সব দ্বন্দ্ব ভুলে যশোর-২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সাবিরা নাজমুল মুন্নির পক্ষে একসঙ্গে প্রচারণায় নেমেছেন বিএনপি নেতারা। ‘একসাথে চলো, ধানের শীষকে বিজয় কর’— নীতিতে বিএনপি নেতারা ধানের প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী মাঠে সরব হয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ওই আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সাবিরা নাজমুল মুন্নির পক্ষে প্রচারণায় দেখা গেছে বিএনপি নেতাদের।
এদিন সরেজমিনে দেখা গেছে, চৌগাছা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সাবেরা নাজমুল মুন্নিকে সঙ্গে নিয়ে চৌগাছা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জহুরুল ইসলাম প্রচারণায় নামেন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপি'র বর্তমান সভাপতি এম এ সালাম, সেক্রেটারি মাসুদুল হাসান, পৌর বিএনপির সভাপতি সেলিম রেজা আউলিয়ার, সেক্রেটারি আলহাজ্ব আব্দুল হালিম চঞ্চল, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আলী, মোস্তাক স্থানীয় নেতাকর্মীরা। একপর্যায়ে বিভিন্ন পথসভা এবং উঠান বৈঠকে বক্তব্য রাখেন তারা।
এদিন নেতাকর্মীরা একসঙ্গে হাকিমপুর ইউনিয়নের হাকিমপুর, স্বরুপপুর, হাজিপুর গ্রামে জনসংযোগ করেন।
দেবীপুর গ্রামে রাত ৮টায় এক সভায় সাবেরা নাজমুল মুন্নি বলেন, আমি এমপি না, আপনাদের সেবক হতে চাই। বিশেষ কোনো ব্যক্তিও নই আমি। আমি আপনাদেরই সন্তান, আমি বিগত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দ্বারা গুম ও খুন হওয়া নাজমুলের স্ত্রী। তিনি বলেন, ধানের শীষ বিজয়ী হলে চৌগাছা ঝিকরগাছাকে আধুনিকায়ন করব ইনশাল্লাহ। তিনি আরও বলেন, আমি নির্বাচিত হলে চৌগাছা-ঝিকরগাছাকে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করব। সভা শেষে চৌগাছা বাজারে ভোট প্রার্থনা করেন সাবেরা নাজমুল মুন্নি।
উল্লেখ্য, চৌগাছা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জহুরুল ইসলাম নিজেই বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন এবং পরে মনোনয়ন কিনে জমাও দিয়েছিলেন। কিন্তু পরে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সাবেরা নাজমুল মুন্নির পক্ষে সমর্থন দিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন জহুরুল ইসলাম।

