ঈদের দ্বিতীয় দিনে মেট্রোরেলে যাত্রীচাপ তীব্র

আপডেট : ২২ মার্চ ২০২৬, ১৬:৫১

ঈদের ছুটি কাটিয়ে আবারও যাত্রী পরিবহন শুরু করেছে রাজধানীর জনপ্রিয়, বিদ্যুৎচালিত ও দ্রুতগতির গণপরিবহন মেট্রোরেল। রোববার (২২ মার্চ) সকাল থেকে উত্তরা-মতিঝিল-উত্তরা রুটে যাত্রী পরিবহন শুরু হলেও বিভিন্ন স্টেশনে ব্যাপক ভিড় দেখা যায়।

এদিন দুপুরে সরেজমিনে মতিঝিল স্টেশনে দেখা যায়, এখানে শতশত মানুষ দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কিনছেন। লাইনের দৈর্ঘ্য স্টেশনের প্রবেশপথের কাছে চলে গেছে। বেশিরভাগ যাত্রীর গন্তব্য উত্তর-দক্ষিণ, উত্তরা সেন্টার ও উত্তরা উত্তর স্টেশনে। যাত্রীদের টিকিট দিতে দিতে দম ফেলার যেন সুযোগ পাচ্ছেন না টিকিট অফিসাররা।

কারওয়ান বাজার স্টেশন থেকে উত্তরা সেন্টার স্টেশনে যাওয়ার জন্য পরিবার নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন আবির রহমান। তিনি বলেন, আজ ঈদের দ্বিতীয় দিন। গতকাল তো পরিবার নিয়ে বাসায় কাটিয়েছি। আজ একটু বাইরে বের হলাম। উত্তরার দিকে ঘুরতে যাচ্ছি। শুনেছি, ওদিকে নাকি বিশাল খোলা ময়দান আছে।

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সানজিদা ইসলাম বলেন, বান্ধবীদের সঙ্গে ঘুরতে যাচ্ছি উত্তরায়। সেখানে লেকে নৌকায় চড়বো, ফুচকা খাবো।

আজকে ভিড়টা একটু বেশি মনে হচ্ছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, তবে মেট্রো না থাকলে এই দূরত্ব পাড়ি দিতে অনেক ঝামেলা হতো। দ্রুত যাওয়া যায় বলেই সবাই এটাকেই বেছে নিচ্ছে।।

যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে ভ্রমণের জন্য উত্তরার খোলামেলা জায়গাগুলো বেশ আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। সেখানে একইসঙ্গে নৌকা ভ্রমণ, খোলা বড় জায়গায় ঘোরাঘুরি, নানা ধরনের রাইড এবং খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা থাকায় পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেকেই সেদিকে যাচ্ছেন।

এছাড়াও রাজধানীতে এখন সড়কপথে যাতায়াত ব্যয়বহুল। শহরের এক মাথা থেকে অন্য মাথায় যেতে অন্যান্য পরিবহনের তুলনায় মেট্রোরেল অনেকটাই সাশ্রয়ী ও দ্রুতগতির। কেননা ঈদের সময় যাতায়াতে বাড়তি খারচ লাগলেও মেট্রোরেলে বাড়তি ভাড়া আদায়ের কোন সুযোগ নেই। মূলত এ কারণেই দিন দিন এই পরিবহন ব্যবস্থার ওপর জনগণের নির্ভরতা আরও বাড়ছে। 

 

 

ইত্তেফাক/এনটিএম