শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
The Daily Ittefaq

উপজেলা নির্বাচন

চট্টগ্রামে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থীর পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন

আপডেট : ২৭ মে ২০২৪, ১৮:৩০

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থী অধ্যাপক হারুনুর রশিদ ও দিদারুল আলম দিদার একে অপরের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনে আচরণবিধির অভিযোগ এনেছেন।

২৯ মে তৃতীয় ধাপে পটিয়া উপজেলা নির্বাচনকে ঘিরে দুই প্রার্থী একে অপরের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক বক্তব্য দেওয়া, পোস্টার-ব্যানার ছেঁড়া এবং হাইব্রিড ও বহিরাগতের অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে উঠছে পটিয়ার আওয়ামী লীগের রাজনীতি। 

দলীয় নেতা-কর্মীরা দু’প্রার্থীর পক্ষে-বিপক্ষে দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েছে। উপজেলা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আ ক ম সামশুজ্জামান চৌধুরী হারুনের পক্ষে আবার কয়েকজন দলীয় ইউপি চেয়ারম্যান দিদারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। যুবলীগ ছাত্রলীগও দ্বিধাবিভক্ত হয়ে দু’প্রার্থীর পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার চালানোয় নির্বাচনের দিন সহিংসতার আশঙ্কায় রয়েছেন ভোটাররা।

রোববার (২৬ মে) প্রথম সংবাদ সম্মেলন করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী অধ্যাপক হারুনুর রশিদ। সংবাদ সম্মেলনে তিনি তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদারের আলম দিদারের বিরুদ্ধে ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদান এবং ভোটের দিন কেন্দ্র দখলের পরিকল্পনার অভিযোগ করেন।

সোমবার (২৭ মে) এই অভিযোগ নাকচ করে চেয়ারম্যান প্রার্থী দিদার হারুনুর রশিদের বিরুদ্ধে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি অধ্যাপক হারুনুর রশিদকে হাইব্রিড আওয়ামী লীগ নেতা আখ্যা দিয়ে বলেন, অধ্যাপক হারুন জামায়াত-শিবির থেকে আওয়ামী লীগে যোগদান করেছেন।

দিদার বলেন, তার পিতা একজন মুক্তিযোদ্ধা। তিনি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে ছাত্রজীবন থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তিনি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়ে বলেন, অধ্যাপক হারুন তার বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ করেছেন। তিনি তাকে প্রতিদ্বন্ধী মনে করেন না। অধ্যাপক হারুনুর রশিদ তার কর্মীদের হাত কেটে নেওয়ার জন্য ওসির সামনে উস্কানি দিয়েছেন। এ জন্য তিনি ২৬ মে পটিয়া থানায় জিডি করেছেন।

উল্লেখ্য, পটিয়া উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ২ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৮ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা সবাই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সমর্থক। 

ইত্তেফাক/পিও