ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে গড়ে উঠছে আন্তর্জাতিক মানের হাফেজে কুরআন

আপডেট : ১৯ মে ২০২৬, ১২:২৬

আধুনিক ইংলিশ মিডিয়াম শিক্ষার সঙ্গে ইসলামিক মূল্যবোধের সমন্বয়ে আন্তর্জাতিক মানের হাফেজে কুরআন গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে রাজধানীর ব্রাইটন ইন্টারন্যাশনাল স্কুল। প্রতিষ্ঠানটিতে অনুষ্ঠিত হলো “হিফজ গ্র্যাজুয়েশন প্রোগ্রাম ২০২৬”।

মোহাম্মদপুরের বসিলা মেইন রোডে অবস্থিত এই আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ও ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদের খতিব মুফতি সাইফুল ইসলাম।

তিনি গ্রেড-৫-এর শিক্ষার্থী জাওয়াদ আসজাদকে হিফজ সম্মাননা প্রদান করেন এবং তার সাবলীল তিলাওয়াতের প্রশংসা করেন। বক্তব্যে তিনি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান, সুশৃঙ্খল পরিবেশ এবং ইসলামিক মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থার প্রশংসা করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ, লেখক, গবেষক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব রুহুল আমিন সাদী।

“নৈতিক ও আধুনিক শিক্ষায় উৎকর্ষ”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ২০২৩ সালে যাত্রা শুরু করে ব্রাইটন ইন্টারন্যাশনাল স্কুল। প্রতিষ্ঠানটি ক্যামব্রিজ কারিকুলামের পাশাপাশি সমন্বিত ইসলামিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যেখানে হিফজুল কুরআন, আরবি ভাষা ও ইসলামিক স্টাডিজ বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত এ প্রতিষ্ঠানে অভিজ্ঞ শিক্ষকমণ্ডলীর তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্থীদের ও-লেভেল এবং এ-লেভেল পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করা হয় নিরাপদ ও আধুনিক শিক্ষাবান্ধব পরিবেশে।

উল্লেখ্য, প্রতিষ্ঠানের হিফজ, আরবি ভাষা ও ইসলামিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে মসজিদে নববীর সাবেক শিক্ষক এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পুরস্কারপ্রাপ্ত একজন হাফেজে কুরআনের তত্ত্বাবধানে। ফলে শিক্ষার্থীরা হিফজ সম্পন্ন করার পাশাপাশি ইসলামিক মৌলিক শিক্ষা ও মূল্যবোধে গড়ে উঠছে।

একাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে আর্ট অ্যান্ড কালচার, পাবলিক স্পিকিং, সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি এক্সপ্লোরেশন, নেতৃত্ব উন্নয়ন এবং বিভিন্ন ক্রীড়া কার্যক্রম।

বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, “ব্রাইটন ইন্টারন্যাশনাল স্কুল আধুনিক ও ইসলামিক শিক্ষার সমন্বয়ে আস্থার একটি নির্ভরযোগ্য নাম।”

প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের আশা, নৈতিকতা, আধুনিক জ্ঞান ও ইসলামিক মূল্যবোধের সমন্বয়ে শিক্ষার্থীরা আত্মবিশ্বাসী, দক্ষ ও দায়িত্বশীল বিশ্বনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে।

ইত্তেফাক/এএইচপি