ইবি থানা স্থানান্তর না করার দাবিতে স্মারকলিপি 

আপডেট : ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪, ২০:০৩

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থী ও ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে ক্যাম্পাসে অবস্থিত ইবি থানা স্থানান্তর না করার দাবিতে উপাচার্যকে স্মারকলিপি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নেতৃবৃন্দ।

শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব নসরুল্লাহর কার্যালয়ে এই স্মারকলিপি প্রদান করেন তারা।

এ সময় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এয়াকুব আলী, প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইবির সমন্বয়ক এস এম সুইট, সহ-সমন্বয়ক তানভীর মণ্ডল, গোলাম রাব্বানী, তৌহিদুল ইসলামসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন। 

স্মারকলিপিতে বলা হয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানা সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং পার্শ্ববর্তী সাতটি ইউনিয়নের আইন শৃঙ্খলা রক্ষা ও মানুষের জান-মালের নিরাপত্তায় দীর্ঘ দিন ধরে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও এলাকার মানুষের মতামত উপেক্ষা করে ফ্যাসিস্ট সরকারের স্বার্থান্বেষী কতিপয় রাজনৈতিক ব্যক্তি অসত্য তথ্য দিয়ে এই থানাকে সরিয়ে ১৬ কিলোমিটার দূরে দুর্গম ঝাউদিয়ায় নেয়ার অপচেষ্টা করেছে। ২০২২ সালের ২৭ নভেম্বর নিকার কমিটির সভায় ঝাউদিয়ায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানা স্থানান্তর এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও এলাকাবাসীর সম্মতিতে থানা স্থানান্তর করে এখানে পুলিশ ক্যাম্প প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়।

এতে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের মতামত না নিয়ে এমন অপচেষ্টা সাধারণ শিক্ষার্থীরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পড়তে আসা শিক্ষার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম দায়িত্ব। সুতরাং বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীর সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ক্যাম্পাসকে সুরক্ষিত রাখতে হলে, ইবি থানাকে তার পূর্বাবস্থায় বহাল রাখার কোনো বিকল্প নেই। স্বভাবতই, বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান কুষ্টিয়া শহর থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরত্বে এবং বিনাইদহ সীমান্তবর্তী অঞ্চল হওয়ায় এলাকাটি দুর্গম এবং নিরাপত্তাজনিত সংকটে রয়েছে। 

স্মারকলিপি গ্রহণ করে উপাচার্য ড. নকীব নসরুল্লাহ বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবি সম্পূর্ণ যৌক্তিক, আমি তাদের সাথে ঐক্যমত পোষণ করছি। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও চাইনা যে থানা এখান থেকে দূরে চলে যাক। বিভিন্ন মাধ্যমে আমরা চেষ্টা করছি থানা যাতে হস্তান্তর না হয়। বিষয়টি নিয়ে কুষ্টিয়া ঝিনাইদহের ডিসি ও এসপিদের সাথে আলাপ করবো। 

ইত্তেফাক/এমএএস