সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০
দৈনিক ইত্তেফাক

জাবিতে ধর্ষণের প্রতিবাদে রেজিস্টার্ড গ্রাজুয়েট সিনেটরদের মানববন্ধন

আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৫:৫৫

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) এক দম্পতিকে কৌশলে ডেকে নিয়ে স্বামীকে মীর মশাররফ হোসেন হলের একটি কক্ষে আটকে রেখে পাশের জঙ্গলে স্ত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন সিনেটের রেজিস্টার্ড গ্রাজুয়েট প্রতিনিধিরা।

বুধবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার সংলগ্ন সড়কে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।

এ সময় রেজিস্ট্রার্ড গ্রাজুয়েট প্রতিনিধিরা বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান সকল প্রকার অচলাবস্থা দূর করতে এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের দাবি জানান। এছাড়া দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে উপাচার্যের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামার হুশিয়ারিও দেন তারা।

মানববন্ধনে সিনিটের রেজিস্টার্ড গ্রাজুয়েট প্রতিনিধি এবং সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক শামছুল আলম সেলিম বলেন, 'বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে যাদের ছাত্রত্ব নেই ও অপকর্ম করে যাচ্ছে, তাদের বিচার দাবি করছি। হলগুলোতে সংগঠনের নাম ভাঙিয়ে অসংখ্য শিক্ষার্থী অবৈধভাবে অবস্থান করছে। এছাড়া একজন শিক্ষকের নামে নিপীড়নের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে, কিন্তু তারপরও তিনি স্বপদে বহাল রয়েছেন। উপাচার্যকে বলতে চাই, আপনি যদি এসব ঘটনার বিচার না করেন তাহলে এসবের পুরোপুরি দায় আপনার ওপর বর্তাবে।'

সিনেটের রেজিস্টার্ড গ্রাজুয়েট প্রতিনিধি আশীষ কুমার মজুমদার, 'সব সময়ই অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন ঘটনা যেনো আর না ঘটে, তাই অবিলম্বে ধর্ষণের বিচার সম্পন্ন করতে হবে। হলে অছাত্ররা অবস্থান করছে আর বৈধ শিক্ষার্থীরা মানবেতর জীবনযাপন করছে। তাই আমরা দেখতে চাই,পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে অবৈধ ছাত্ররা হল ছেড়ে দিয়েছে।'

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক শরীফ এনামুল কবির বলেন, 'যারা ধর্ষণের মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের ফাঁসি দেওয়া হোক। হলে আড়াই হাজার নয়, খুঁজে দেখেন পাঁচ হাজার অবৈধ ছাত্র হলে অবস্থান করছে। তাই অবিলম্বে হল থেকে তাদের বের করে গণরুম উচ্ছেদ করতে হবে। হলের প্রাধ্যক্ষ ও ওয়ার্ডেনদের হলে থাকতে হবে। হলের শিক্ষার্থীদের ডাটাবেজ তৈরি করতে হবে। এছাড়া রাতে নির্দিষ্ট সময়ে যেনো শিক্ষার্থীরা হলে ফিরে আসে সে ব্যবস্থা করতে হবে। শৃঙ্খলা অধ্যাদেশে রাত ১০টার মধ্যে হলে ফেরার নিয়ম থাকলেও তা মানা হয় না। এছাড়া হলের পাশের দোকান উচ্ছেদ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় কেনো দোকানের টাকায় চলবে?'

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিনেটের রেজিস্টার্ড গ্রাজুয়েট প্রতিনিধি অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমগীর কবীর, শেখ মনোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ সোহেল পারভেজ, ইন্দু প্রভা দাস, সাবিনা ইয়াসমিন ও মোহাম্মদ মেহেদী জামিল প্রমুখ।

ইত্তেফাক/এআই