জার্মানিতে বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যে জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদত বার্ষিকী পালন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে জার্মানির বার্লিনে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে দিবসটি পালন করা হয়।
এদিন জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও অর্ধনমিতকরণের পর বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ইমতিয়াজ আহমেদ ও দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। এছাড়া জার্মান আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের বার্লিন শাখার নেতারাসহ আগত প্রবাসীরাও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
আরো পড়ুন: বিয়ের আসর থেকে বরকে পাঠানো হলো কারাগারে
দূতাবাসের কর্মকর্তা সফিউল আজমের পরিচালনায় ও বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ইমতিয়াজ আহমেদের সভাপতিত্বে শোক সভায় বক্তব্য দেন মিজানুর হক খান, ইউনুস আলী খান, হাফিজুর রহমান আলম, মোবারক আলী ভূঁইয়া, মাহফুজ ফারুক, মাসুদুর রহমান, নুরে আলম সিদ্দিক রুবেল, নজরুল ইসলাম খালেদ, শারফউদিন জুয়েল প্রমুখ।

সভায় বক্তারা বলেন, বর্তমান জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা। আর এ গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ের মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি চিরকাল বাঙালি জাতির মাঝে বেঁচে থাকবেন। বাংলার মানুষের মুক্তিই ছিল তার জীবনের মূল লক্ষ্য ও আদর্শ। শেখ মুজিবুর রহমান এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর শিক্ষা ও আদর্শ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে দেশের উন্নয়নে সকলকে কাজ করতে হবে। তার স্বপ্ন ও আদর্শ বাস্তবায়ন হলেই তার প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে।
বক্তারা আরো বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তি পরিকল্পিতভাবে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তাকে সপরিবারে হত্যা করে। এটা ছিল ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড। ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে হত্যা করতে চেয়েছিল। কিন্তু তারা সফল হয়নি। জাতির পিতার আদর্শ নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে। বঙ্গবন্ধুর প্রদর্শিত পথে সোনার বাংলার জন্য সোনার মানুষ তৈরি করতে হবে।
ইত্তেফাক/বিএএফ
