টাঙ্গাইলের সখীপুরে নিখোঁজের ৩৪ ঘণ্টা পর পারভীন আক্তার (৪৬) নামে এক বিধবা নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১ জুলাই) সকালে পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের হাসপাতাল গেট এলাকার নিজ বাসার পাশের একটি ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। তিনি উপজেলার হাতিবান্ধা গ্রামের মৃত হুমায়ুন খানের স্ত্রী।
পুলিশ ও নিহতের পারিবার সূত্রে জানা গেছে, ছেলে ঢাকায় চাকরি করায় পারভীন আক্তার নামের ওই নারী সখীপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসায় একা বসবাস করতেন। গত সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় পারভীন আক্তারের সঙ্গে মোবাইল ফোনে ছেলে সোহেল খান ফাহাদের সর্বশেষ কথা হয়। পরদিন মঙ্গলবার সকাল থেকে ফাহাদ একাধিকবার ফোন করলেও কেউ ফোন রিসিভ করেনি। বিষয়টি স্বজনদের জানালে তারা গিয়ে বাসার দরজা খোলা অবস্থায় দেখতে পান। তারা ঘরের অস্বাভাবিক অবস্থা দেখে আশপাশের বিভিন্ন জায়গায় খুঁজেও পারভীনকে না পেয়ে ফাহাদকে ফোনে বিষয়টি অবগত করেন।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ফাহাদ ঢাকা থেকে ফিরে মায়ের নিখোঁজের বিষয়টি উল্লেখ করে সখীপুর থানায় অপহরণ মামলা করেন। এদিকে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বুধবার সকালে বাড়ির পাশের একটি ডোবায় পারভীনের মরদেহ পাওয়া যায়। সোহেল দাবি করেন, ‘আমার মাকে পরিকল্পিতভাবে কেউ হত্যা করে ডোবায় ফেলে রেখে গেছে।’
টাঙ্গাইলের সহকারী পুলিশ সুপার (সখীপুর সার্কেল) এ কে এম মামুনুর রশীদ বলেন, ‘মরদেহ দেখে মনে হচ্ছে—২৯ তারিখ রাতেই ওই নারীর মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে হত্যাকাণ্ড বলেই ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্যে পাঠানো হয়েছে।’ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য জানা যাবে বলে জানান তিনি।

