জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র ও অআকখ-এর যৌথ উদ্যোগে গ্রন্থভবনে পাঠচক্রের শুভ সূচনা

আপডেট : ১৭ আগস্ট ২০২৫, ১৯:৫১

জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র ও অআকখ-এর যৌথ উদ্যোগে গুলিস্তানে অনুষ্ঠিত হলো উন্মুক্ত পাঠচক্রের প্রথম পর্ব। শওকত আলীর বিখ্যাত উপন্যাস "প্রদোষে প্রাকৃতজন" নিয়ে আয়োজিত হয় একটি ঘরোয়া সাহিত্য আড্ডা।

বরিবার (১৭ জুলাই) গুলিস্তানে জাতীয় গ্রন্থভবনে পাঠচক্রটি অনুষ্ঠিত হয় 

ভালো সাহিত্য ও গল্প ছড়িয়ে দিতে এবং পাঠাভ্যাসকে উৎসাহিত করতেই অআকখ ও জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র হাতে নিয়েছে এই ধারাবাহিক পাঠচক্র আয়োজনের উদ্যোগ। তরুণ পাঠক থেকে শুরু করে সব বয়সী পাঠকদের অংশগ্রহণে পাঠচক্রটি পরিণত হয় একটি প্রাণবন্ত মিলনমেলায়।

আড্ডায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক আফসানা বেগম এবং লেখক আহমেদ মোস্তফা কামাল। বই ও চরিত্র বিশ্লেষণ ছাড়াও উপস্থিত পাঠকরা সমাজ, ইতিহাস, সংস্কৃতি ও দর্শন নিয়ে নানা প্রশ্ন তোলেন। মোস্তফা কামাল পাঠকদের নানা প্রশ্নের উত্তর দেন ও আলোচনাকে প্রাণবন্ত করে তোলেন। আফসানা বেগম বইটির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং বর্তমান প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মতামত।

অআকখ শুরু থেকেই পাঠচক্রকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছে। বর্তমানে তাদের পাঠচক্র দেশের নানা অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে। উন্মুক্ত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক এই আয়োজনগুলো লেখক-পাঠক সম্পর্ক উন্নয়নে নতুন মাত্রা যোগ করছে।

"প্রদোষে প্রাকৃতজন" উপন্যাসটি মূলত হিন্দু শাসনের পতন ও মুসলিম শাসনের সূচনার সন্ধিক্ষণে সাধারণ মানুষের ভাবনা, পরিবর্তনশীল সমাজ ও প্রান্তিক জীবনের গল্প নিয়ে রচিত। উপন্যাসের এমন ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে আজকের সমাজের প্রতিচ্ছবিও অনেকে খুঁজে পান।


পাঠচক্র আধুনিক সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে সমাজ সম্পর্কে সচেতন করে তোলে। আদর্শ মানুষ হিসাবে গড়ে তুলে। নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধি করে। তাই শিক্ষা কার্যক্রমে সহশিক্ষা হিসেবে  পাঠচক্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন আয়োজকরা। শিক্ষা কার্যক্রমে সহশিক্ষা হিসেবে পাঠচক্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলেও তারা উল্লেখ করেছেন।

ইত্তেফাক/আইএ

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন