বেনাপোল বন্দরে এপিবিএন প্রত্যাহার, নিরাপত্তার দায়িত্বে জেলা পুলিশ

আপডেট : ১৮ নভেম্বর ২০২৫, ১৮:২৯

বেনাপোল বন্দরের প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল এবং বন্দরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ৪০ জন এপিবিএন সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাদের স্থলে যোগ দিয়েছেন জেলা পুলিশের সদস্যরা।

সর্বশেষ সোমবার (১৭ নভেম্বর) রাত থেকে জেলা পুলিশ সদস্যরা বন্দরের নিরাপত্তায় কাজ শুরু  করেন।

এর আগে গত ৪ নভেম্বর বাংলাদেশ পুলিশের অ্যাডিশনাল ডিআইজি সাহাজাদা মো. আসাদুজ্জামান সই করা এক চিঠিতে এপিবিএন সদস্যদের প্রত্যাহারের এ নির্দেশ দেওয়া হয়। চিঠিতে বলা হয়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্ব প্রস্তুতি  হিসেবে বেনাপোল স্থল বন্দরে কর্মরত ৪০ জন এপিবিএন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করে নেওয়ার বিষয়টি জানানো হয়।

আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য ও পাসপোর্টধারীদের নিরাপত্তার জন্য জেলা পুলিশের ৪০ জন সদস্য এখানে নিয়োজিত থাকবে বলে জানান বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) শামিম হোসেন। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে ১৫ জন জেলা পুলিশ বন্দরের নিরাপত্তার কাজ শুরু করেছেন। বাকিরা দু’একদিনের মধ্যে যোগ দেবেন।

দায়িত্বে থাকা এপিবিএন পুলিশের ওসি মিজানুর রহমান বলেন, এপিবিএন ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার অ্যাডিশনাল ডিআইজি এসএম সালাউদ্দিন স্যারের নির্দেশে বেনাপোল ক্যাম্প ক্লোজড করে খুলনায় আনা হয়েছে।

বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি আব্দুল আল মামুন জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে সোমবার রাত থেকে জেলা পুলিশ সদস্যরা বন্দরের নিরাপত্তায় কাজ শুরু  করেছে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) শামিম হোসেন জানান, জাতীয় নির্বাচনে আর্মড ব্যাটালিয়ন পুলিশের প্রয়োজন হওয়ায় বন্দর থেকে ৪০ জন আর্মড পুলিশ প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আপাতত পোর্ট থানা পুলিশের ১৫ সদস্য কাজ শুরু করেছে। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে জেলা পুলিশ সদস্যরা যোগ দেবেন। এসব পুলিশ সদস্য বন্দরের নিরাপত্তাজনিত সব বিষয়ে সহযোগিতা করবেন। 

উল্লেখ্য, বেনাপোল বন্দরের নিরাপত্তা বাড়াতে ২০১২ সালের ৭ জুলাই বেনাপোল বন্দরে নিয়োগ দেওয়া হয় এপিবিএন সদস্যদের। বন্দরটিতে এপিবিএন ছাড়াও ১৬৩ জন আনসার সদস্য ও ১৪০ জন বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থার কর্মী রয়েছেন। তারা বন্দরের ৯৩ একর জমিতে স্থাপিত ৩৪টি ওয়্যারহাউস ও একটি কার্গো ভেহিকেল টার্মিনালের নিরাপত্তা এবং পাসপোর্টধারীদের ভ্রমণ সংক্রান্ত নিরাপত্তায় কাজ করে থাকে।

ইত্তেফাক/এপি