোরে। লোহাগাড়ায় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ, নিরপক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পূর্ণ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ ইনামুল হাছান।
উপজেলা নির্বাচন অফিসার আবদুল শুক্কুর জানান, নির্বাচনে ব্যালট বক্সসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী স্বস্ব কেন্দ্রের প্রিজাইডিংয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ব্যালট পেপার নির্বাচনের দিন সকালে প্রদান করা হবে।
জানা গেছে, মোট ভোটার ২ লাখ ২২ হাজার ৩৩৭ জন। এর মধ্যে বড়হাতিয়া ইউনিয়নে ২৮ হাজার ৩৯৩ জন, আমিরাবাদ ইউনিয়নে ৩২ হাজার ৭৯ জন, পদুয়া ইউনিয়নে ৩০ হাজার ৬১৭ জন, লোহাগাড়া ইউনিয়নে ২৫ হাজার ৮৫২ জন, কলাউজান ইউনিয়নে ২৪ হাজার ৯৮৩ জন, পুটিবিলা ইউনিয়নে ১৮ হাজার ২৫১ জন, আধুনগর ইউনিয়নে ১৭ হাজার ৮০৬ জন, চুনতি ইউনিয়নে ২৪ হাজার ৪৮৫ জন ও চরম্বা ইউনিয়নে ১৯ হাজার ৮৭১ জন। সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ ইনামুল হাছান জানান, নির্বাচন হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে।
লোহাগাড়ায় তিন জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, বাংলাদেশ পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী তিন প্লাটুন, বিজিবি ছয় প্লাটুন, এপিবিএন ফোর্স দুই প্লাটুনসহ বিভিন্ন স্তরের নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে নির্বাচনে ব্যালট বক্সসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী স্বস্ব কেন্দ্রের প্রিজাইডিংয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তারা সরঞ্জাম নিয়ে কেন্দ্রে চলে গেছেন। ব্যালট পেপার নির্বাচনের দিন সকালে প্রদান করা হবে।
