শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১
The Daily Ittefaq

হাতির আক্রমণে চার মাসে ঝরে গেছে ৬ প্রাণ  

আপডেট : ১০ জুন ২০২৪, ২২:২০

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট ও ধোপাজুরি উপজেলায় বেড়েছে বন্যহাতির আক্রমণ। গত চার মাসে হাতির আক্রমণের শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছে ৬জন। ভুক্তভোগীরা অধিকাংশই পরিবারের উপার্জনকারী ব্যক্তি ছিলেন। এখন পরিবারগুলো অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে। 

মঙ্গলবার (৪ জুন) রাতে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার কড়ইতলী গ্রামের গোলাপ হোসেন (৫৫) নামের এক কৃষক হাতির আক্রমণের শিকার হয়ে মারা যান। এর এক দিন পর বৃহস্পতিবার সকালে কড়ইতলী শালবনে আম কুড়াতে গিয়ে হাতির আক্রমণে কোরবান আলী (৬০) নামে ঠেলাচালকের মৃত্যু হয়। 

এ ছাড়াও পার্শ্ববর্তী ধোপাজুরি উপজেলার পাহাড়ের ঢালে গত ১২ মে হাতির আক্রমণে মৃত্যু হয় আলতাফ উদ্দিন (৭০) নামের এক কৃষকের। ২৫ এপ্রিল রাতে নালিতাবাড়ীর বাতকুচি পাহারটিলা গ্রামে হাতির পায়ে পিষ্ট হয়ে ওমর আলী (৫০) নামের আরেক কৃষকের মৃত্যু হয়। ৩০ মার্চ নাকুগাঁও পাহাড়ের ঢালে বন্যহাতির তাড়া খেয়ে উসমান আলী (২৮) ও ৫ মার্চ হালুয়াঘাটের মহিললেটি এলাকায় সীমান্তবর্তী পাহাড়ের ঢালে রাতে শশাখেতে সেচ দিতে গিয়ে হাতির আক্রমণে মারা যান সাইফুল ইসলাম (৩৫) নামের দুই কৃষক।   
 
কড়ইতলী গ্রামের বাসিন্দারা জানান, কড়ইতলী শালবন এলাকায় প্রায় ৪০ থেকে ৪৫টি বন্যহাতি অবস্থান করছে। তাদের মধ্যে পাঁচ থেকে সাতটি হস্তিশাবকও আছে। সন্ধ্যা নামার পরপর এসব হাতি জনবসতিতে চলে আসছে খাবারের সন্ধানে।

ময়মনসিংহ বন বিভাগের গোপালপুর বিট কর্মকর্তা লোকমান হাকিম বলেন, হাতির আক্রমণে হালুয়াঘাটে চার ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় দুজনের পরিবারের পক্ষ থেকে বন বিভাগে আবেদন করেছেন। সম্প্রতি নিহত দুই পরিবারকে আবেদন করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্তদেরও আবেদন করতে বলা হয়েছে। ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রত্যেক পরিবার ৫০ হাজার করে টাকা পাবে।

ইত্তেফাক/পিও