মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ৯ বৈশাখ ১৪৩১
The Daily Ittefaq

সেহেরির রান্না করতে গিয়ে গ্যাস বিস্ফোরণ, একই পরিবারের ৪ জন দগ্ধ

আপডেট : ২৭ মার্চ ২০২৪, ১৭:৫৯

ঢাকার ধামরাইয়ে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৪ জন দগ্ধ হয়েছেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে  রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) রাত সাড়ে ৩টার দিকে ধামরাই পৌরসভার মোকামটোলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ধামরাই ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা সোহেল রানা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দগ্ধরা হলেন- নুরুল ইসলাম নান্নু মিয়া (৫৫), তার স্ত্রী সুফিয়া বেগম (৫০), মেয়ে গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী নিশরাত জাহান সাথী (২২) ও ছেলে এইচএসসি পরীক্ষার্থী আল হাদী সোহাগ (১৮)। দগ্ধ নুরুল ইসলাম নান্নু উপজেলার বাইশাকান্দা ইউনিয়নের খাগাইল গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সপরিবারে ইব্রাহিম হোসেন লিয়াকতের ৪ তলা বাড়ির নিচ তলায় ভাড়া থাকতেন। 

জানা যায়, সেহেরির রান্না করতে রান্নাঘরে যান সুফিয়া বেগম। গ্যাসের চুলা জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গে পুরো ফ্ল্যাটে জমে থাকা গ্যাস থেকে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে পরিবারের ৪ সদস্য দগ্ধ হন। পরে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদেরকে ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় ফ্ল্যাটের আসবাবসহ বেশ কিছু মালামাল পুড়ে গেছে।

ওই ভবনের ভাড়াটিয়া আনন্দ সরকার জানান, নিচ তলায় চিৎকারের শুনতে পেয়ে গিয়ে দেখি বাড়ির নিচ তলায় ভাড়াটিয়া নান্নুর কক্ষে আগুন লেগেছে। পরে দ্রুত সেখান থেকে অগ্নিদগ্ধ সবাইকে উদ্ধার করে ইসলামপুর সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখান থেকে তাদের ঢাকায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও  পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নূর রিফফাত আরা বলেন, অগ্নিদগ্ধ ৪ জনকে হাসপাতালে নিয়ে আসার পর অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ণ ইনস্টিটিউটে পাঠিয়ে দেই। পরিবারের ৪ জনের মধ্যে ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

ধামরাই ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা সোহেল রানা গণমাধ্যমকে বলেন, তারা তিতাসের গ্যাসের পাশাপাশি সিলিন্ডার গ্যাসও ব্যবহার করতেন। গ্যাস সিলিন্ডার, নাকি আবাসিক গ্যাস সংযোগের গ্যাস থেকে এ ঘটনা ঘটেছে, তা তদন্তের পর জানা যাবে। তবে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেনি। 

ইত্তেফাক/এবি