টানা তৃতীয় জয় দক্ষিণ আফ্রিকার, কিউইদের একাই হারালেন মার্করাম

আপডেট : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:২৭

অধিনায়ক এইডেন মার্করামের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে নিউজিল্যান্ডকে সাত উইকেটে হারিয়ে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটের খুব কাছে পৌঁছে গেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। টানা তৃতীয় জয় তুলে নিয়ে গ্রুপ ‘ডি’-তে নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করেছে তারা।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) আহমেদাবাদে অনুষ্ঠিত ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে নিউজিল্যান্ড ৭ উইকেটে ১৭৫ রান সংগ্রহ করে। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে বল হাতে দারুণ পারফর্ম করেন মার্কো জানসেন; ৪০ রানে চার উইকেট নিয়ে কিউইদের শুরুর সারির ব্যাটারদের দ্রুত সাজঘরে ফেরান তিনি।

ইনিংসের শুরুতেই টিম সেইফার্ট ও রাচিন রবীন্দ্রকে ফিরিয়ে দেন জানসেন। ফিন অ্যালেন ১৭ বলে ৩১ রান করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও ষষ্ঠ ওভারে মিড-অফে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন। এতে ৫৮ রানে তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে নিউজিল্যান্ড।

পরে মার্ক চ্যাপম্যান (৪৮) ও ড্যারিল মিচেল (৩২) পঞ্চম উইকেটে ৭৪ রানের জুটি গড়ে দলকে ঘুরে দাঁড়ানোর পথ দেখান। তবে ১৪তম ওভারে চ্যাপম্যান আউট হলে আবারও ধাক্কা খায় কিউইরা। শেষদিকে জেমস নিশামের অপরাজিত ১৫ বলে ২৩ রানে লড়াকু সংগ্রহ পায় নিউজিল্যান্ড।

অন্যদিকে ১৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী ছিলেন মার্করাম। চার ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৬২ রান তোলে দক্ষিণ আফ্রিকা। ডি কক ২০ রান করে ফিরলেও মার্করামের ঝড় থামেনি। মাত্র ১৯ বলে ফিফটি তুলে নেন তিনি। মিচেল স্যান্টনারকে লং-অন দিয়ে ছক্কা হাঁকিয়ে পৌঁছান অর্ধশতকে।

রায়ান রিকেলটন ২১ রান করে আউট হওয়ার আগেই দলীয় শতরান পূর্ণ হয়। প্রয়োজনীয় রানরেট ছয়ের নিচে নেমে আসার পর মার্করাম ঝুঁকিপূর্ণ শট না খেলে স্ট্রাইক রোটেশনে মন দেন। শেষ পর্যন্ত ৪৪ বলে চার ছক্কা ও আট চারে ৮৬ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। যা টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার কোনো অধিনায়কের সর্বোচ্চ ইনিংস। পরে ডেভিড মিলারের অপরাজিত ২৪ রানে ১৭ বল হাতে রেখেই ৩ উইকেট হারিয়ে ১৭৮ রান করে জয় নিশ্চিত করে দক্ষিণ আফ্রিকা।

ম্যাচ শেষে মার্করাম বলেন, পাওয়ারপ্লেতে আক্রমণাত্মক খেলাই তাদের পরিকল্পনার অংশ এবং সেটি সফল হওয়ায় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ দ্রুত তাদের হাতে আসে।

গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে বুধবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকা। তার একদিন আগে নিউজিল্যান্ড খেলবে কানাডার বিপক্ষে।

ইত্তেফাক/কেএইচ