এপস্টেইন নথির কারণে বেজায় বিপদে পড়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়াদ স্টারমার। এবার তার শীর্ষ সহযোগী মরগান ম্যাকসুইনি পদত্যাগ করেছেন বলে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
গত দুই মাসে যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইন সম্পর্কিত লাখ লাখ নতুন ফাইল প্রকাশ করে মার্কিন বিচার বিভাগ। এরপর থেকে নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে।
নথিতে লর্ড পিটার বেঞ্জামিন ম্যান্ডেলসনের সঙ্গে এপস্টেইনের সখ্যতার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। এতে ব্রিটিশ রাজনীতিতে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এক প্রকার বাধ্য হয়ে রাষ্ট্রদূতের পদ থেকে ম্যান্ডেলসনকে সরিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে তিনি লেবার পার্টির সদস্যপদ ছাড়েন।
আল জাজিরা জানিয়েছে, ম্যান্ডেলসনকে ওয়াশিংটনে যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূত নিয়োগের ইস্যুতে পদ ছাড়লেন মরগান। রোববার এক বিবৃতিতে মরগান বলেছেন, ভালোভাবে চিন্তা করার পর আমি সরকারের পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। পিটার ম্যান্ডেলসনকে নিয়োগের সিদ্ধান্তটি ভুল ছিল। তিনি আমাদের দল, আমাদের দেশ ও রাজনীতির ওপর আস্থার ক্ষতি করেছেন।
এ ছাড়া স্টারমারের শীর্ষ এই সহযোগী বলেন, এই নিয়োগের (লর্ড ম্যান্ডেলসনের) বিষয়ে আমি প্রধানমন্ত্রীকে পরামর্শ দিয়েছিলাম। এই পরামর্শের পুরো দায় আমি নিচ্ছি। ৪৮ বছর বয়সী মরগান লর্ড ম্যান্ডেলসনের আশ্রয়দাতা ও বন্ধু হিসেবে পরিচিত।
এর আগে ম্যান্ডেলসনকে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়ায় ইতোমধ্যে ক্ষমা চেয়েছেন স্টারমার। এ ছাড়া চাপের মুখে যুক্তরাজ্য সরকার বলেছে, তারা লর্ড ম্যান্ডেলসনের নিয়োগ সম্পর্কিত সমস্ত তথ্য প্রকাশ করবে।
ব্রিটেনের সরকার জানিয়েছে, সংবেদনশীল নথিগুলো দুই দলের সমন্বয়ে গঠিত নিরাপত্তা কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে।

‘বেঁচে আছেন কুখ্যাত এপস্টেইন’, চাঞ্চল্যকর দাবিতে তোলপাড়